قَالَ رَبِّ ٱنصُرۡنِي بِمَا كَذَّبُونِ

ক-লা রব্বিনসুরনী বিমা-কাযযাবূন।উচ্চারণ

নূহ বললো, “হে পরওয়ারদিগার! এরা যে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করছে এ জন্য তুমিই আমাকে সাহায্য করো।” ২৮ তাফহীমুল কুরআন

নূহ বলল, হে আমার প্রতিপালক! তারা যে আমাকে মিথ্যুক সাব্যস্ত করেছে, তাতে তুমিই আমাকে সাহায্য কর।মুফতী তাকী উসমানী

নূহ বলেছিলঃ হে আমার রাব্ব! আমাকে সাহায্য করুন। কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলেছে।মুজিবুর রহমান

নূহ বলেছিলঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে সাহায্য কর; কেননা, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

নূহ্ বলেছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সাহায্য কর, কারণ এরা আমাকে মিথ্যাবাদী বলিতেছে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে সাহায্য করুন। কেননা তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলেছে’।আল-বায়ান

নূহ বলল : ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে সাহায্য কর, কারণ তারা আমাকে মিথ্যেবাদী বলছে।’তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "আমার প্রভু! আমাকে সাহায্য করো তারা আমার প্রতি যা মিথ্যারোপ করছে সেজন্য।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৮

অর্থাৎ আমার প্রতি এভাবে মিথ্যা আরোপ করার প্রতিশোধ নাও। যেমন অন্যত্র বলা হয়েছেঃ

فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانْتَصِرْ (القمر : 10)

“কাজেই নূহ নিজের রবকে ডেকে বললোঃ আমাকে দমিত করা হয়েছে, এমন তুমিই এর বদ্‌লা নাও।” (আল কামার, ১০)

সূরা নূহে বলা হয়েছেঃ

وَقَالَ نُوحٌ رَبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا - إِنَّكَ إِنْ تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوا إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا

“আর নূহ বললোঃ হে আমার পরওয়ারদিগার! এ পৃথিবীতে কাফেরদের মধ্য থেকে একজন অধিবাসীকেও ছেড়ে দিও না। যদি তুমি তাদেরকে থাকতে দাও তাহলে তারা তোমার বান্দাদেরকে গোমরাহ করে দেবে এবং তাদের বংশ থেকে কেবল দূষ্কৃতকারী ও সত্য অস্বীকারকারীরই জন্ম হবে।”´(২৭ আয়াত)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৬. নূহ বলেছিলেন, হে আমার রব! আমাকে সাহায্য করুন, কারণ তারা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করেছে।(১)

(১) অর্থাৎ আমার প্রতি এভাবে মিথ্যা আরোপ করার প্রতিশোধ নিন। যেমন অন্যত্র বলা হয়েছেঃ “কাজেই নূহ নিজের রবকে ডেকে বললেনঃ আমাকে দমিত করা হয়েছে, এখন আপনিই এর বদলা নিন।” (সূরা আল-কামারঃ ১০) অন্যত্র বলা হয়েছেঃ “আর নূহ বললোঃ হে আমার রব! এ পৃথিবীতে কাফেরদের মধ্য থেকে একজন অধিবাসীকেও ছেড়ে দিবেন না। যদি আপনি তাদেরকে থাকতে দেন তাহলে তারা আপনার বান্দাদেরকে গোমরাহ করে দেবে এবং তাদের বংশ থেকে কেবল দুষ্কৃতকারী ও সত্য অস্বীকারকারীরই জন্ম হবে।” (সূরা নূহঃ ২৬–২৭)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৬) নূহ বলেছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সাহায্য কর, কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।’ (1)

(1) ৯৫০ বছর দাওয়াত ও তবলীগের পর শেষ পর্যন্ত প্রভুর নিকট প্রার্থনা জানালেন, ‘আমি অসহায় অতএব তুমি আমার সাহায্য কর।’ (সূরা কামার ১০ আয়াত) মহান আল্লাহ তাঁর দু’আ কবুল করলেন এবং নিজ তত্বাবধানে ও নির্দেশ অনুযায়ী একটি কিশ্তী নির্মাণ করতে আদেশ দিলেন।