۞وَمَن يَقۡنُتۡ مِنكُنَّ لِلَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَتَعۡمَلۡ صَٰلِحٗا نُّؤۡتِهَآ أَجۡرَهَا مَرَّتَيۡنِ وَأَعۡتَدۡنَا لَهَا رِزۡقٗا كَرِيمٗا

ওয়া মাইঁ ইয়াকনুত মিনকুন্না লিল্লা-হি ওয়া রছূলিহী ওয়া তা‘মাল সা-লিহান নু’তিহাআজরহা-মাররতাইনি ওয়া আ‘তাদনা-লাহা-রিঝকান কারীমা-।উচ্চারণ

আর তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ আল্লাহ‌ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে এবং সৎকাজ করবে তাকে আমি দু’বার প্রতিদান দেবো ৪৫ এবং আমি তার জন্য সম্মানজনক রিযিকের ব্যবস্থা করে রেখেছি। তাফহীমুল কুরআন

আর তোমাদের মধ্যে যে-কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত হয়ে থাকবে ও সৎকর্ম করবে আমি তাকে পুরস্কারও দেব দ্বিগুণ এবং আমি তার জন্য সম্মানজনক জীবিকা প্রস্তুত করে রেখেছি।মুফতী তাকী উসমানী

তোমাদের যে কেহ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি অনুগত হবে ও সৎ কার্য করবে তাকে আমি পুরস্কার দিব দু’বার এবং তার জন্য রেখেছি সম্মানজনক রিয্ক।মুজিবুর রহমান

তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব এবং তার জন্য আমি সম্মান জনক রিযিক প্রস্তুত রেখেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি অনুগত হবে ও সৎকর্ম করবে তাকে আমি পুরস্কার দিব দুইবার এবং তার জন্যে আমি প্রস্তুত রেখেছি সম্মানজনক রিযিক। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে এবং নেক আমল করবে আমি তাকে দু’বার তার প্রতিদান দেব এবং আমি তার জন্য প্রস্তুত রেখেছি সম্মানজনক রিয্ক।আল-বায়ান

তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে আর সৎ কাজ করবে, আমি তাকে দু’বার পুরস্কার দেব আর তার জন্য আমি সম্মানজনক রিযক প্রস্তুত রেখেছি।তাইসিরুল

আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ্‌র প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমরা তার প্রতিদান তাকে দেব দুই দফায়, আর আমরা তার জন্য প্রস্তুত রেখেছি এক সম্মানজনক জীবিকা।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৫

গোনাহর জন্য দু’বার শাস্তি ও নেকীর জন্য দু’বার পুরস্কার দেবার কারণ হচ্ছে এই যে, আল্লাহ‌ যাদেরকে মানুষের সমাজে কোন উন্নত মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন তারা সাধারণত জনগণের নেতা হয়ে যায় এবং জনগণের বিরাট অংশ ভালো ও মন্দ কাজে তাঁদেরকেই অনুসরণ করে চলে। তাঁদের খারাপ কাজ শুধুমাত্র তাঁদের একার খারাপ কাজ হয় না বরং একটি জাতির চরিত্র বিকৃতির কারণও হয় এবং তাঁদের ভালো কাজ শুধুমাত্র তাদের নিজেদের ব্যক্তিগত ভালো কাজ হয় না বরং বহু লোকের কল্যাণ সাধনেরও কারণ হয়। তাই তারা যখন খারাপ কাজ করে তখন নিজেদের খারাপের সাথে সাথে অন্যদের খারাপেরও শাস্তি পায় এবং যখনি তারা সৎকাজ করে তখন নিজেদের সৎকাজের সাথে সাথে অন্যদেরকে তারা যে সৎপথ দেখিয়েছে তারও প্রতিদান লাভ করে।

আলোচ্য আয়াত থেকে এ মূলনীতিও স্থিরীকৃত হয় যে, যেখানে মর্যাদা যত বেশী হবে এবং যত বেশী বিশ্বস্ততার আশা করা হবে যেখানে মর্যাদাহানি ও অবিশ্বস্ততার অপরাধ ততবেশী কঠোর হবে এবং এ সঙ্গে তার শাস্তিও হবে তত বেশী কঠিন। যেমন মসজিদে শরাব পান করা নিজ গৃহে শরাব পান করার চেয়ে বেশী ভয়াবহ অপরাধ এবং এর শাস্তিও বেশী কঠোর। মাহরাম নারীদের সাথে যিনা করা অন্য নারীদের সাথে যিনা করার তুলনায় বেশী গোনাহের কাজ এবং এজন্য শাস্তিও হবে বেশী কঠিন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩১. আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি অনুগত হবে এবং সৎকাজ করবে তাকে আমরা পুরস্কার দেব দু'বার। আর তার জন্য আমরা প্ৰস্তুত রেখেছি সম্মানজনক রিযিক।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩১) তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের প্রতি অনুগতা হবে ও সৎকাজ করবে, তাকে আমি দ্বিগুণ পুরস্কার দান করব।(1) আর তার জন্য আমি সম্মানজনক জীবিকা প্রস্তুত রেখেছি।

(1) অর্থাৎ, যেমন শাস্তি দ্বিগুণ হবে অনুরূপ পুণ্য বা নেকীও দ্বিগুণ দেওয়া হবে। যেমন নবী (সাঃ) কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, إذًا لاَذَقْنَاكَ ضِعْفَ الْحَيَاةِ وَضِعْفَ الْمَمَاتِ অর্থাৎ, ‘‘তখন আমি তোমাকে ইহজীবন ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম।’’ (বানী ইসরাঈল ৭৫ আয়াত)