ওয়াযকুর ‘ইবা-দানাইবর-হীমা ওয়া ইছহা-কাওয়াইয়া‘কূ বা ঊলিল আইদী ওয়াল আবসা-র।উচ্চারণ
আর আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের কথা স্মরণ করো। তারা ছিল বড়ই কর্মশক্তির অধিকারী ও বিচক্ষণ ৪৮ তাফহীমুল কুরআন
আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা স্মরণ কর, যারা (সৎকর্মশীল) হাত ও (দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন) চোখের অধিকারী ছিল।মুফতী তাকী উসমানী
স্মরণ কর, আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের কথা, তারা ছিল শক্তিশালী ও সূক্ষ্মদর্শী।মুজিবুর রহমান
স্মরণ করুন, হাত ও চোখের অধিকারী আমার বান্দা ইব্রাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
স্মরণ কর, আমার বান্দা ইবরাহীম, ইস্হাক ও ইয়াকূবের কথা, এরা ছিল শক্তিশালী ও সূক্ষ্মদর্শী।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর স্মরণ কর আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়া‘কূবকে। তারা ছিল শক্তিমান ও সূক্ষ্মদর্শী।আল-বায়ান
স্মরণ কর আমার বান্দাহ ইবরাহীম, ইসহাক্ব ও ইয়া‘কূব-এর কথা- তারা ছিল শক্তি ও সূক্ষ্ণদর্শিতার অধিকারী।তাইসিরুল
আর স্মরণ করো আমাদের দাস ইব্রাহীম ও ইসহাক ও ইয়াকুবকে, তাঁরা ছিলেন ক্ষমতার ও অন্তদৃষ্টির অধিকারী।মাওলানা জহুরুল হক
৪৮
মূলে বলা হয়েছেঃ أُولِي الْأَيْدِي وَالْأَبْصَارِ (হস্তধারী ও দৃষ্টিধারীগণ) ইতিপূর্বে যেমন আমরা বলেছি, হাত মানে শক্তি ও সামর্থ্য। আর এ নবীগণকে শক্তি ও সামর্থ্যে অধিকারী বলার অর্থ হচ্ছে, তাঁরা অত্যন্ত সক্রিয় ও কর্মশক্তির অধিকারী ছিলেন। তাঁরা আল্লাহর আনুগত্যকারী ও গোনাহ থেকে সংরক্ষিত থাকার প্রচণ্ড শক্তির অধিকারী ছিলেন। দুনিয়ায় আল্লাহর কালেমা বুলন্দ করার জন্য তাঁরা বিরাট প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। দৃষ্টি অর্থ চোখের দৃষ্টি নয় বরং অন্তর্দৃষ্টি। তাঁরা সত্যদ্রষ্টা ছিলেন। দুনিয়ায় তাঁরা চোখ বন্ধ করে চলতেন না। বরং চোখ খুলে জ্ঞান ও তাত্বিক পর্যবেক্ষণের পূর্ণ আলোকে সঠিক সোজা পথ দেখে চলতেন। এ শব্দগুলোর মধ্যে এ দিকে একটি সূক্ষ্ম ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, দুষ্কৃতিকারী ও পথভ্রষ্টরা আসলে হাত ও চোখ উভয়টি থেকে বঞ্চিত। আসলে যারা আল্লাহর পথে কাজ করে তারাই হস্তধারী এবং যারা সত্যের আলো ও মিথ্যার অন্ধকারের মধ্যে পার্থক্য করে তারাই দৃষ্টির অধিকারী।
৪৫. আর স্মরণ করুন, আমাদের বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা, তাঁরা ছিলেন শক্তিশালী ও সূক্ষ্মদর্শী।
(৪৫) স্মরণ কর, আমার দাস ইব্রাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের কথা, ওরা ছিল শক্তিশালী ও বিচক্ষণ।(1)
(1) অর্থাৎ, আল্লাহর ইবাদত ও দ্বীনের সাহায্যের ব্যাপারে তাঁরা খুবই শক্তিশালী এবং ধর্মীয় জ্ঞানের দিক দিয়ে বড় বিচক্ষণ ছিলেন। কেউ কেউ বলেন যে, أَيْدِيْ نِعَمٌ (নিয়ামত ও অনুগ্রহ) এর অর্থে ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ, এরা ঐ সকল ব্যক্তি যাদের উপর আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত ও অনুগ্রহ হয়েছে অথবা এরা মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করত।