ইন্না-ঝাইয়ান্নাছছামাআদ্দুনইয়া-বিঝীনাতিনিল কাওয়া-কিব।উচ্চারণ
আমি দুনিয়ার আকাশকে ৫ তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুসজ্জিত করেছি তাফহীমুল কুরআন
নিশ্চয়ই আমি নিকটবর্তী আকাশকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি (বিভিন্ন) নকশা দ্বারা অর্থাৎ নক্ষত্রমণ্ডলী দ্বারা।মুফতী তাকী উসমানী
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করেছি।মুজিবুর রহমান
নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দিয়ে সুশোভিত করেছি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় আমি কাছের আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্যে সুশোভিত করেছি।আল-বায়ান
আমি নিকটবর্তী আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুশোভিত করেছি,তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ আমরা নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির শোভা দিয়ে সুশোভিত করেছি, --মাওলানা জহুরুল হক
৫
দুনিয়ার আকাশ বলতে বুঝানো হয়েছে নিকটবর্তী আকাশকে, কোন দূরবীনের সাহায্য ছাড়াই খালি চোখে যে আকাশকে আমরা দেখতে পাই। এছাড়া বিভিন্ন প্রকার শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে যে বিশ্বকে আমরা দেখি এবং আমাদের পর্যবেক্ষণ যন্ত্রপাতির মাধ্যমে যেসব বিশ্ব এখনো আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি সেগুলো সবই দূরবর্তী আকাশ। এ প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে “সামা” বা আকাশ কোন নির্দিষ্ট জিনিসের নাম নয়। বরং প্রাচীনতমকাল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত মানুষ এ শব্দটি এবং এর সমার্থক শব্দাবলীকে ঊর্ধ্ব জগতের জন্য ব্যবহার করে আসছে।
এর দ্বারা মহাকাশে একক বা গুচ্ছাকারে নক্ষত্ররাজির যে বিভিন্ন নকশা ও আকৃতি লক্ষ করা যায় সেদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। পরিষ্কার আকাশে খালি চোখেও তা দেখা যায়। আর শক্তিশালী দূরবীনের সাহায্যে তো সে অপরূপ শোভা দেখে মুগ্ধ-মোহিত দর্শক মনের অজান্তে বলে ওঠে, হে মহান স্রষ্টা! তুমি এসব অহেতুক সৃষ্টি করনি। প্রকাশ থাকে যে, আয়াতের এ তরজমা করা হয়েছে এ হিসেবে যে, الكواكب শব্দটি زينة থেকে بدل হয়েছে। কোনও কোনও পাঠে بزينة الكواكب কে ইযাফতের সাথে পড়া হয়। সে হিসেবে তরজমা হবে আমি নিকটবর্তী আকাশকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজির শোভা দ্বারা। বিস্তারিত দেখুন ‘আল-কাশশাফ’। -অনুবাদক
৬. নিশ্চয় আমরা কাছের আসমানকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করেছি।(১)
(১) এর সমার্থে দেখুন, সূরা ফুসসিলাত: ১২; সূরা আল-হিজর: ১৬; সূরা আল-মুলক: ৫।
(৬) আমি তোমাদের নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুশোভিত করেছি,