فَٱسۡتَفۡتِهِمۡ أَلِرَبِّكَ ٱلۡبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلۡبَنُونَ

ফাছতাফতিহিম আ লিরব্বিকাল বানা-তুওয়া লাহুমুল বানূন।উচ্চারণ

তারপর তাদেরকে একটু জিজ্ঞেস করো, ৮৬ (তাদের মন কি একথায় সায় দেয় যে, ) তোমাদের রবের জন্য তো হচ্ছে কন্যারা এবং তাদের জন্য পুত্ররা? ৮৭ তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং তাদেরকে (মক্কার মুশরিকদেরকে) জিজ্ঞেস কর, তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রয়েছে কন্যা সন্তান আর তাদের জন্য পুত্র সন্তান? #%৩১%#মুফতী তাকী উসমানী

এখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ তোমার রবের জন্য কি রয়েছে কন্যা সন্তান এবং তাদের জন্য পুত্র সন্তান?মুজিবুর রহমান

এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র-সন্তান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এখন এদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যেই কি রয়েছে কন্যা সন্তান এবং এদের জন্যে পুত্র সন্তান ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার রবের জন্য কি কন্যা সন্তান এবং তাদের জন্য পুত্র সন্তান’?আল-বায়ান

এখন তুমি তাদেরকে (অর্থাৎ মক্কার কাফিরদেরকে) জিজ্ঞেস কর ‘কন্যাগুলোই কি তোমাদের প্রতিপালকের জন্য, আর তাদের নিজেদের জন্য পুত্রগণ?তাইসিরুল

সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো -- তোমার প্রভুর জন্য কি কন্যাসন্তান রয়েছে, আর তাদের জন্য পুত্রসন্তান?মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৮৬

এখান থেকে আর একটি বিষয় শুরু হচ্ছে। প্রথম বিষয়টি ১১ আয়াত থেকে শুরু হয়েছিল। অর্থাৎ মক্কার কাফেরদের সামনে এ প্রশ্ন রাখা হয়েছিলঃ “তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, তাদেরকে সৃষ্টি করা বেশী কঠিন কাজ, না আমি যেগুলো সৃষ্টি করে রেখেছি সেগুলো?” এখন তাদেরই সামনে এ দ্বিতীয় প্রশ্ন আনা হচ্ছে। প্রথম প্রশ্নের উদ্দেশ্য ছিল কাফেরদেরকে তাদের এ ভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়া যে, তারা মৃত্যু পরের জীবন ও শাস্তি-পুরস্কারকে অসম্ভব মনে করতো এবং এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিদ্রূপ করতো। এখন এ দ্বিতীয় প্রশ্নটি তাদের এ মূর্খতা সম্পর্কে সতর্ক করে দেবার জন্য পেশ করা হচ্ছে যে, তারা বলতো আল্লাহর সন্তান আছে এবং অনুমানের ঘোড়া দাবড়িয়ে যাকে ইচ্ছা তাকেই আল্লাহর সন্তান বলে আখ্যায়িত করতো।

৮৭

হাদীস থেকে জানা যায়, আরবে কুরাইশ, জুহাইনিয়া, বনী সালেমাহ, খুযা’আহ, নবী য়ুলাহ এবং অন্যান্য গোত্র বিশ্বাস করতো, ফেরেশতারা আল্লাহর কন্যা। কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে তাদের এ জাহেলী আকীদার কথা বলা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ দেখুন সূরা আন নিসা, ১১৭ ; আন নাহল, ৫৭-৫৮ বনী ইসরাঈল, ৪০ ; আয যুখরুফ, ১৬-১৯ এবং আন নাজম, ২১-২৭ আয়াতসমূহ।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

সূরার শুরুতে বলা হয়েছিল যে, মক্কা মুকাররমার মূর্তিপূজকগণ ফেরেশতাদেরকে আল্লাহ তাআলার কন্যা বলত। এবার তাদের সেই বেহুদা আকীদা খণ্ডন করা হচ্ছে। সেই মূর্তিপূজকরা নিজেদের জন্য কিন্তু কন্যা সন্তান পছন্দ করত না; বরং এতটাই ঘৃণা করত যে, তাদের অনেকে তো কন্যা সন্তানের জন্ম হলে তাকে জ্যান্ত পুতে ফেলত। আল্লাহ তাআলা প্রথমত বলছেন, এটা কেমন বেইনসাফী যে, তোমরা নিজেদের জন্য কন্যা অপছন্দ কর, অথচ আল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বাস কর ‘তার কন্যা সন্তান আছে’? তারপর বলেছেন, আল্লাহ তাআলার কোন সন্তানের প্রয়োজন নেই না পুত্র সন্তানের, না কন্যা সন্তানের।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪৯. এখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, আপনার রবের জন্যই কি রয়েছে কন্যা সন্তান(১) এবং তাদের জন্য পুত্ৰ সন্তান?

(১) বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে আরবের কুরাইশ, জুহাইনা, বনী সালামাহ, খুযাআহ এবং অন্যান্য গোত্রের কেউ কেউ বিশ্বাস করতো, ফেরেশতারা আল্লাহর কন্যা। কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে তাদের এ জাহেলী আকীদার কথা বলা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ দেখুন: সূরা আন নিসা: ১১৭; আন নাহল: ৫৭–৫৮; আল-ইসরা: ৪০; আয যুখরুফ: ১৬–১৯ এবং আন নাজম: ২১–২৭ আয়াতসমূহ।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪৯) ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর, আল্লাহর জন্য কি কন্যাসন্তান এবং ওদের নিজেদের জন্য পুত্রসন্তান?