আও ইউলকাইলাইহি কানঝুন আও তাকূনুলাহূজান্নাতুইঁ ইয়া’কুলুমিনহা- ওয়া কালাজ্জা-লিমূনা ইন তাত্তাবি‘ঊনা ইল্লা-রজুলাম মাছহূর-।উচ্চারণ
অথবা আর কিছু না হলেও তাঁর জন্য অন্তত কিছু ধন-সম্পদ অবতীর্ণ করা হতো অথবা তাঁর কাছে থাকতো অন্তত কোন বাগান, যা থেকে সে (নিশ্চিন্তে) রুজি সংগ্রহ করতো?” ১৬ আর জালেমরা বলে, “তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্ত ১৭ ব্যক্তির অনুসরণ করছো।” তাফহীমুল কুরআন
অথবা তাকে কোন ধনভাণ্ডারই দেওয়া হত কিংবা তার থাকত কোন বাগান, যা থেকে সে খেতে পারত? জালেমগণ (মুসলিমদেরকে) আরও বলে, তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।মুফতী তাকী উসমানী
তাকে ধন ভান্ডার দেয়া হয়নি কেন, অথবা কেন একটি বাগান দেয়া হলনা যা হতে সে খাদ্য সংগ্রহ করতে পারে? সীমালংঘনকারীরা আরও বলেঃ তোমরাতো এক যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।মুজিবুর রহমান
অথবা তিনি ধন-ভান্ডার প্রাপ্ত হলেন না কেন, অথবা তাঁর একটি বাগান হল না কেন, যা থেকে তিনি আহার করতেন? জালেমরা বলে, তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
অথবা তাকে ধনভাণ্ডার দেওয়া হয় না কেন বা তার একটি বাগান নাই কেন, যা হতে সে আহার সংগ্রহ করতে পারে ?’ সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছো।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অথবা তাকে ধনভান্ডার ঢেলে দেয়া হয় না কেন অথবা তার জন্য একটি বাগান হয় না কেন যা থেকে সে খেতে পারে?’ যালিমরা বলে, ‘তোমরা শুধু এক যাদুগ্রস্ত লোকের অনুসরণ করছ’।আল-বায়ান
কিংবা তাকে ধন-ভান্ডার দেয়া হয় না কেন, অথবা তার জন্য একটা বাগান হয় না কেন যাত্থেকে সে আহার করত?’ যালিমরা বলে- ‘তোমরা তো এক যাদুগ্রস্ত লোকেরই অনুসরণ করছ।’তাইসিরুল
অথবা তার কাছে ধনভান্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হতো, অথবা তার জন্য একটি বাগান থাকত যা থেকে সে খেতো?" আর অন্যায়াচারীরা বলে -- "তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত লোককেই অনুসরণ করছ!মাওলানা জহুরুল হক
১৬
এটা যেন ছিল তাদের শেষ দাবী। অর্থাৎ আল্লাহ অন্তত এতটুকুই করতেন যে, নিজের রসূলের গ্রাসাচ্ছাদনের কোন ভালো ব্যবস্থা করে দিতেন। এ কেমন ব্যাপার, আল্লাহর রসূল আমাদের একজন সাধারণ পর্যায়ের ধনী লোকের চেয়েও খারাপ অবস্থায় থাকেন! নিজের খরচ চালাবার মতো ধন-সম্পদ নেই, ফল-ফলারি খাবার মতো বাগান নেই একটিও, আবার দাবী করেন তিনি রব্বুল আলামীন, আল্লাহর নবী।
১৭
অর্থাৎ পাগল। আরবদের দৃষ্টিতে পাগলামির কারণ ছিল দু'টো। কারো উপর জ্বীনের ছায়া পড়লে সে পাগল হয়ে যেতো অথবা যাদু করে কাউকে পাগল করা হতো। তাদের দৃষ্টিতে তৃতীয় আরো একটি কারণও ছিল। সেটি ছিল এই যে, কোন দেবদেবীর বিরুদ্ধে কেউ বেআদবী করলে তার অভিশাপ তার উপর পড়তো এবং তার ফলে সে পাগল হয়ে যেতো। মক্কার কাফেররা প্রায়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে এ কারণগুলো বর্ণনা করতো। কখনো বলতো, এ ব্যক্তির উপর কোন জিন চেপে বসেছে। কখনো বলতো, বেচারার উপর কোন দুশমন যাদু করে দিয়েছে। আবার কখনো বলতো, আমাদের কোন দেবতার সাথে বেআদবী করার খেসারতে বেচারা ভুগছে। কিন্তু এই সঙ্গে তাঁকে আবার এতটা বুদ্ধিমান ও ধীশক্তি সম্পন্নও মনে করতো যে, এ ব্যক্তি একটি অনুবাদ ভবন কায়েম করেছে এবং সেখানে পুরাতন সব গ্রন্থাদি সংগ্রহ করে তার অংশ বিশেষ বাছাই করে করে মুখস্থ করছে। এছাড়া তারা তাঁকে যাদুকরও বলতো। অর্থাৎ তিনি নিজে যাদুকরও ছিলেন আবার অন্যের যাদুতে প্রভাবিতও ছিলেন। এরপর আর একটি বাড়তি দোষারোপ এও ছিল যে, তিনি কবিও ছিলেন।
৮. অথবা তার কাছে কোন ধনভাণ্ডার এসে পড়ল না কেন অথবা তার একটি বাগান নেই কেন, যা থেকে সে খেতো? আর যালিমরা আরো বলে, তোমরা তো এক জাদুগ্ৰস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।
(৮) তাকে ধনভান্ডার দেওয়া হয় না কেন(1) অথবা তার একটি বাগান নেই কেন, যা হতে সে আহার সংগ্রহ করতে পারে?’(2) সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।’(3)
(1) যাতে সে জীবিকা-উপার্জনের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকত।
(2) যাতে তার অবস্থা আমাদের তুলনায় তো কিছু ভালো হত।
(3) যার জ্ঞান-বুদ্ধি যাদু-প্রভাবিত ও বিকৃত।