ওয়া কুর রব্বি আনঝিলনী মুনঝালাম মুবা-রকাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল মুনঝিলীন।উচ্চারণ
আর বলো, হে পরওয়ারদিগার! আমাকে নামিয়ে দাও বরকতপূর্ণ স্থানে এবং তুমি সর্বোত্তম স্থান দানকারী।” ৩১ তাফহীমুল কুরআন
এবং বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে অবতরণ করাও বরকতময় অবতারণে। আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।মুফতী তাকী উসমানী
আর বলঃ হে আমার রাব্ব! আমাকে এমনভাবে অবতরণ করিয়ে নিন যা হবে কল্যাণকর; আর আপনিই শ্রেষ্ঠ অবতরণকারী।মুজিবুর রহমান
আরও বলঃ পালনকর্তা, আমাকে কল্যাণকর ভাবে নামিয়ে দাও, তুমি শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আরও বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এমনভাবে অবতরণ করাও যা হবে কল্যাণকর; আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতরণকারী।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি আরও বলবে, ‘হে আমার রব, আমাকে বরকতময় অবতরণস্থলে অবতরণ করান। আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ অবতরণকারী’।আল-বায়ান
আর বলো : হে আমার প্রতিপালক! আমাকে কল্যাণকরভাবে নামিয়ে দাও, নামানোতে তুমিই সর্বোত্তম।তাইসিরুল
আর বলো -- 'আমার প্রভু! আমাকে পুণ্যময় অবতরণ করতে দাও, কেননা অবতরণকারকদের মধ্যে তুমিই সর্বশ্রেষ্ঠ’।মাওলানা জহুরুল হক
৩১
নামিয়ে দেয়া মানে নিছক দেয়া নয় বরং আরবী প্রবাদ অনুযায়ী এর মধ্যে “আপ্যায়নের” অর্থও রয়েছে। অন্য কথায় এ দোয়ার অর্থ হচ্ছে, হে আল্লাহ! এখন আমরা তোমার মেহমান এবং তুমিই আমাদের আপ্যায়নকারী মেজবান।
২৯. আরো বলুন, হে আমার রব! আমাকে নামিয়ে দিন কল্যাণকরভাবে; আর আপনিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।
(২৯) আরো বলো, ‘হে আমার প্রতিপালক!(1) আমাকে এমনভাবে অবতারণ কর, যা হবে কল্যাণকর; আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।’(2)
(1) কিশ্তীতে বসে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে, যেহেতু তিনি যালেমদেরকে শেষ পর্যন্ত ডুবিয়ে মেরে তাদের হাত হতে তোমাকে পরিত্রাণ দিলেন। আর কিশ্তী নিরাপদে তীরে ভিড়ার জন্যও দু’আ করবে ও বলবে, ‘আমাকে এমনভাবে অবতারণ কর, যা হবে কল্যাণকর; আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।’
(2) এই সঙ্গে সেই দু’আও পাঠ করা উচিত, যা নবী (সাঃ) যানবাহনে আরোহণ করার সময় পড়তেন। ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, সুবহানাল্লাযী সাখখারালানা হাযা অমা কুন্না লাহু মুকরিনীন। অইন্না ইলা রাবিবনা লামুনক্বালিবূন।’ (সূরা যুখরুফ ১৩-১৪ আয়াত)