ফাইযা-ছাওওয়াইতুহূওয়া নাফাখতুফীহি মিররূহী ফাকা‘ঊ লাহূছা-জিদীন।উচ্চারণ
তারপর যখন অমি তাকে পুরোপুরি তৈরি করে ফেলবো এবং তার মধ্যে নিজের প্রাণ ফুঁকে দেবো। ৬১ তখন তোমরা তার সামনে সিজদানত হয়ে যেয়ো।” ৬২ তাফহীমুল কুরআন
আমি যখন তাকে সম্পূর্ণরূপে তৈরি করে ফেলব এবং তার ভেতর আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সামনে সিজদায় পড়ে যেও।মুফতী তাকী উসমানী
যখন আমি ওকে সুষম করব এবং ওতে আমার সৃষ্টি রূহ সঞ্চার করব তখন তোমরা ওর প্রতি সাজদাহবনত হও।মুজিবুর রহমান
যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সম্মুখে সেজদায় নত হয়ে যেয়ো।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘যখন আমি একে সুষম করব এবং এতে আমার রূহ্ সঞ্চার করব, তখন তোমরা এর প্রতি সিজ্দাবনত হয়ো।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তার মধ্যে আমার রূহ সঞ্চার করব, তখন তোমরা তার উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে যাও’।আল-বায়ান
আমি যখন তাকে সঠিকভাবে বানিয়ে ফেলব আর তার ভিতরে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সামনে সাজদাহয় পড়ে যাবে।তাইসিরুল
তারপর আমি যখন তাকে সুঠাম করব এবং আমার রূহ্ থেকে তাতে দম দেব তখন তার প্রতি সিজদাবনত হয়ে লুটিয়ে পড়ো।মাওলানা জহুরুল হক
৬১
ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, আল হিজর, ১৭-১৯ এবং আস সিজদাহ, ১৬ টীকা
৬২
ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, আল বাকারাহ, ৪৫ এবং আল আ’রাফ ১০ টীকা।
৭২. অতঃপর যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ সঞ্চার করব, তখন তোমরা তার প্রতি সিজদাবনত হয়ো।
(৭২) সুতরাং যখন আমি ওকে সুঠাম করব(1) এবং ওতে আমার রূহ (জীবন)(2) সঞ্চার করব তখন তোমরা ওর প্রতি সিজদার জন্য লুটিয়ে পড়ো।’ (3)
(1) অর্থাৎ, তাকে মানুষের রূপ দিয়ে দেব এবং তাকে পূর্ণাঙ্গ ও সৌষ্ঠবসম্পন্ন করে দেব।
(2) অর্থাৎ, সেই রূহ বা প্রাণ, যার মালিক একমাত্র আমিই। আমি ছাড়া যার ব্যাপারে কেউ কোন এখতিয়ার রাখে না এবং যা ফুঁকে দিলেই এই মাটির কলেবর জীবন, নড়া-চড়ার ক্ষমতা ও দৈহিক শক্তি অর্জন করবে। মানুষের সম্মান ও মর্যাদার জন্য এ কথাই যথেষ্ট যে, তাতে সেই রূহ ফুঁকা হয়েছে, যাকে আল্লাহ তাআলা ‘আমার রূহ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
(3) এখানে যে সিজদার কথা বলা হয়েছে তা অভিনন্দন-জ্ঞাপক বা সম্মানসূচক (তা’যীমী) সিজদা ছিল, ইবাদতের সিজদা নয়। এরূপ সম্মানসূচক সিজদা করা পূর্বে বৈধ ছিল, যার জন্য আল্লাহ তাআলা ফিরিশতাদের আদম (আঃ)-কে সিজদা করার আদেশ দেন। বর্তমানে ইসলামী শরীয়তে কাউকে সম্মানসূচক সিজদা করা বৈধ নয়। হাদীসে পাওয়া যায়, নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘যদি কাউকে সিজদা করা বৈধ হত, তবে আমি নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।’’
(তিরমিযী, মিশকাত ৩২৫৫নং)