وَأَدۡخِلۡ يَدَكَ فِي جَيۡبِكَ تَخۡرُجۡ بَيۡضَآءَ مِنۡ غَيۡرِ سُوٓءٖۖ فِي تِسۡعِ ءَايَٰتٍ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ وَقَوۡمِهِۦٓۚ إِنَّهُمۡ كَانُواْ قَوۡمٗا فَٰسِقِينَ

ওয়া আদখিল ইয়াদাকা ফী জাইবিকা তাখরুজ বাইদাআ মিন গাইরি ছূইন ফী তিছ‘ই আয়া-তিন ইলা-ফির‘আওনা ওয়া কাওমিহী ইন্নাহুম ক-নূকাওমান ফা-ছিকীন।উচ্চারণ

আর তোমার হাতটি একটু তোমার বক্ষস্থলের মধ্যে ঢুকাও তো, তা উজ্জ্বল হয়ে বের হয়ে আসবে কোন প্রকার ক্ষতি ছাড়াই। এ (দু’টি নিদর্শন) ন’টি নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত ফেরাউন ও তার জাতির কাছে (নিয়ে যাবার জন্য) ১৬ তারা বড়ই বদকার।” তাফহীমুল কুরআন

এবং তোমার হাত নিজ জায়ব (জামার সামনের ফোকর)-এর ভেতর ঢোকাও, তা শুভ্র হয়ে বের হবে কোন রোগ ছাড়া। এ দু’টি সেই নব-নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত, যা (তোমার মাধ্যমে) ফির‘আউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে পাঠানো হচ্ছে। বস্তুত তারা অবাধ্য সম্প্রদায়।মুফতী তাকী উসমানী

তোমার হাত তোমার বক্ষপার্শ্বে বস্ত্রের মধ্যে প্রবেশ করাও। এটা বের হয়ে আসবে শুভ্র নির্দোষ হয়ে; এটা ফির‘আউন ও তার সম্প্রদায়ের নিকট আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্তর্গত; তারাতো সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।মুজিবুর রহমান

আপনার হাত আপনার বগলে ঢুকিয়ে দিন, সুশুভ্র হয়ে বের হবে নির্দোষ অবস্থায়। এগুলো ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্যতম। নিশ্চয় তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘এবং তোমার হাত তোমার বগলে রাখ, এটা বের হয়ে আসবে শুভ্র নির্মল অবস্থায়। এটা ফির‘আওন ও তার সম্প্রদায়ের নিকট আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্তর্গত। এরা তো সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর তুমি তোমার হাত বগলে প্রবেশ করাও, তা দোষমুক্ত শুভ্র অবস্থায় বের হয়ে আসবে। ফির‘আউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। নিশ্চয় তারা ছিল ফাসিক সম্প্রদায়’।আল-বায়ান

আর তুমি তোমার হাত বগলে ঢুকাও, তা শুভ্র হয়ে বের হয়ে আসবে দোষমুক্ত অবস্থায়, তা হল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের নিকট নিয়ে আসা নয়টি নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। নিশ্চয় তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।তাইসিরুল

আর তোমার হাত তোমার পকেটে ঢোকাও, এটি বেরিয়ে আসবে সাদা হয়ে কোনো দোষত্রুটি ছাড়া, -- ফিরআউন ও তার লোকদলের কাছে নয়টি নিদর্শনের অন্তর্গত। নিঃসন্দেহ তারা হচ্ছে সীমালংঘনকারী জাতি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৬

সূরা বনী ইসরাঈলে বলা হয়েছে মূসাকে আমি সুস্পষ্টভাবে দৃষ্টিগোচর হয় এমন ধরনের নয়টি নিদর্শন تِسْعَ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ)) দিয়ে পাঠিয়েছিলাম। সূরা আ’রাফে এগুলোর বিস্তারিত বিবরণ এভাবে বর্ণনা করা হয়েছেঃ (১) লাঠি, যা অজগর হয়ে যেতো (২) হাত, যা বগলে রেখে বের করে আনলে সূর্যের মতো ঝিকমিক করতো। (৩) যাদুকরদের প্রকাশ্য জনসমক্ষে পরাজিত করা (৪) হযরত মূসার পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সারা দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়া। (৫) বন্যা ও ঝড় (৬) পংগপাল (৭) সমস্ত শস্য গুদামে শস্যকীট এবং মানুষ-পশু নির্বিশেষে সবার গায়ে উকুন। (৮) ব্যাঙয়ের আধিক্য (৯) রক্ত। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা আয্ যুখরুফ, ৪৩ টীকা)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘নব-নিদর্শন’ দ্বারা যে সকল নিদর্শনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, সূরা আরাফে (৭ : ১৩০-১৩৩) তার বিবরণ চলে গেছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

১২. আর আপনি আপনার হাত আপনার বগলে রাখুন, এটা বের হয়ে আসবে শুভ্র নির্দোষ অবস্থায়। এটা ফিরআউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্তৰ্গত।(১) তারা তো ছিল ফাসেক সম্প্রদায়।

(১) সূরা আল-ইসরায় বলা হয়েছে মূসাকে আমি সুস্পষ্টভাবে দৃষ্টিগোচর হয় এমন ধরনের নয়টি নিদর্শন দিয়ে পাঠিয়েছিলাম। সূরা আল-আ'রাফে এগুলোর বিস্তারিত বিবরণ এভাবে বর্ণনা করা হয়েছেঃ (১) লাঠি, যা অজগর হয়ে যেতো। (২) হাত, যা বগলে রেখে বের করে আনলে সূর্যের মতো ঝিকমিক করতো। (৩) যাদুকরদের প্রকাশ্য জনসমক্ষে পরাজিত করা (৪) মূসার পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সারা দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়া। (৫) বন্যা ও ঝড় (৬) পংগপাল। (৭) সমস্ত শস্য গুদামে শস্যকীট এবং মানুষ-পশু নির্বিশেষে সবার গায়ে উকুন। (৮) ব্যাঙয়ের আধিক্য (৯) রক্ত। (দেখুন: সূরা আল-আরাফ: ১৩৩)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১২) আর তুমি তোমার হাত নিজ জামার বুকের উন্মুক্ত অংশে প্রবেশ করাও। তা ত্রুটিমুক্ত(1) উজ্জ্বল হয়ে বেরিয়ে আসবে। এ হবে ফিরআউন ও তার সম্প্রদায়ের নিকট আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্তর্গত।(2) ওরা তো সত্যতাগী সম্প্রদায়।’

(1) অর্থাৎ, কুষ্ঠব্যাধি বা অন্য কোন রোগজনিত ত্রুটি ছাড়াই। লাঠির সাথে এটি ছিল দ্বিতীয় মু’জিযা।

(2) فِي تِسْعِ آيَاتٍ অর্থাৎ, এই দুই মু’জিযা ঐ নয় নিদর্শনের অন্তর্গত যার দ্বারা আমি তোমার সাহায্য করেছি। এই মু’জিযা নিয়ে তুমি ফিরআউন ও তার জাতির নিকট যাও। উক্ত নয়টি নিদর্শন সম্পর্কে জানার জন্য সূরা বনী-ঈস্রাঈল ১০১নং আয়াতের টীকা দ্রষ্টব্য।