ফাআলকাও হিবা-লাহুম ওয়া ‘ইসিইইয়াহুম ওয়া ক-লূবি‘ইঝঝাতি ফির‘আওনা ইন্নালানাহনুল গা-লিবূন।উচ্চারণ
তারা তখনই নিজেদের দড়িদড়া ও লাঠিসোঁটা নিক্ষেপ করলো এবং বললো, “ফেরাউনের ইজ্জতের কসম, আমরাই বিজয়ী হবো।” ৩৬ তাফহীমুল কুরআন
তখন তারা তাদের রশি ও লাঠি মাটিতে ফেলে দিল #%১৭%# এবং বলল, ফির‘আউনের ইজ্জতের শপথ! আমরাই বিজয়ী হব।মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর তারা তাদের রজ্জু ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং তারা বললঃ ফির‘আউনের শপথ! আমরাই বিজয়ী হব।মুজিবুর রহমান
অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর এরা এদের রজ্জু ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং এরা বলল, ‘ফির‘আওনের ইজ্জতের শপথ ! আমরাই বিজয়ী হব।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ‘ফির‘আউনের মর্যাদার কসম! অবশ্যই আমরা বিজয়ী হব।’আল-বায়ান
তখন তারা তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল আর তারা বলল- ‘ফেরাউনের ইযযতের শপথ! আমরা অবশ্যই জয়ী হব।’তাইসিরুল
সুতরাং তাদের দড়িদড়া ও তাদের লাঠি-লগুড় তারা ছুড়ঁলো এবং বললে -- "ফিরআউনের প্রভাবে আমরা তো নিজেরাই বিজয়ী হব।"মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
এখানে এ আলোচনা বাদ দেয়া হয়েছে যে, হযরত মূসার মুখে এ ধরণের বাক্য উচ্চারিত হবার সাথে সাথেই যখন যাদুকররা নিজেদের দড়িদড়া ও লাঠিসোঁটা ছুঁড়ে দিল তখন অকস্মাৎ সেগুলোকে বহু সাপের আকারে কিলবিল করতে করতে হযরত মূসার দিকে দৌঁড়ে যেতে দেখা গেলো। কুরআন মজীদের অন্যান্য স্থানে এর বিস্তারিত আলোচনা এসেছে। সূরা আ’রাফে বলা হয়েছেঃ
فَلَمَّا أَلْقَوْا سَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءُوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ
“যখন তারা নিজেদের মন্ত্র নিক্ষেপ করলো তখন লোকদের দৃষ্টিকে যাদুগ্রস্থ করে দিল, সবাইকে আতংকিত করে ফেললো এবং বিরাট যাদু বানিয়ে নিল।”
সূরা তা-হা-এ এমন এক সময়ের চিত্র আঁকা হয়েছে যখনঃ
قَالَ بَلْ أَلْقُوا فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِنْ سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَى - فَأَوْجَسَ فِي نَفْسِهِ خِيفَةً مُوسَى
“সহসা তাদের যাদুর ফলে হযরত মূসার মনে হলো যেন তাদের রশি ও লাঠিগুলো দৌঁড়ে চলে আসছে। এতে মূসা মনে মনে ভয় পেয়ে গেলো।”
সূরা তোয়াহায় (২০ : ৬৬) বর্ণিত হয়েছে, যাদুকরগণ যে রশি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করেছিল, তাদের যাদুর কারসাজিতে হঠাৎ মনে হচ্ছিল, যেন তা দৌড়াদৌড়ি করছে।
৪৪. অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং তারা বলল, ‘ফিরআউনের ইযযতের শপথ! আমরাই তো বিজয়ী হব।
(৪৪) অতঃপর ওরা ওদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং ওরা বলল, ‘ফিরআউনের ইজ্জতের শপথ! আমরাই বিজয়ী হব।’ (1)
(1) যেমন সূরা আ’রাফ ও ত্বহায় আলোচিত হয়েছে যে, ঐ সমস্ত যাদুকরেরা নিজেদের ধারণা অনুযায়ী বিরাট যাদু পেশ করল। {سَحَرُواْ أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ} (116) سورة الأعراف এমনকি মূসা (আঃ)ও একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। {فَأَوْجَسَ فِي نَفْسِهِ خِيفَةً مُّوسَى} (67) سورة طـه বলা বাহুল্য, ঐ সব যাদুকরদের নিজেদের সাফল্যের উপর বিরাট আস্থা ছিল, যেমন এখানে এই আয়াতে প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা মূসা (আঃ)-কে সান্ত্বনা দিলেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তোমার লাঠিটি মাটিতে ফেল! সুতরাং লাঠি মাটিতে পড়ার সাথে সাথে এক ভয়ংকর অজগরের রূপ ধারণ করল। আর একটি একটি করে তাদের যাদুর তৈরী সমস্ত জিনিসগুলোকে গিলে ফেলল। যেমন পরের আয়াতে বলা হয়েছে।