ওয়া মান কাফার ফালা-ইয়াহঝুনকা কুফরুহূ ইলাইনা-মারজি‘উহুম ফানুনাব্বিউহুম বিমা‘আমিলূ ইন্নাল্লা-হা ‘আলীমুম বিযা-তিসসুদূ র।উচ্চারণ
এরপর যে কুফরী করে তার কুফরী যেন তোমাকে বিষণ্ন না করে। ৪৩ তাদেরকে ফিরে তো আসতে হবে আমারই দিকে। তখন আমি তাদেরকে জানিয়ে দেবো তারা কি সব কাজ করে এসেছে। অবশ্যই আল্লাহ অন্তরের গোপন কথাও জানেন। তাফহীমুল কুরআন
(হে নবী!) কোন ব্যক্তি কুফর অবলম্বন করলে তার কুফর যেন তোমাকে ব্যথিত না করে। শেষ পর্যন্ত তো তাদেরকে আমারই কাছে ফিরে আসতে হবে। তখন আমি তাদেরকে অবহিত করব তারা যা করেছে। নিশ্চয়ই অন্তরে যা কিছু (লুকানো) আছে তাও আল্লাহ পুরোপুরি জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
কেহ কুফরী করলে তার কুফরী যেন তোমাকে ক্লিষ্ট না করে। আমারই নিকট তাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তাদেরকে অবহিত করব তারা যা করত। অন্তরে যা রয়েছে সে সম্বন্ধে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।মুজিবুর রহমান
যে ব্যক্তি কুফরী করে তার কুফরী যেন আপনাকে চিন্তিত না করে। আমারই দিকে তাদের প্রত্যাবর্তন, অতঃপর আমি তাদের কর্ম সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করব। অন্তরে যা কিছু রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ সবিশেষ পরিজ্ঞাত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর কেউ কুফরী করলে তার কুফরী যেন তোমাকে ক্লিষ্ট না করে। আমারই নিকট এদের প্রত্যাবর্তন। এরপর আমি এদেরকে অবহিত করব এরা যা করত। অন্তরে যা রয়েছে সে সম্বন্ধে আল্লাহ্ সবিশেষ অবহিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যে কুফরী করে, তার কুফরী যেন তোমাকে ব্যথিত না করে; আমার কাছেই তাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তারা যে আমল করত আমি তা তাদেরকে জানিয়ে দেব। নিশ্চয় আল্লাহ অন্তরসমূহে যা আছে তা সম্পর্কে সম্যক অবহিত।আল-বায়ান
কেউ কুফরী করলে তার কুফরী তোমাকে যেন মনোকষ্ট না দেয়, তাদের প্রত্যাবর্তন আমার কাছেই; অতঃপর আমি তাদেরকে জানিয়ে দেব তারা কী করত। (মানুষের) অন্তরসমূহে কী আছে সে সম্পর্কে আল্লাহই সবচেয়ে বেশি জানেন।তাইসিরুল
আর যে অবিশ্বাস পোষণ করে তার অবিশ্বাস তবে যেন তোমাকে কষ্ট না দেয়। আমাদেরই কাছে তাদের প্রত্যাবর্তন, কাজেই আমরা তাদের জানিয়ে দেব যা তারা করত। নিঃসন্দেহ অন্তরের অভ্যন্তরে যা রয়েছে আল্লাহ্ সে সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক
৪৩
সম্বোধন করা হয়েছে নবী (সা.) কে। অর্থ হচ্ছে, হে নবী! যে ব্যক্তি তোমার কথা মেনে নিতে অস্বীকার করে, সে তো নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে একথা মনে করে যে, ইসলামকে প্রত্যাখ্যান এবং কুফরীকে মেনে নিয়েও তার ওপর জোর দিয়ে সে তোমাকে অপমানিত করেছে কিন্তু আসলে সে নিজেই নিজেকে অপমানিত করেছে। সে তোমার কোন ক্ষতি করেনি বরং নিজেই নিজের ক্ষতি করেছে। কাজেই সে যদি তোমার কথা না মানে তাহলে তার পরোয়া করার প্রয়োজন নেই।
২৩. আর কেউ কুফরী করলে তার কুফরী যেন আপনাকে কষ্ট না দেয়(১) আমাদেরই কাছে তাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমরা তাদেরকে তারা যা করত সে সম্পর্কে অবহিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ অন্তরসমূহে যা রয়েছে সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।
(১) সম্বোধন করা হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। অর্থ হচ্ছে, হে নবী! যে ব্যক্তি আপনার কথা মেনে নিতে অস্বীকার করে, সে তো নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে একথা মনে করে যে, ইসলামকে প্রত্যাখ্যান এবং কুফরীকে মেনে নিয়েও তার ওপর জোর দিয়ে সে আপনাকে অপমানিত করেছে। কিন্তু আসলে সে নিজেই নিজেকে অপমানিত করেছে। সে আপনার কোন ক্ষতি করেনি। বরং নিজেই নিজের ক্ষতি করেছে। কাজেই সে যদি আপনার কথা না মানে তাহলে তার পরোয়া করার প্রয়োজন নেই। (সা’দী)
(২৩) কেউ অবিশ্বাসী হলে তার অবিশ্বাস যেন তোমাকে দুঃখিত না করে।(1) আমারই নিকট ওদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর ওরা যা করেছে, আমি ওদেরকে তা অবহিত করব।(2) অবশ্যই অন্তরে যা রয়েছে, সে সম্বন্ধে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (3)
(1) কারণ, ঈমান লাভের সৌভাগ্য তাদের নেই। তোমার প্রচেষ্টা স্বস্থানে ঠিকই আছে এবং তোমার আকাঙ্ক্ষাও কদর পাওয়ার যোগ্য; কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে।
(2) অর্থাৎ, তাদের কর্মের প্রতিফল দেব।
(3) সুতরাং তাঁর নিকট কোন কিছু গোপন নেই।