ওয়া বাশশারনা-হু বিইছহা-কা নাবিইয়াম মিনাসসা-লিহীন।উচ্চারণ
আর আমি তাঁকে ইসহাকের সুসংবাদ দিলাম, সে ছিল সৎকর্মশীলদের মধ্য থেকে একজন নবী। তাফহীমুল কুরআন
আর আমি তাকে সুসংবাদ দিলাম ইসহাকের, যে নেককারদের মধ্যে একজন নবী হবে।মুফতী তাকী উসমানী
আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, সে ছিল এক নাবী, সৎকর্মশীলদের অন্যতম।মুজিবুর রহমান
আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিয়েছিলাম, সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী হিসেবে,আল-বায়ান
আর তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের- যে ছিল সৎকর্মশীল বান্দাহদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী।তাইসিরুল
আর আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের -- একজন নবী সৎপথাবলন্বীদের মধ্যেকার।মাওলানা জহুরুল হক
১১২. আর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, তিনি ছিলেন এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম।
(১১২) আমি তাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিয়েছিলাম, সে ছিল একজন নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম। (1)
(1) উক্ত ঘটনার পর ইবরাহীম (আঃ)-কে আরো একটি সন্তান ইসহাক ও তাঁর নবী হওয়ার সুসংবাদ দানে বুঝা যাচ্ছে যে, এর পূর্বে যাঁকে যবেহ করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল তিনি ইসমাঈল (আঃ) ছিলেন। সেই সময় ইবরাহীম (আঃ)-এর তিনিই একমাত্র পুত্র ছিলেন, ইসহাক (আঃ) তাঁর পরে জন্মগ্রহণ করেন। ‘যাবীহ’ (যাঁকে যবেহ করতে যাওয়া হয়েছিল তিনি) কে ছিলেন, ইসমাঈল (আঃ) না ইসহাক (আঃ)? এ বিষয়ে মুফাসসিরগণের মাঝে মতভেদ আছে। ইমাম ইবনে জারীরের মতে, তিনি ইসহাক (আঃ)। কিন্তু ইবনে কাসীর ও অধিকাংশ মুফাসসিরগণের মতে, তিনি ইসমাঈল (আঃ)। আর এটাই সঠিক। ইমাম শাওকানী এই বিষয়ে নীরব।
(বিস্তারিত জানার জন্যে তাফসীর ফাতহুল ক্বাদীর ও তাফসীর ইবনে কাসীর দ্রষ্টব্য)