وَفَدَيۡنَٰهُ بِذِبۡحٍ عَظِيمٖ

ওয়া ফাদাইনা-হু বিযিবহিন ‘আজীম।উচ্চারণ

একটি বড় কুরবানীর বিনিময়ে আমি এ শিশুটিকে ছাড়িয়ে নিলাম ৬৬ তাফহীমুল কুরআন

এবং আমি এক মহান কুরবানীর বিনিময়ে সে শিশুকে মুক্ত করলাম। #%২৩%#মুফতী তাকী উসমানী

আমি তাকে মুক্ত করলাম এক মহান কুরবানীর বিনিময়ে।মুজিবুর রহমান

আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি তাকে মুক্ত করলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি এক মহান যবেহের* বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম।আল-বায়ান

আমি এক মহান কুরবানীর বিনিময়ে পুত্রটিকে ছাড়িয়ে নিলাম।তাইসিরুল

আর আমরা তাঁকে বদলা দিয়েছিলাম এক মহান কুরবানি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৬৬

“বড় কুরবানী” বলতে বাইবেল ও ইসলামী বর্ণনা অনুসারে একটি ভেড়া। সে সময় আল্লাহর ফেরেশতা হযরত ইবরাহীমের সামনে এটি পেশ করেন পুত্রের পরিবর্তে একে যবেহ করার জন্য। একে “বড় কুরবানী” বলার কারণ হচ্ছে এই যে, এটি ইবরাহীমের ন্যায় আল্লাহর বিশ্বস্ত বান্দার জন্য ইবরাহীম পুত্রের ন্যায় ধৈর্যশীল ও প্রাণ উৎসর্গকারী পুত্রের প্রাণের বিনিময়ে ছিল এবং আল্লাহ‌ একে একটি নজীর বিহীন কুরবানীর নিয়ত পুরা করার অসিলায় পরিণত করেছিলেন। এছাড়াও একে “বড় কুরবানী” গণ্য করার আর একটি বড় কারণ দিয়েছেন যে, এ তারিখে সারা দুনিয়ায় সমস্ত মু’মিন পশু কুরবানী করবে এবং বিশ্বস্ততা ও প্রাণ উসৎর্গকারী এ মহান ঘটনার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে থাকবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

পিতা-পুত্র উভয়ে যেহেতু আল্লাহ তাআলার আদেশ পালনের জন্য তাদের এখতিয়ারাধীন সবকিছুই করে ফেলেছিলেন, তাই তাদের পরীক্ষা হয়ে গিয়েছিল। অনন্তর আল্লাহ তাআলা তাঁর কুদরতের এক কারিশমা দেখালেন। ছুরি হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামের স্থলে একটি দুম্বার উপর চলল। আল্লাহ তাআলা সেটিকে নিজ কুদরতে সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম জীবিত ও নিরাপদ থাকলেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৭. আর আমরা তাকে মুক্ত করলাম এক বড় যবেহ এর বিনিময়ে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৭) আর আমি তার পরিবর্তে যবেহযোগ্য এক মহান জন্তু দিয়ে তাকে মুক্ত করে নিলাম।(1)

(1) ‘যবেহযোগ্য মহান জন্তু’ একটি দুম্বা ছিল, যা আল্লাহ তাআলা জান্নাত থেকে জিবরীল মারফত পাঠিয়েছিলেন। (ইবনে কাসীর) ইসমাঈল (আঃ)-এর পরিবর্তে সেই দুম্বাটি যবেহ করা হয়েছিল এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর উক্ত সুন্নতকে কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথ ও ঈদুল আযহার সব থেকে পছন্দনীয় আমল বলে স্বীকৃতি দেওয়া হল।