وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنۡ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ

ওয়া কুর রব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন হামাঝা-তিশশাইয়া-তীন।উচ্চারণ

আর দোয়া করো, “হে আমার রব! আমি শয়তানদের উস্কানি থেকে তোমার আশ্রয় চাই। তাফহীমুল কুরআন

এবং দোয়া কর, হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই।মুফতী তাকী উসমানী

আর বলঃ হে আমার রাব্ব! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি শাইতানের প্ররোচনা হতে।মুজিবুর রহমান

বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

বল, ‘হে আমার প্রতি-পালক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি শয়তানের প্ররোচনা হতে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বল, ‘হে আমার রব, আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার কাছে পানাহ চাই’।আল-বায়ান

আর বল : ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়ত্বানের কুমন্ত্রণা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।তাইসিরুল

আর বল -- "আমার প্রভু! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাইছি শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৭. আর বলুন, হে আমার রব! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি শয়তানের প্ররোচনা থেকে।(১)

(১) همز শব্দের অর্থ পশ্চাদ্দিক থেকে চাপ দেয়া। (কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর) শয়তানের প্ররোচনা ও চক্রান্ত থেকে আত্মরক্ষার জন্যে এটা একটা সুদুরপ্রসারী অর্থবহ দোআ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদেরকে এই দোআ পড়ার আদেশ করেছেন, যাতে ক্রোধ ও গোস্‌সার অবস্থায় মানুষ যখন বাহ্যজ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে পড়ে, তখন শয়তানের প্ররোচনা থেকে এই দো’আর বরকতে নিরাপদ থাকতে পারে। এ ছাড়া শয়তান ও জিনদের অন্যান্য প্রভাব ও আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্যেও দোআটি পরীক্ষিত। এক সাহাবীর রাত্রিকালে নিদ্রা আসত না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-তাকে নিম্ন বর্ণিত দো’আটি পাঠ করে শোয়ার আদেশ দিলেন। তিনি পড়া শুরু করলে অনিদ্রার কবল থেকে মুক্তি পান। দোয়াটি এইঃ

 أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ، وَمِنْ شَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ، وَأَنْ يَحْضُرُونِ

(আবু দাউদঃ ৩৮৯৩, মুসনাদে আহমাদঃ ৪/৫৭, ৬/৬)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৭) আর বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি শয়তানদের প্ররোচনা হতে।(1)

(1) সূতরাং নাবী (সাঃ) শাইত্বান হতে এই বলে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন, ‘‘আউযু বিল্লাহিস সামীইল আ’লীম মিনাশ শাইত্বানির রজীম, মিন হামযিহী অনাফখিহী ওয়া নাফসিহ।’’ অর্থাৎ, আমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞাতা আল্লাহর নিকট বিতাড়িত শাইত্বান হতে তার প্ররোচনা ও ফুৎকার হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

(আবু দাউদঃ নামায অধ্যায়, তিরমিজি)