ফাছাক-লাহুমা-ছু ম্মা তাওয়াল্লাইলাজজিলিল ফাক-লা রব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।উচ্চারণ
একথা শুনে মূসা তাদের জানোয়ারগুলোকে পানি পান করিয়ে দিল। তারপর সে একটি ছায়ায় গিয়ে বসলো এবং বললো, “হে আমার প্রতিপালক! যে কল্যাণই তুমি আমার প্রতি নাযিল করবে আমি তার মুখাপেক্ষী।” তাফহীমুল কুরআন
তখন মূসা তাদের সম্মানার্থে তাদের পশুগুলোকে পানি পান করিয়ে দিল। #%১৫%# তারপর একটি ছায়াস্থলে ফিরে আসল। তারপর বলল, হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী। #%১৬%#মুফতী তাকী উসমানী
মূসা তখন তাদের পশুগুলিকে পানি পান করালো। অতঃপর সে ছায়ার নীচে আশ্রয় গ্রহণ করল ও বললঃ হে আমার রাব্ব! আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করবেন আমি তার কাঙ্গাল।মুজিবুর রহমান
অতঃপর মূসা তাদের জন্তুদেরকে পানি পান করালেন। অতঃপর তিনি ছায়ার দিকে সরে গেলেন এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
মূসা তখন এদের পক্ষে জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাল। তৎপর সে ছায়ার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করবে আমি তো তার কাঙ্গাল।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখন মূসা তাদের পক্ষে (পশুগুলোকে) পানি পান করিয়ে দিল। তারপর ছায়ায় ফিরে গেল এবং বলল, ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী’।আল-বায়ান
তখন মূসা তাদের জন্য পশুগুলোকে পানি পান করিয়ে দিল, অতঃপর পেছন ফিরে ছায়ায় গিয়ে বসল, অতঃপর বলল- ‘হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই করবে আমি তো তারই ভিখারী।’তাইসিরুল
সুতরাং তিনি তাদের দুজনের জন্য পানি খাওয়ালেন, তারপর ছায়ার দিকে ফিরে গেলেন আর বললেন -- "আমার প্রভু! তুমি আমার প্রতি যে কোনো অনুগ্রহ পাঠাবে আমি তারই জন্যে ভিখারী হয়ে আছি।"মাওলানা জহুরুল হক
‘তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী’ হযরত মূসা আলাইহিস সালামের সংক্ষিপ্ত দোয়া আল্লাহ তাআলার প্রতি তাঁর আবদিয়াত ও দাসত্ববোধের এক চমৎকার অভিব্যক্তি। একদিকে তো আল্লাহ তাআলার সমীপে নিজের অভাব ও অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেছেন, জানাচ্ছেন যে, এই বিদেশ বিভূঁইয়ে নিজের পরিচিত কোন লোক নেই, জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কোন কিছুরই ব্যবস্থা নেই। অপর দিকে নিজের পক্ষ থেকে ঠিক কি-কি বস্তু চাই তা ঠিক করে দিচ্ছেন না; বরং বিষয়টা আল্লাহ তাআলার উপর ছেড়ে দিচ্ছেন যে, আপনি আমার জন্য কল্যাণকর যে ব্যবস্থাই গ্রহণ করবেন এবং উপর থেকে আমার প্রতি যে অনুগ্রহই বর্ষণ করবেন, আমি তারই কাঙ্গাল এবং আমি তাই আপনার কাছে চাচ্ছি। নিজের পক্ষ হতে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কিছু চাব, সেই অবস্থায় আমি নেই।
২৪. মূসা তখন তাদের পক্ষে জানোয়ারগুলোকে পানি পান করালেন। তারপর তিনি ছায়ার নীচে আশ্রয় গ্রহন করে বললেন, হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করবেন আমি তার কাঙ্গাল।(১)
(১) মূসা আলাইহিস সালাম বিদেশে অনাহারে কাটাচ্ছেন। তিনি এক গাছের ছায়ায় এসে আল্লাহ তা'আলার সামনে নিজের অবস্থা ও অভাব পেশ করলেন। এটা দোআ করার একটি সূক্ষ পদ্ধতি। خير শব্দটির অর্থ কল্যাণ। এখানে তিনি আহার্য হতে শুরু করে যাবতীয় কল্যাণের জন্য আল্লাহ তা'আলার মুখাপেক্ষী হলেন। (কুরতুবী)
(২৪) মূসা তখন ওদের পশুগুলিকে পানি পান করাল। তারপর সে ছায়ার নীচে আশ্রয় গ্রহণ করে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবে, নিশ্চয় আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (1)
(1) মূসা (আঃ) এত দূর সফর করে মিসর থেকে মাদয়্যান পৌঁছলেন, খাওয়া ও পান করার মত সঙ্গে কিছু ছিল না। দীর্ঘ সফরের ফলে ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত-শ্রান্ত। সেই জন্য তাদের পশুগুলিকে পানি পান করানোর পর একটি গাছের ছায়ার আশ্রয় নিয়ে দু’আয় মগ্ন হলেন। خَير (কল্যাণ) শব্দটি অনেক অর্থে ব্যবহার হয়; যেমন, খাদ্য, কল্যাণময় কর্ম ও ইবাদত, শক্তি-সামর্থ্য এবং ধন-মাল ইত্যাদি। (আয়সারুত তাফাসীর) এখানে উক্ত শব্দটি খাদ্যের অর্থে ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ, আমার এখন খাবারের প্রয়োজন।