وَأَنۢبَتۡنَا عَلَيۡهِ شَجَرَةٗ مِّن يَقۡطِينٖ

ওয়া আমবাতনা ‘আলাইহি শাজারতাম মিইঁ ইয়াকতীন।উচ্চারণ

এবং তার ওপর একটি লতানো গাছ উৎপন্ন করলাম। ৮৩ তাফহীমুল কুরআন

এবং তার উপর উদগত করলাম একটি লতাযুক্ত গাছ।মুফতী তাকী উসমানী

পরে আমি তার উপর এক লাউ গাছ উদগত করলাম।মুজিবুর রহমান

আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

পরে আমি তার ওপর এক লাউ গাছ উদ্গত করলাম. ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি একটি ইয়াকতীন* গাছ তার উপর উদগত করলাম।আল-বায়ান

অতঃপর আমি তার উপর লাউ-কুমড়া জাতীয় লতা-পাতাযুক্ত একটা গাছ বের করে দিলাম।তাইসিরুল

তখন তাঁর উপরে আমরা জন্মিয়েছিলাম লাউজাতীয় গাছ,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৮৩

মূলে বলা হয়েছে شَجَرَةً مِنْ يَقْطِينٍ ইয়াকতীন আরবী ভাষায় এমন ধরনের গাছকে বলা হয় যা কোন গুঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না বরং লতার মতো ছড়িয়ে যেতে থাকে। যেমন লাউ, তরমুজ, শশা ইত্যাদি। মোটকথা সেখানে অলৌকিকভাবে এমন একটি লতানো গাছ উৎপন্ন করা হয়েছিল যার পাতাগুলো হযরত ইউনুসকে ছায়া দিচ্ছিল এবং ফলগুলো একই সঙ্গে তাঁর জন্য খাদ্য সরবরাহ করছিল এবং পানিরও যোগান দিচ্ছিল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪৬. আর আমরা তার উপর ইয়াকতীন(১) প্ৰজাতির এক গাছ উদগত করলাম,

(১) ইয়াকতীন আরবী ভাষায় এমন ধরনের গাছকে বলা হয় যা কোন গুড়ির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না বরং লতার মতো ছড়িয়ে যেতে থাকে। যেমন লাউ, তরমুজ, শশা ইত্যাদি। মোটকথা সেখানে অলৌকিকভাবে এমন একটি লতাবিশিষ্ট বা লতানো গাছ উৎপন্ন করা হয়েছিল যার পাতাগুলো ইউনুসকে ছায়া দিচ্ছিল এবং ফলগুলো একই সংগে তার জন্য খাদ্য সরবরাহ করছিল এবং পানিরও যোগান দিচ্ছিল। (দেখুন: তাবারী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪৬) পরে আমি (তাকে ছায়া দেওয়ার জন্য) এক লাউগাছ উদগত করলাম; (1)

(1) يَقْطِين ঐ সকল লতা গাছকে বলা হয়, যা নিজ কান্ডের উপর দাঁড়াতে পারে না, যেমন লাউ, কুমড়া ইত্যাদির গাছ। অর্থাৎ, সেই বালুচরে, যেখানে না কোন গাছ-পালা ছিল আর না ছিল কোন ঘর-বাড়ী । সেখানে একটি ছায়াবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করে তাকে রক্ষা করলাম।