হা-যা-ইয়াওমুল ফাসলিল্লাযী কুনতুম বিহী তুকাযযিবূন।উচ্চারণ
“এটা সে ফায়সালার দিন যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।” ১৩ তাফহীমুল কুরআন
(জী হ্যাঁ!) এটাই সেই মীমাংসার দিন, যাকে তোমরা অবিশ্বাস করতে।মুফতী তাকী উসমানী
এটাই ফাইসালার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।মুজিবুর রহমান
বলা হবে, এটাই ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটাই ফয়সালার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এটি ফয়সালা করার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।আল-বায়ান
এটাই ফয়সালার দিন যাকে তোমরা মিথ্যে বলে অস্বীকার করতে।তাইসিরুল
এইটিই ফয়সালা করার দিন যেটি সন্বন্ধে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দিতে।মাওলানা জহুরুল হক
১৩
হতে পারে মু’মিনরা তাদেরকে একথা বলে। এও হতে পারে, এটি ফেরশতাদের উক্তি। এও হতে পারে, হাশরের ময়াদনের সমগ্র পরিবেশ সে সময় সমকালীন পরিস্থিতির মাধ্যমে একথা বলছিল। আবার এও হতে পারে, এটা তাদের নিজেদেরই দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া। অর্থাৎ নিজেদের মনে মনে তারা নিজেদেরকেই সম্বোধন করে বলছিল, এ দুনিয়ায় সারা জীবন তোমরা একথা মনে করতে থেকেছো যে, ফায়সালা করার দিন কখনো আসবে না, কিন্তু এখন তোমাদের সর্বনাশের সময় এসে গেছে, যেদিনকে মিথ্যা বলতে সেদিনটি আজ তোমাদের সামনে উপস্থিত।
২১. এটাই ফয়সালার দিন, যার প্রতি তোমরা মিথ্যা আরোপ করতে।
(২১) (ওদের বলা হবে,) ‘এটিই সেই ফায়সালার দিন, যা তোমরা মিথ্যা মনে করতে।’ (1)
(1) ويل শব্দটি ধ্বংসের সময় বলা হয়। অর্থাৎ শাস্তি প্রত্যক্ষ করার পর তাদের নিজেদের ধ্বংস পরিষ্কার দেখতে পাবে। এ কথার উদ্দেশ্য হল, তাদের লাঞ্ছনার প্রকাশ এবং নিজেদের ত্রুটি ও অবহেলার স্বীকারোক্তি। কিন্তু সেই সময় লাঞ্ছনা প্রকাশ ও দোষ-স্বীকার করায় কোন লাভ হবে না। যার ফলে তাদের উত্তরে ফিরিশতা ও মু’মিনগণ বলবেন, এটা সেই ফায়সালার দিন যাকে তোমরা অস্বীকার করতে। এটাও হতে পারে যে, তারা আপোসে এই কথা একে অপরকে বলবে।