ওয়া মাইঁ ইউছলিম ওয়াজহাহূ ইলাল্লা-হি ওয়া হুওয়া মুহছিনুন ফাকদিছতামছাকা বিল ‘উরওয়াতিল উছক- ওয়া ইলাল্লা-হি ‘আ-কিবাতুল উমূর।উচ্চারণ
যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে ৪০ এবং কার্যত সে সৎকর্মশীল, ৪১ সে তো বাস্তবিকই শক্ত করে আঁকড়ে ধরে একটি নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। ৪২ আর যাবতীয় বিষয়ের শেষ ফায়সালা রয়েছে আল্লাহরই হাতে। তাফহীমুল কুরআন
যে ব্যক্তি আজ্ঞাবহ হয়ে নিজ চেহারাকে আল্লাহর অভিমুখী করে এবং সে হয় সৎকর্মশীল, নিশ্চয়ই সে ব্যক্তি আঁকড়ে ধরল এক মজবুত হাতল। সকল বিষয়ের শেষ পরিণাম আল্লাহরই উপর ন্যস্ত।মুফতী তাকী উসমানী
যদি কেহ সৎ কর্মপরায়ণ হয়ে আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পন করে তাহলে সেতো দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এক মাযবূত হাতল, যাবতীয় কার্যের পরিণাম আল্লাহর দিকে।মুজিবুর রহমান
যে ব্যক্তি সৎকর্মপরায়ণ হয়ে স্বীয় মুখমন্ডলকে আল্লাহ অভিমূখী করে, সে এক মজবুত হাতল ধারণ করে, সকল কর্মের পরিণাম আল্লাহর দিকে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে কেউ আল্লাহ্ র নিকট আত্মসমর্পণ করে এবং সৎকর্মপরায়ণ হয় সে তো দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এক মযবুত হাতল, যাবতীয় কর্মের পরিণাম আল্লাহ্ র ইখ্তিয়ারে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যে ব্যক্তি একনিষ্ঠ ও বিশুদ্ধচিত্তে আল্লাহর কাছে নিজকে সমর্পণ করে, সে তো শক্ত রশি আঁকড়ে ধরে। আর সকল বিষয়ের পরিণাম আল্লাহরই কাছে।আল-বায়ান
যে কেউ আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করে আর সে সৎকর্মশীল, সে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এক মজবুত হাতল। যাবতীয় কর্ম পরিণাম ফলের জন্য আল্লাহর দিকে ফিরে যায়।তাইসিরুল
আর যে তার মুখ আল্লাহ্র প্রতি পূর্ণ সমর্পণ করে আর সে সৎকর্মপরায়ণ হয়, তাহলে তো সে এক মজবুত হাতল পাকড়ে ধরেছে। আর আল্লাহ্র কাছেই রয়েছে সকল বিষয়ের পরিণাম।মাওলানা জহুরুল হক
৪০
অর্থাৎ নিজেকে পুরোপুরি আল্লাহর বন্দেগীতে নিয়োজিত করে। নিজের কোন জিনিসকে আল্লাহর বন্দেগীর বাইরে রাখে না। নিজের সমস্ত বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করে দেয় এবং তার প্রদত্ত পথনির্দেশকে নিজের সারা জীবনের আইনে পরিণত করে।
৪১
অর্থাৎ নিজেকে আল্লাহর হাতে সোপর্দ করার ঘোষণা দেয়া হবে কিন্তু কার্যত আল্লাহর অনুগত বান্দার নীতি অবলম্বন করা হবে না, এমনটি যেন না হয়।
৪২
অর্থাৎ সে এও ভয় করবে না যে, সে ভুল পথনির্দেশ পাবে এবং আল্লাহর বন্দেগী করলে তার পরিণাম ধ্বংস হবে, এআশঙ্কাও করবে না।
২২. আর যে নিজেকে আল্লাহর কাছে সমৰ্পণ করে, এমতাবস্থায় যে সে মুহসিন(১) সে তো দৃঢ়ভাবে ধরলো এক মযবুত হাতল। আর যাবতীয় কাজের পরিণাম আল্লাহরই কাছে।
(১) অর্থাৎ মুখে নিজেকে আল্লাহর হাতে সোপর্দ করার ঘোষণা দেয়া হবে কিন্তু কার্যত আল্লাহর অনুগত বান্দার নীতি অবলম্বন করা হবে না, এমনটি যেন না হয়। আর তা হবে কেবলমাত্র রাসূলকে অনুসরণ করার মাধ্যমে। এ আয়াতের প্রথম অংশ তাওহীদ আর দ্বিতীয় অংশ রাসূলের অনুসরন করা বাধ্য করে দিয়েছে। তাওহীদ পরিশুদ্ধ হতে হলে রাসূলের অনুসরণ জরুরী। (সা'দী)
(২২) যে কেউ সৎকর্মপরায়ণ হয়ে(1) আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করে,(2) সে আসলে এক মজবুত হাতল ধারণ করে।(3) আর যাবতীয় কার্যের পরিণাম আল্লাহর অধীনে।
(1) অর্থাৎ, যাবতীয় আদেশ পালন করে এবং যাবতীয় নিষিদ্ধ বর্জন করে।
(2) অর্থাৎ, শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য আমল করে এবং তাঁর আদেশ পালন ও তাঁর বিধান মান্য করে।
(3) অর্থাৎ, সে আল্লাহর নিকট পাক্কা প্রতিশ্রুতি নেয় যে, তিনি তাকে শাস্তি দেবেন না।