وَنَٰدَيۡنَٰهُ أَن يَـٰٓإِبۡرَٰهِيمُ

ওয়া না-দাইনা-হু আইঁ ইয়াইবর-হীম।উচ্চারণ

এবং আমি আওয়াজ দিলাম, ৬২ “হে ইবরাহীম! তাফহীমুল কুরআন

আর আমি তাকে ডাক দিয়ে বললাম, হে ইবরাহীম!মুফতী তাকী উসমানী

তখন আমি তাকে আহবান করে বললামঃ হে ইবরাহীম –মুজিবুর রহমান

তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তখন আমি তাকে আহ্বান করে বললাম, ‘হে ইব্রাহীম! ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাকে আহবান করে বললাম, ‘হে ইবরাহীম,আল-বায়ান

তখন আমি তাকে ডাক দিলাম, ‘হে ইবরাহীম!তাইসিরুল

তখনই আমরা তাঁকে ডেকে বললাম -- "হে ইব্রাহীম!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৬২

ব্যাকরণবিদদের একটি দল বলেন, এখানে “এবং” শব্দটি “তখন” অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ বাক্যটি হবে---“যখন এরা দু’জনে আনুগত্যের শির নত করে দিল এবং ইবরাহীম পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিল তখন আমি আওয়াজ দিলাম।” কিন্তু অন্য একটি দল বলেন, এখানে “যখন” শব্দটির জওয়াব উহ্য রয়ে গেছে এবং তাকে শ্রোতার মনের কল্পনার ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কারণ কথা এত বড় ছিল যে, তাকে শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করার পরিবর্তে কল্পনারই জন্য ছেড়ে দেয়া বেশী সঙ্গত ছিল। আল্লাহ‌ যখন দেখে থাকবেন বুড়ো বাপ তার বুড়ো বয়সের আকাংখায় চেয়ে পাওয়া পুত্রকে নিছক তাঁর সন্তুষ্টিলাভের জন্য কুরবানী করে দিতে প্রস্তুত হয়ে গেছেন এবং পুত্রও নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিতে রাজি হয়ে গেছে, তখন এ দৃশ্য দেখে রহমতের দরিয়া কেমন নাজানি উথলে উঠে থাকবে এবং দুই পিতা-পুত্রের প্রতি মালিকের প্রেম কেমন নাজানি বাঁধনহারা হয়ে গিয়ে থাকবে, তা কেবল কল্পনাই করা যেতে পারে। কথায় তার অবস্থা যতই বর্ণনা করা হোক না কেন তা ব্যক্ত করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। বরং বর্ণনায় তার আসল দৃশ্যের অতি অল্পই ফুটে উঠবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৪. তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম, হে ইবরাহীম!

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৪) তখন আমি ডেকে বললাম, ‘হে ইব্রাহীম!