ইদফা‘ বিল্লাতী হিইয়া আহছানুছ ছাইয়িআতা নাহনুআ‘লামুবিমা-ইয়াসিফূন।উচ্চারণ
হে মুহাম্মাদ (সাঃ) ! মন্দকে দূর করো সর্বোত্তম পদ্ধতিতে। তারা তোমার সম্পর্কে যেসব কথা বলে তা আমি খুব ভালো করেই জানি। তাফহীমুল কুরআন
(কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সে সময় না আসছে) তুমি মন্দকে প্রতিহত করবে এমন পন্থায়, যা হবে উৎকৃষ্ট। #%৩৮%# তারা যেসব কথা বলছে, তা আমি ভালোভাবে জানি।মুফতী তাকী উসমানী
মন্দের মুকাবিলা কর উত্তম দ্বারা, তারা যা বলে আমি সেই সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।মুজিবুর রহমান
মন্দের জওয়াবে তাই বলুন, যা উত্তম। তারা যা বলে, আমি সে বিষয়ে সবিশেষ অবগত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
মন্দের মুকাবিলা কর যা উত্তম তা দিয়ে; এরা যা বলে আমি সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যা উত্তম তা দিয়ে মন্দ প্রতিহত কর; তারা যা বলে আমি তা সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী।আল-বায়ান
মন্দের মুকাবিলা কর যা উত্তম তাই দিয়ে, তারা যা বলে সে সম্পর্কে আমি সবিশেষ অবগত।তাইসিরুল
যা শ্রেষ্ঠ তাই দিয়ে মন্দ বিষয় প্রতিরোধ করো। আমরা ভাল জানি যা তারা আরোপ করে।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ তাদের অসার কথাবার্তা এবং তারা যে দুঃখ-কষ্ট দেয়, যতদূর সম্ভব নম্রতা, সদাচরণ ও চারিত্রিক মাধুর্য দ্বারা তার জবাব দিন।
৯৬. মন্দের মুকাবিলা করুন যা উত্তম তা দ্বারা; তারা (আমাকে) যে গুণে গুণান্বিত করে আমরা সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবগত।(১)
(১) অর্থাৎ আপনি মন্দকে উত্তম দ্বারা, যুলুমকে ইনসাফ দ্বারা এবং নির্দয়তাকে দয়া দ্বারা প্রতিহত করুন। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রদত্ত উত্তম চরিত্রের শিক্ষা, যা মুসলিমদের পারস্পরিক কাজ কারবারে সর্বদাই প্রচলিত আছে। অন্য আয়াতে আল্লাহ্ বলেন, মন্দ প্রতিহত করুন তা দ্বারা যা উৎকৃষ্ট; ফলে আপনার ও যার মধ্যে শক্ৰতা আছে, সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত। আর এটি শুধু তারাই প্ৰাপ্ত হবে যারা ধৈর্যশীল। আর এর অধিকারী তারাই হবে কেবল যারা মহাভাগ্যবান।” (সূরা ফুসসিলাত: ৩৪–৩৫) অর্থাৎ যুলুম ও নির্যাতনের জওয়াবে কাফের ও মুশরিকদের ক্ষমা ও মার্জনাই করতে থাক। কারও কারও মতে, কাফেরদেরকে প্রত্যাঘাত না করার নির্দেশ পরবর্তীকালে জেহাদের আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। কারও কারও মতে, উম্মতের নিজেদের মধ্যে এর বিধান ঠিকই কার্যকর। শুধু কাফেরদের ক্ষেত্রে তা রহিত হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর) কিন্তু ঠিক জেহাদের অবস্থায়ও এই সচ্চরিত্রতার অনেক প্রতীক অবশিষ্ট রাখা হয়েছে, যেমন-কোন নারীকে হত্যা না করা, শিশু হত্যা না করা, ধর্মীয় পুরোহিত, যারা মুসলিমদের মোকাবেলায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তাদেরকে হত্যা না করা। কাউকে হত্যা করা হলে তার নাক, কান ইত্যাদি কেটে ‘মুছলা’ তথা বিকৃত না করা ইত্যাদি।
(৯৬) তুমি ভালো দ্বারা মন্দের মুকাবিলা কর।(1) তারা যা বলে, আমি সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।
(1) যেমন অন্যত্রে বলেছেন, ‘‘উৎকৃষ্ট দ্বারা মন্দ প্রতিহত কর; তাহলে যার সাথে তোমার শত্রুতা আছে, সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত।’’ (সূরা হা-মীম সাজদাহ ৩৪ আয়াত)