ওয়া কুনূঝিওঁ ওয়া মাক-মিন কারীম।উচ্চারণ
ধন-ভাণ্ডার ও সুরম্য আবাসগৃহসমূহ থেকে। ৪৪ তাফহীমুল কুরআন
এবং ধনভাণ্ডার ও মর্যাদাপূর্ণ স্থানসমূহ থেকে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং ধন ভান্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হতে।মুজিবুর রহমান
এবং ধন-ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং ধনভাণ্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হতে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর ধনভান্ডার ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান থেকে।আল-বায়ান
আর ধনভন্ডারসমূহ ও সম্মানজনক অবস্থান থেকে।তাইসিরুল
আর ধনভান্ডার ও জমকালো বাড়িঘর থেকে, --মাওলানা জহুরুল হক
৪৪
অর্থাৎ ফেরাউনের মতে দূরতম এলাকা থেকে সেনাবাহিনী তলব করে বনী ইসরাঈলকে ধ্বংস করার ব্যবস্থা করে সে খুব বুদ্ধিমানের কাজ করেছে। কিন্তু আল্লাহ এমন ব্যবস্থা অবলম্বন করলেন যার ফলে তার নিজের কৌশলে সে নিজেই ফেঁসে গেলো। অর্থাৎ ফেরাউনী রাজ্যের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তারা নিজ নিজ জায়গা ছেড়ে এমন এক জায়গায় সমবেত হলো যেখানে তাদের সবাইকে এক সাথে সলিল সমাধি লাভ করতে হবে। যদি তারা বনী ইসরাঈলের পিছু না নিতো, তাহলে এর ফল কেবল এতটুকুই হতো যে, একটি জাতি দেশ ত্যাগ করে চলে যেতো। এর চেয়ে বেশী তাদের আর কোন ক্ষতি হতো না, ফলে তারা আগের মতো বিলাস কুঞ্জে বসে আয়েশী জীবন যাপন করতো। কিন্তু তারা বুদ্ধিমত্তার পরম পরাকাষ্ঠা দেখানোর জন্য বনী ইসরাঈলকে নিরাপদে চলে না যেতে দেবার ফায়সালা করলো। শুধু তাই নয়, মুহাজির কাফেলাগুলোর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে চিরকালের জন্য তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইলো। এ উদ্দেশ্যে তাদের শাহজাদাবৃন্দ, বড় বড় সরদার ও রাজকর্মচারীরা তাদের শক্তিমদমত্ত বাদশাহকে সঙ্গে নিয়ে নিজেদের প্রাসাদসমূহ থেকে বের হয়ে পড়লো। তাদের এহেন বুদ্ধিমত্তার এ দ্বিবিধ ফলও দেখা গেলো যে, বনী ইসরাঈল মিসর থেকে বের হয়েও গেলো আবার মিসরের জালেম ফেরাউনী সাম্রাজ্যের প্রধান জনশক্তি (cream) সাগরে বিসর্জিত হলো।
৫৮. এবং ধন-ভাণ্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হতে।
(৫৮) এবং ধনভান্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হতে। (1)
(1) অর্থাৎ, ফিরআউন ও তার সৈন্য-সামন্ত বনী-ইস্রাঈলের পিছু নিল ঠিকই, কিন্তু তাদের আর নিজেদের ঘরে ফিরার সৌভাগ্য হল না। এইভাবে মহান আল্লাহ নিজ ইচ্ছায় ও হিকমতে তাদেরকে সমস্ত নিয়ামত হতে বঞ্চিত করে অন্যদেরকে তার উত্তরাধিকারী করলেন।