يَٰنِسَآءَ ٱلنَّبِيِّ مَن يَأۡتِ مِنكُنَّ بِفَٰحِشَةٖ مُّبَيِّنَةٖ يُضَٰعَفۡ لَهَا ٱلۡعَذَابُ ضِعۡفَيۡنِۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٗا

ইয়া-নিছাআন নাবিইয়ি মাই ইয়া’তি মিনকুন্না বিফা-হিশাতিম মুবাইয়িনাতিইঁ ইউদা‘আফ লাহাল ‘আযা-বুদি‘ফাইনি ওয়া ক-না যা-লিকা ‘আলাল্লা-হি ইয়াছীর-।উচ্চারণ

হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ কোন সুস্পষ্ট অশ্লীল কাজ করবে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। ৪৩ আল্লাহর জন্য এটা খুবই সহজ কাজ। ৪৪ তাফহীমুল কুরআন

ওহে নবী পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে তার শাস্তি দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে। আর আল্লাহর পক্ষে তা অতি সহজ।মুফতী তাকী উসমানী

হে নাবী-পত্নীরা! যে কাজ স্পষ্টত অশ্লীল, তোমাদের মধ্যে কেহ তা করলে, তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে এবং এটা আল্লাহর জন্য সহজ।মুজিবুর রহমান

হে নবী পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। এটা আল্লাহর জন্য সহজ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

হে নবী-পত্নীগণ ! যে কাজ স্পষ্টত অশ্লীল, তোমাদের মধ্যে কেউ তা করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া হবে এবং এটা আল্লাহ্ র জন্যে সহজ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে নবী-পত্নীগণ, তোমাদের মধ্যে যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করবে, তার জন্য আযাব দ্বিগুণ করা হবে। আর এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।আল-বায়ান

হে নবী পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। আল্লাহর জন্য এটা সহজ।তাইসিরুল

হে নবীর পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যের কেউ যদি স্পষ্ট অশালীনতা নিয়ে আসে, তারজন্য শাস্তিকে দ্বিগুণে বর্ধিত করা হবে। আর এটি আল্লাহ্‌র জন্যে সহজ।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৩

এর অর্থ এ নয় যে, নাউযুবিল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র স্ত্রীদের থেকে কোন অশ্লীল কাজের আশঙ্কা ছিল। বরং এর মাধ্যমে নবীর স্ত্রীগণকে এ অনুভূতি দান করাই উদ্দেশ্য ছিল যে, ইসলামী সমাজে তাঁরা যেমন উচ্চ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত আছেন সেই অনুযায়ী তাঁদের দায়িত্বও অনেক কঠিন। তাই তাঁদের নৈতিক চালচলন হতে হবে অত্যন্ত পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন। এটা ঠিক তেমনি যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করে মহান আল্লাহ‌ বলেনঃ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ “যদি তুমি শিরক করো তাহলে তোমার সমস্ত কৃতকর্ম বরবাদ হয়ে যাবে।” (আয যুমারঃ ৬৫) এর অর্থ এ নয় যে, নাউযুবিল্লাহ নবী করীম ﷺ থেকে কোন শিরকের আশঙ্কা ছিল বরং নবী করীমকে এবং তাঁর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিরক কত ভয়াবহ অপরাধ এবং তাকে কঠোরভাবে এড়িয়ে চলা অপরিহার্য, সে কথা বুঝানোই ছিল উদ্দেশ্য।

৪৪

অর্থাৎ তোমরা এ ভুলের মধ্যে অবস্থান করো না যে, নবীর স্ত্রী হওয়ার কারণে তোমরা আল্লাহর পাকড়াও থেকে বেঁচে যাবে অথবা তোমাদের মর্যাদা এত বেশী উন্নত যে, সে কারণে তোমাদেরকে পাকড়াও করা আল্লাহর জন্য কঠিন হয়ে যেতে পারে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩০. হে নবী-পত্নিগণ! যে কাজ স্পষ্টত ফাহেশা, তোমাদের মধ্যে কেউ তা করলে তার জন্য বাড়িয়ে দেয়া হবে শাস্তি— দ্বিগুণ এবং এটা আল্লাহর জন্য সহজ।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩০) হে নবী-পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ কোন প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া হবে।(1) আর আল্লাহর জন্য তা সহজ।

(1) কুরআনে ‘আলিফ-লাম’ যুক্ত অবস্থায়  الفَاحِشَةُ শব্দটিকে ব্যভিচারের অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু ‘আলিফ-লাম’ ছাড়া ‘নাকিরাহ’ অবস্থায় সাধারণ অশ্লীলতার অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে; যেমন এখানে। এখানে এর অর্থ হবেঃ অসভ্য ও অশোভনীয় আচরণ। কারণ নবী (সাঃ)-এর সাথে অসভ্য ও অশোভনীয় আচরণ করার মানে হচ্ছে তাঁকে কষ্ট দেওয়া, আর তা কুফরী। এ ছাড়া নবী (সাঃ)-এর পবিত্র স্ত্রীগণ অনেক উচ্চ মর্যাদার অধিকারিণী ছিলেন। আর যাঁরা উচ্চ মর্যাদাবান হন তাঁদের নগণ্য ভুলকেও বড় গণ্য করা হয়। যার জন্য তাঁদেরকে দ্বিগুণ শাস্তির ধমক শোনানো হয়েছে।