বাল আতাইনা-হুম বিলহাক্কিওয়া ইন্নাহুম লাক-যিবূন।উচ্চারণ
যা সত্য তা আমি তাদের সামনে এনেছি এবং এরা যে মিথ্যেবাদী এতে কোন সন্দেহ নেই। ৮৩ তাফহীমুল কুরআন
না, (এটা উপকথা নয়); বরং আমি তাদের কাছে সত্য পৌঁছিয়েছি। কিন্তু তারা তো মিথ্যাবাদী।মুফতী তাকী উসমানী
বরং আমিতো তাদের নিকট সত্য পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তারা মিথ্যাবাদী।মুজিবুর রহমান
কিছুই নয়, আমি তাদের কাছে সত্য পৌঁছিয়েছি, আর তারা তো মিথ্যাবাদী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বরং আমি তো এদের নিকট সত্য পৌঁছেছি; কিন্তু এরা তো নিশ্চিত মিথ্যাবাদী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বরং আমি তাদের কাছে সত্য পৌঁছিয়েছি, আর নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।আল-বায়ান
কিছুই না, আমি তাদের নিকট সত্য পাঠিয়েছি কিন্তু তারা বাস্তবিকই মিথ্যেবাদী।তাইসিরুল
বস্তুতঃ আমরা তাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছি, কিন্ত তারা তো নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।মাওলানা জহুরুল হক
৮৩
অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সার্বভৌম ক্ষমতার (আল্লাহর গুণাবলী, ক্ষমতা ও অধিকার অথবা সেগুলোর কোন অংশ) অধিকারী নিজেদের একথায় তারা মিথ্যেবাদী। আর মৃত্যুর পর পুর্নাবার জীবন সম্ভব নয়, একথায়ও মিথ্যেবাদী। তাদের মিথ্যা তাদের নিজেদের স্বীকৃতিগুলো থেকে প্রমাণিত। একদিকে আল্লাহকে পৃথিবী ও আকাশের মালিক ও সব জিনিসের ওপর ক্ষমতাশালী বলে মেনে নেয়া এবং অন্যদিকে একথা বলা যে, তিনিই একমাত্র সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধিকারী নন বরং অন্যদের ও (যারা অনিবার্যভাবে তাঁর অধীনই হবে) তাতে কোন অংশ আছে, এ দু’টি কথা সুস্পষ্টভাবে পরস্পর বিরোধী। অনুরূপভাবে একদিকে আমাদেরকে ও এ বিশাল বিশ্ব-জাহানকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন বলে স্বীকার করা এবং অন্যদিকে আল্লাহ তাঁর নিজের তৈরী করাসৃষ্টি দ্বিতীয় বার সৃষ্টি করতে পারেন না বলে দাবী করা একেবারেই বুদ্ধি ও যুক্তি বিরোধী কথা। কাজেই তাদের মেনে নেয়া সত্য থেকে একথা প্রমাণিত হয় যে, শিরক করা ও আখেরাত অস্বীকারকরা দু’টোই তাদের অবলম্বিত মিথ্যা বিশ্বাস।
৯০. বরং আমরা তো তাদের কাছে হক নিয়ে এসেছি; আর নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।(১)
(১) অর্থাৎ আল্লাহর জন্য যে সঙ্গিনী ও সন্তান সাব্যস্ত করছে। এ ব্যাপারে তারা নির্লজ্জ মিথ্যা বলছে। অনুরূপভাবে তাঁর জন্য যে তারা শরীক সাব্যস্ত করছে তাতেও তারা মিথ্যাবাদী। (ফাতহুল কাদীর)
(৯০) বরং আমি তো তাদের নিকট সত্য পৌঁছিয়েছি, কিন্তু নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।