ওয়া ইয়াকূলূনা আইন্না-লাতা-রিকূআ-লিহাতিনা-লিশা-‘ইরিম মাজনূন।উচ্চারণ
এবং বলতো, “আমরা কি একজন উন্মাদ কবির জন্য আমাদের মাবুদদেরকে ত্যাগ করবো?” তাফহীমুল কুরআন
এবং বলত, আমরা কি এমন নাকি যে, এক উন্মাদ কবির কারণে আপন উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব?মুফতী তাকী উসমানী
এবং বলতঃ আমরা কি এক পাগল কবির কথায় আমাদের মা‘বূদদেরকে বর্জন করব?মুজিবুর রহমান
এবং বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং বলত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করব ?’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর বলত, ‘আমরা কি এক পাগল কবির জন্য আমাদের উপাস্যদের ছেড়ে দেব?’আল-বায়ান
আর তারা বলত, ‘‘আমরা কি এক পাগলা কবির কথা মেনে আমাদের ইলাহগুলোকে ত্যাগ করব?তাইসিরুল
আর তারা বলত -- "কী! আমরা কি আমাদের উপাস্যদের সত্যিই ত্যাগ করব একজন পাগলা কবির কারণে?"মাওলানা জহুরুল হক
৩৬. এবং বলত, আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহদেরকে বর্জন করব?
(৩৬) এবং বলত, আমরা কি এক পাগল কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে বর্জন করব? (1)
(1) অর্থাৎ, তারা নবী (সাঃ)-কে কবি এবং জাদুকর বলত এবং তাঁর দাওয়াতকে পাগলের প্রলাপ ও কুরআনকে কাব্যগ্রন্থ বলে মনে করত এবং বলত যে, একজন পাগলের প্রলাপে আমরা নিজেদের উপাস্যদেরকে বর্জন করব কেন? অথচ কুরআন পাগলের প্রলাপ ছিল না; বরং জ্ঞান ও হিকমতে পরিপূর্ণ বাণী ছিল, কাব্য নয়; বরং সত্য বাণী ছিল এবং সেই দাওয়াত গ্রহণ করাতে তাদের ধ্বংস নয়; বরং পরিত্রাণ ছিল।