আল্লা-হুল্লাযী ইউরছিলুর রিয়া-হা ফাতুছীরু ছাহা-বান ফাইয়াবছুতু হূফিছ ছামাই কাইফা ইয়াশা-উ ওয়া ইয়াজ‘আলুহূকিছাফান ফাতারল ওয়াদকা ইয়াখরুজুমিন খিলা-লিহী ফাইযা আসা-বা বিহী মাইঁ ইয়াশা-উ মিন ‘ইবা-দিহী ইযা-হুম ইয়াছতাবশিরূন।উচ্চারণ
আল্লাহই বাতাস পাঠান ফলে তা মেঘ উঠায়, তারপর তিনি এ মেঘমালাকে আকাশে ছড়িয়ে দেন যেভাবেই চান সেভাবে এবং তাদেরকে খণ্ড- বিখণ্ড করেন, তারপর তুমি দেখো বারিবিন্দু মেঘমালা থেকে নির্গত হয়েই চলছে। এ বারিধারা যখন তিনি নিজের বান্দাদের মধ্যে থেকে যার ওপর চান বর্ষণ করেন তখন তারা আনন্দোৎফুল্ল হয়। তাফহীমুল কুরআন
আল্লাহই সেই সত্তা, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন। সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চালন করে। তারপর তিনি যেভাবে চান তা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে কয়েক স্তর বিশিষ্ট (ঘনঘটা) বানিয়ে দেন। ফলে তোমরা দেখতে পাও তার ভেতর থেকে বৃষ্টি নির্গত হয়। যখন তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাদের নিকট ইচ্ছা হয় সে বৃষ্টি পৌঁছিয়ে দেন, তখন সহসাই তারা হয়ে ওঠে আনন্দোৎফুল্ল।মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহ! তিনি বায়ু প্রেরণ করেন; ফলে এটা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে, অতঃপর তিনি একে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন, পরে একে খন্ড বিখন্ড করেন এবং তুমি দেখতে পাও ওটা হতে নির্গত হয় বারিধারা; অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা তাদের নিকট ওটা পৌঁছে দেন তখন তারা হয় হর্ষোৎফুল্ল –মুজিবুর রহমান
তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে এটা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে ; এরপর তিনি এটাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন ; পরে এটাকে খণ্ড-বিখণ্ড করেন এবং তুমি দেখতে পাও তা হতে নির্গত হয় বারিধারা; এরপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের নিকট ইচ্ছা এটা পৌঁছে দেন, তখন এরা হয় হর্ষোৎফুল্ল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন ফলে তা মেঘমালাকে ধাওয়া করে; অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে খন্ড- বিখন্ড করে দেন, ফলে তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বারিধারা। অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের উপর ইচ্ছা বারি বর্ষণ করেন, তখন তারা হয় আনন্দিত।আল-বায়ান
আল্লাহ যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালার সঞ্চার করে, অতঃপর তিনি তা আকাশে ছড়িয়ে দেন যেভাবে ইচ্ছে করেন, অতঃপর তাকে খন্ড বিখন্ড করে দেন, তারপর তুমি দেখতে পাও তার মাঝ থেকে বৃষ্টি-ফোঁটা নির্গত হচ্ছে, অতঃপর তিনি তাঁর বান্দাহদের মধ্যে যাদের নিকট তিনি ইচ্ছে করেন তাদের কাছে যখন তা পৌঁছে দেন তখন তারা হয় আনন্দিত।তাইসিরুল
আল্লাহ্ই তিনি যিনি বায়ুপ্রবাহ পাঠান। তারপর তারা মেঘ সঞ্চার করে, তখন তিনি যেমন ইচ্ছা করেন তা ছড়িয়ে দেন আকাশের মধ্যে, তারপর একে তিনি টুকরো টুকরো করেন, ফলে তোমরা দেখতে পাও তার নিচে থেকে বৃষ্টি বেরিয়ে আসছে, অতঃপর যখন তিনি তা পড়তে দেন তাঁর বান্দাদের যাকে তিনি ইচ্ছা করেন তার উপরে, দেখো! তারা উল্লাস করে, --মাওলানা জহুরুল হক
৪৮. আল্লাহ, যিনি বায়ু পাঠান, ফলে তা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে; অতঃপর তিনি এটাকে যেমন ইচ্ছে আকাশে ছড়িয়ে দেন; পরে এটাকে খণ্ড-বিখণ্ড করেন, ফলে আপনি দেখতে পান সেটার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা; তারপর যখন তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাদের কাছে ইচ্ছে এটা পৌছে দেন, তখন তারা হয় আনন্দিত,
(৪৮) আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে তা (বায়ু) মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে;(1) অতঃপর তিনি একে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন,(2) পরে একে খন্ড-বিখন্ড করেন(3) এবং তুমি দেখতে পাও, তা থেকে বারিধারা নির্গত হয়।(4) অতঃপর যখন তিনি তাঁর দাসদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা তা দান করেন; তখন ওরা হর্ষোৎফুল্ল হয়।
(1) অর্থাৎ, সে মেঘমালা যেখানেই থাকুক, সেখান থেকে বায়ু তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়।
(2) কখনো চালিয়ে, কখনো স্থির রেখে, কখনো থাক-থাক ঘনীভূত করে, কখনো বহুদূর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ করে। এইভাবে আকাশে মেঘমালার বিভিন্ন রূপ হয়ে থাকে।
(3) অর্থাৎ, মেঘমালাকে আকাশে ছড়িয়ে দেওয়ার পর কখনো তাকে বিভিন্ন খন্ডে বিভক্ত করে দেন।
(4) وَدَق এর অর্থ বৃষ্টি। অর্থাৎ ঐ সকল মেঘমালা থেকে আল্লাহ যখন চান বৃষ্টি বর্ষণ হয়। যাতে বৃষ্টির প্রয়োজন বোধকারিগণ আনন্দিত হয়।