ক-লা ফা’তি বিহীইন কুননতা মিনাসসা-দিকীন।উচ্চারণ
ফেরাউন বললো, “বেশ তুমি আনো যদি তুমি সত্যবাদী হও।” ২৬ তাফহীমুল কুরআন
ফেরাউন বলল, আচ্ছ, তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে তা উপস্থিত কর।মুফতী তাকী উসমানী
ফির‘আউন বললঃ তুমি যদি সত্যবাদী হও তাহলে তা উপস্থিত কর।মুজিবুর রহমান
ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
ফির‘আওন বলল, ‘তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা উপস্থিত কর।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফির‘আউন বলল, ‘তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে তা নিয়ে এসো’।আল-বায়ান
(ফেরাউন) বলল : ‘তাহলে তা আনো, যদি তুমি সত্যবাদী হও।’তাইসিরুল
সে বললে -- "তবে তা নিয়ে এস যদি তুমি সত্যবাদীদের একজন হও।"মাওলানা জহুরুল হক
২৬
হযরত মূসার প্রশ্নের জবাবে ফেরাউনের এ উক্তি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রকাশ করে যে, প্রাচীন ও আধুনিক কালের মুশরিকদের থেকে তার অবস্থা ভিন্নতর ছিল না। অন্য সব মুশরিকদের মতোই সে আল্লাহকে অতিপ্রাকৃত অর্থে সকল উপাস্যের উপাস্য বলে বিশ্বাস করতো এবং তাদের মতো একথাও স্বীকার করতো যে, বিশ্ব-জাহানের সকল দেবতার চাইতে তাঁর শক্তি বেশী। তাই মূসা তাঁকে বলেন, যদি তুমি আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিযুক্ত বলে বিশ্বাস না করো, তাহলে আমি এমন সব নিদর্শন পেশ করবো যা থেকে আমি যে তাঁর প্রেরিত তা প্রমাণ হয়ে যাবে। আর এ কারণে সে-ও জবাব দেয়, ঠিক আছে যদি তোমার দাবী সত্য হয়ে থাকে, তাহলে আনো তোমার নিদর্শন। অন্যথায় সোজা কথা, যদি সে আল্লাহর অস্তিত্ব অথবা তাঁর বিশ্ব-জাহানের মালিক হবার ব্যাপারেই সন্দিহান হতো, তাহলে নিদর্শনের প্রশ্নই উঠতে পারতো না। নিদর্শনের প্রশ্ন তো তখনই সামনে আসতে পারে যখন আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাঁর সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হওয়া স্বীকৃত হয় কিন্তু মূসা তাঁর প্রেরিত কি না এ ব্যাপারে প্রশ্ন দেখা দেয়।
৩১. ফিরআউন বলল, তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা উপস্থিত কর।
(৩১) ফিরআউন বলল, ‘তুমি যদি সত্যবাদী হও, তবে তা আনয়ন কর।’