ফাজাআতহু ইহদা-হুমা-তামশী ‘আলাছ তিহইয়া-ইন, ক-লাত ইন্না আবী ইয়াদ‘ঊকা লিইয়াজঝিয়াকা আজরমা-ছাকাইতা লানা- ফালাম্মা-জাআহূওয়া কাসসা ‘আলাইহিল কাসাসা ক-লা লা-তাখাফ নাজাওতা মিনাল কাওমিজ্জালিমীন।উচ্চারণ
(বেশিক্ষণ অতিবাহিত হয়নি এমন সময়) ঐ দু’টি মেয়ের মধ্য থেকে একজন লজ্জাজড়িত পদ বিক্ষেপে তার কাছে এলো ৩৫ এবং বলতে লাগলো, “আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, আপনি আমাদের জানোয়ারগুলোকে যে পানি পান করিয়েছেন আপনাকে তার পারিশ্রমিক দেয়ার জন্য।” ৩৬ মূসা যখন তার কাছে পৌঁছল এবং নিজের সমস্ত কাহিনী তাকে শুনালো তখন সে বললো, “ভয় করো না, এখন তুমি জালেমদের হাত থেকে বেঁচে গেছো।” তাফহীমুল কুরআন
কিছুক্ষণ পর সেই দুই নারীর একজন লাজুক ভঙ্গিমায় হেঁটে হেঁটে তার কাছে আসল। #%১৭%# সে বলল, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, আপনি যে আমাদের পশুগুলোকে পানি পান করিয়ে দিয়েছেন, তার পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য। #%১৮%# সুতরাং যখন সে নারীদ্বয়ের পিতার কাছে এসে পৌঁছল এবং তাকে তার সমস্ত বৃত্তান্ত শোনাল, তখন সে বলল, কোন ভয় করো না। তুমি জালেম সম্প্রদায় হতে মুক্তি পেয়ে গিয়েছ।মুফতী তাকী উসমানী
তখন নারীদ্বয়ের একজন লজ্জা জড়িত চরণে তার নিকট এলো এবং বললঃ আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করেছেন, আমাদের পশুগুলিকে পানি পান করানোর পারিশ্রমিক আপনাকে দেয়ার জন্য। অতঃপর মূসা তার নিকট এসে সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করলে সে বললঃ ভয় করনা, তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কবল হতে বেঁচে গেছ।মুজিবুর রহমান
অতঃপর বালিকাদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত পদক্ষেপে তাঁর কাছে আগমন করল। বলল, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, যাতে আপনি যে আমাদেরকে পানি পান করিয়েছেন, তার বিনিময়ে পুরস্কার প্রদান করেন। অতঃপর মূসা যখন তাঁর কাছে গেলেন এবং সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করলেন, তখন তিনি বললেন, ভয় করো না, তুমি জালেম সম্প্রদায়ের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তখন নারীদ্বয়ের একজন শরম-জড়িত চরণে তার নিকট এলো এবং বলল, ‘আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করছেন, আমাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করানোর পারিশ্রমিক দেয়ার জন্যে।’ এরপর মূসা তার নিকট এসে সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করলে সে বলল, ‘ভয় কর না, তুমি জালিম সম্প্রদায়ের কবল হতে বেঁচে গেছ।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর নারীদ্বয়ের একজন লাজুকভাবে হেঁটে তার কাছে এসে বলল যে, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, যেন তিনি আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে পারেন, আমাদের পশুগুলোকে আপনি যে পানি পান করিয়েছেন তার বিনিময়ে’। অতঃপর যখন মূসা তার নিকট আসল এবং সকল ঘটনা তার কাছে খুলে বলল, তখন সে বলল, ‘তুমি ভয় করো না। তুমি যালিম কওম থেকে রেহাই পেয়ে গেছ’।আল-বায়ান
তখন নারীদ্বয়ের একজন তার কাছে সলজ্জ পদে আসল। সে বলল- ‘আমার পিতা তোমাকে ডাকছে তুমি আমাদের জন্য (জন্তুগুলোকে) পানি পান করিয়েছ তোমাকে তার প্রতিদান দেয়ার জন্য। যখন মূসা তার কাছে গেল আর তার কাছে সকল ঘটনা বিবৃত করল, সে বলল- তুমি ভয় করো না, ‘তুমি যালিম গোষ্ঠীর থেকে রেহাই পেয়ে গেছ।’তাইসিরুল
তারপরে সেই দুইজন মহিলার একজন তাঁর নিকটে লাজুকভাবে হেঁটে এল। সে বললে -- "আমার আব্বা আপনাকে আমন্ত্রণ করেছেন আপনি যে আমাদের জন্য পানি খাইয়েছেন সেজন্য আপনাকে পারিশ্রমিক প্রদান করতে।" তারপর যখন তিনি তার কাছে এলেন এবং তার কাছে বৃত্তান্ত বর্ণনা করলেন তখন সে বলল -- "ভয় করো না, তুমি অত্যাচারী লোকদের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছ।"মাওলানা জহুরুল হক
৩৫
হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এ বাক্যাংশটির এরূপ ব্যাখ্যা করেছেনঃ
جائت تمشى على استحياء قائلة بثوبها على وجهها ليست بسلفع من النساء دلاجة خراجة-
“সে নিজের মুখ ঘোমটার আড়ালে লুকিয়ে লজ্জাজড়িত পায়ে হেঁটে এলো। সেই সব ধিংগি চপলা মেয়েদের মতো হন হন করে ছুটে আসেনি, যারা যেদিকে ইচ্ছা যায় এবং যেখানে খুশী ঢুকে পড়ে।”
এ বিষয়বস্তু সম্বলিত কয়েকটি রেওয়ায়েত সাঈদ ইবনে মানসুর, ইবনে জারীর, ইবনে আবী হাতেম ও ইবনুল মুনযির নির্ভরযোগ্য সনদ সহকারে উমর থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ থেকে পরিষ্কার জানা যায়, সাহাবায়ে কেরামের যুগে কুরআন ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বদৌলতে এ মনীষীগণ লজ্জাশীলতার ইসলামী ধারণা লাভ করেছিলেন তা অপরিচিত ও ভিন্ পুরুষদের সামনে চেহারা খুলে রেখে ঘোরাফেরা করা এবং বেপরোয়াভাবে ঘরের বাইরে চলাফেরা করার সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল। হযরত উমর (রা) পরিষ্কার ভাষায় এখানে চেহারা ঢেকে রাখাকে লজ্জাশীলতার চিহ্ন এবং তা ভিন পুরুষের সামনে উন্মুক্ত রাখাকে নির্লজ্জতা গণ্য করেছেন।
৩৬
একথাও সে বলে লজ্জা-শরমের কারণে। কেননা, নির্জনে একজন ভিন পুরুষের কাছে একাকী আসার কোন কারণ বলা জরুরী ছিল। অন্যথায় একথা সুস্পষ্ট, একজন ভদ্রলোক যদি কোন মেয়ে মানুষকে পেরেশান দেখে তাকে কোন সাহায্য করে থাকে, তাহলে তার প্রতিদান দেবার কথা বলা কোন ভালো কথা ছিল না। তারপর এ প্রতিদানের নাম শোনা সত্ত্বেও মূসার মতো একজন মহানুভব ব্যক্তির উঠে এগিয়ে যাওয়া একথা প্রমাণ করে যে, তিনি সে সময় চরম দুরবস্থায় পতিত ছিলেন। একেবারে খালি হাতে অকস্মাৎ মিসর থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। মাদয়ান পর্যন্ত পৌঁছতে কমপক্ষে আট দিন লাগার কথা। ক্ষুধা, পিপাসা এবং সফরের ক্লান্তিতে অবস্থা কাহিল না হয়ে পারে না। বিদেশে-পরবাসে কোন থাকার জায়গা পাওয়া যায় কিনা এবং এমন কোন সমব্যথী পাওয়া যায় কিনা যার কাছে আশ্রয় নেয়া যেতে পারে, এ চিন্তা সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশী পেরেশান করে দিয়েছিল। এ অক্ষমতার কারণেই এত সামান্য সেবা কর্মের পারিশ্রমিক দেবার জন্য ডাকা হচ্ছে শুনে মূসা যাওয়ার ব্যাপারে ইতস্তত করেননি। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যে, আল্লাহর কাছে এখনই আমি যে দোয়া করেছি তা কবুল করার এ ব্যবস্থা আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয়েছে, তাই এখন অনর্থক আত্মমর্যাদার ভান করে আল্লাহর দেয়া আতিথ্যের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করা সঙ্গত নয়।
যদিও উপকার করার পর তার প্রতিদান আনতে যাওয়াটা ভদ্রতা ও আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থী, বিশেষত হযরত মূসা আলাইহিস সালামের মত একজন মহান রাসূলের পক্ষে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি গেলেন এজন্য যে, তিনি এটাকে আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে একটি অনুগ্রহ মনে করেছিলেন, তিনি তো একটু আগেই আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেছিলেন, হে প্রতিপালক! তোমার পক্ষ হতে আমার প্রতি যে অনুগ্রহই বর্ষিত হবে আমি তার কাঙ্গাল। এ নারীর নিমন্ত্রণ তো সে অনুগ্রহ বর্ষণেরই পূর্বাভাষ। তিনি ভেবেছিলেন, এ নিমন্ত্রণ দ্বারা এ জনপদের একজন সম্মানিত লোকের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়ে গেল। বোঝাই যাচ্ছে তিনি একজন শরীফ ও বুযুর্গ লোক। কেননা উপকারী বিদেশীকে ডেকে আনার জন্য তিনি কন্যাকেই পাঠিয়ে দিয়েছেন। কাজেই এ নিমন্ত্রণ অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না। করলে তা নাশুকরী এবং সেই আবদিয়াত ও দাসত্ববোধের পরিপন্থী হবে, যাতে উজ্জীবিত হয়ে তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেছিলেন। এমনও তো হতে পারে, এই মহান ব্যক্তির কাছে উপযুক্ত কোন পরামর্শ পাওয়া যাবে, যা এই বিদেশ বিভূঁইয়ে বড় কাজে আসবে। সুতরাং তিনি দাওয়াত গ্রহণ করে তাঁর বাড়িতে উপস্থিত হলেন। ইবনে আসাকিরের এক বর্ণনায় আছে আবু হাযিম (রহ.) বলেন, হযরত মূসা আলাইহিস সালাম যখন সেখানে পৌঁছলেন, হযরত শুআইব আলাইহিস সালাম তাঁর সামনে খাবার পেশ করলেন, কিন্তু তিনি বললেন, আমি এর থেকে আল্লাহ তাআলার কাছে পানাহ চাই। হযরত শুআইব আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আপনার কি ক্ষুধা নেই? হযরত মূসা আলাইহিস সালাম বললেন, ক্ষুধা আছে বটে, কিন্তু আমার সন্দেহ আমি যে মেষপালকে পানি পান করিয়ে দিয়েছিলাম, এটা হয়ত তারই প্রতিদান। আমি সে প্রতিদান নিতে রাজি নই। কেননা আমি সে কাজ করেছিলাম আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আর আমি এভাবে যে কাজ করি তার কোন বিনিময় গ্রহণ করি না, হোক না তা দুনিয়া ভর্তি সোনা। হযরত শুআইব আলাইহিস সালাম বললেন, আল্লাহ তাআলার কসম! বিষয়টা সে রকম নয়। বরং এটা অতিথিসেবা। এটা আমাদের বংশীয় রেওয়াজ যে, মেহমান আসলে আমরা তার সেবা-যত্ন করে থাকি। এ চরিত্র আমরা পুরুষানুক্রমে পেয়েছি। এ কথায় হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আশ্বস্ত হলেন এবং তাঁর সঙ্গে খেতে বসে গেলেন (রূহুল মাআনী, পূর্বোক্ত বরাতে)। এ বর্ণনা দ্বারা জানা যায়, হযরত শুআইব আলাইহিস সালামের কন্যা যে বলেছিলেন, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, আপনি আমাদের যে কাজ করে দিয়েছেন, তার বিনিময় দেওয়ার জন্য, এটা ছিল তার নিজ ধারণাপ্রসূত। হযরত শুআইব আলাইহিস সালাম নিজে এরূপ কথা বলেননি।
২৫. তখন নারী দুজনের একজন শরম-জড়িত পায়ে তার কাছে আসল(১) এবং বলল, আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করছেন, আমাদের জানোয়ারগুলোকে পানি পান করানোর পারিশ্রমিক দেয়ার জন্য। অতঃপর মূসা তার কাছে এসে সমস্ত বৃত্তান্ত বৰ্ণনা করলে তিনি বললেন, ভয় করো না, তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কবল থেকে বেঁচে গেছ।
(১) উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এ বাক্যাংশটির এরূপ ব্যাখ্যা করেছেনঃ “সে নিজের মুখ ঘোমটার আড়ালে লুকিয়ে লজ্জাজড়িত পায়ে হেঁটে এলো। সেই সব ধিংগি চপলা, মেয়েদের মতো হন হন করে ছুটে আসেনি, যারা যেদিকে ইচ্ছা যায় এবং যেখানে খুশী ঢুকে পড়ে।” এ বিষয়বস্তু সম্বলিত কয়েকটি বর্ণনা সাঈদ ইবনে মানসুর, ইবনে জরীর, ইবনে আবী হাতেম ও ইবনুল মুনযির নির্ভরযোগ্য সনদ সহকারে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ থেকে পরিষ্কার জানা যায়, সাহাবায়ে কেরামের যুগে কুরআন ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বদৌলতে এ মনীষীগণ লজ্জাশীলতার যে ইসলামী ধারণা লাভ করেছিলেন তা অপরিচিত ও ভিন্ পুরুষদের সামনে চেহারা খুলে রেখে ঘোরাফেরা করা এবং বেপরোয়াভাবে ঘরের বাইরে চলাফেরা করার সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল। উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু পরিষ্কার ভাষায় এখানে চেহারা ঢেকে রাখাকে লজ্জাশীলতার চিহ্ন এবং তা ভিন পুরুষের সামনে উন্মুক্ত রাখাকে নির্লজ্জতা গণ্য করেছেন। (দেখুন, বাগভী; কুরতুবী; ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর; আত-তাফসীরুস সহীহ)
(২৫) তখন রমণী দু’জনের একজন লজ্জা-জড়িত পদক্ষেপে তার নিকট এল(1) এবং বলল, ‘আপনি যে আমাদের পশুগুলিকে পানি পান করিয়েছেন, তার পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন।’(2) অতঃপর মূসা তার নিকট এসে সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করলে সে বলল, ‘ভয় করো না। তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কবল হতে বেঁচে গেছ।’ (3)
(1) আল্লাহ মূসা (আঃ)-এর দু’আ কবুল করলেন এবং দুটি মেয়ের মধ্যে একজন তাঁকে ডাকতে এল। কুরআন বিশেষভাবে মেয়েটির লজ্জার কথা বর্ণনা করেছে। যেহেতু লজ্জাই হল নারীর ভূষণ। পক্ষান্তরে নারীর জন্য পুরুষদের মত লজ্জা ও পর্দার পরোয়া না করে নির্লজ্জ ও বেপর্দা হওয়া শরীয়তে অবৈধ ও ঘৃণিত।
(2) মেয়ে দু’টির পিতা কে ছিলেন কুরআনে স্পষ্টভাবে তার পরিচয় বা নাম উল্লেখ করা হয়নি। অধিকাংশ ব্যাখ্যাকারিগণ শুআইব (আঃ) মনে করেছেন। যিনি মাদয়্যানবাসীদের প্রতি নবীরূপে প্রেরিত হয়েছিলেন। ইমাম শাওকানী (রঃ) এই মতটিকেই সমর্থন করেছেন। কিন্তু ইমাম ইবনে কাসীর (রঃ) বলেন, শুআইব (আঃ)-এর যুগ মূসা (আঃ)-এর নবুঅতের আগে ছিল। সুতরাং তিনি শুআইব (আঃ)-এর কোন ভায়ের ছেলে অথবা তাঁর জাতির কোন লোক হবেন। এ ব্যাপারে আল্লাহই ভাল জানেন। যাই হোক, মূসা (আঃ) মেয়ে দুটির প্রতি যে সহানুভূতি প্রদর্শন ও উপকার করলেন তা তারা বাড়ি ফিরে বৃদ্ধ পিতার নিকট খুলে বলল। যার ফলে তাঁর অন্তরেও উপকারের বদলা দেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হল। অথবা তাঁর পরিশ্রমের পারিশ্রমিক দেওয়া কর্তব্য মনে করলেন।
(3) অর্থাৎ, মিসরের ঘটনাবলী ও ফিরআউনের অত্যাচার-কাহিনী বিস্তারিত বর্ণনা করলেন। বৃত্তান্ত শুনে তিনি বললেন, এই এলাকা ফিরআউনের রাজ্য-সীমার বাইরে। অতএব ভয়ের কোন কারণ নেই। আল্লাহ তোমাকে অত্যাচারী হতে পরিত্রাণ দিয়েছেন।