ফাতানা-ঝা‘ঊআমরহুম বাইনাহুম ওয়া আছাররুন নাজওয়া-।উচ্চারণ
একথা শুনে তাদের মধ্যে মতবিরোধ হয়ে গেলো এবং তারা চুপিচুপি পরামর্শ করতে লাগলো। ৩৫ তাফহীমুল কুরআন
এর ফলে তাদের মধ্যে নিজেদের করণীয় বিষয়ে বিরোধ দেখা দিল। তারা চুপিসারে পরামর্শ করতে লাগল। #%২৭%#মুফতী তাকী উসমানী
তারা নিজেদের মধ্যে নিজেদের কাজ সম্বন্ধে বিতর্ক করল এবং তারা গোপনে পরামর্শ করল।মুজিবুর রহমান
অতঃপর তারা তাদের কাজে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করল এবং গোপনে পরামর্শ করল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা নিজেদের মধ্যে নিজেদের কর্ম সম্বন্ধে বিতর্ক করল এবং এরা গোপনে পরামর্শ করল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখন তারা নিজদের মধ্যে তাদের কর্ম সম্বন্ধে বাক-বিতন্ডা করল এবং তারা গোপনে পরামর্শ করল।আল-বায়ান
তখন তারা তাদের কাজ-কর্ম নিয়ে নিজেদের মধ্যে বাদানুবাদ করল আর তারা গোপনে পরামর্শ করল।তাইসিরুল
তারপর তারা তাদের নিজেদের মধ্যে তাদের কর্তব্য সন্বন্ধে পর্যালোচনা করল, আর সেই আলোচনাটা গোপন রাখল।মাওলানা জহুরুল হক
৩৫
এ থেকে জানা যায়, এরা মনে মনে নিজেরাই নিজেদের দুর্বলতা অনুভব করছিল। এরা জানতো, হযরত মূসা যা কিছু দেখিয়েছেন তা যাদু নয়। এরা প্রথম থেকেই দোটানা মনোভাব ও ভীতি সহকারে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। তারপর যখন নির্ধারিত সময়ে হযরত মূসা তাদেরকে উচ্চস্বরে আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করে দিলেন তখন অকস্মাৎ তাদের দৃঢ় সংকল্প কেঁপে উঠলো। সম্ভবত তারা এ বিষয়ে মতবিরোধ করে থাকবে যে, এত বড় উৎসব, যেখানে সারা দেশের লোক জমা হয়ে গছে সেখানে খোলা ময়দানে দিনের উজ্জ্বল আলোকে এ প্রতিযোগিতায় নামা ঠিক হবে কি না। যদি এখানে আমরা পরাজিত হয়ে যাই এবং সবার সামনে যাদু ও মু’জিযার ফারাক প্রকাশ হয়ে যায় তাহলে তখন আর করার কিছুই থাকবে না।
হযরত মূসা আলাইহিস সালামের উপদেশ তাদের কারও কারও মনে রেখাপাত করল। তাই প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়ার আগে তারা করণীয় স্থির করার জন্য নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করতে বসল। কেউ কেউ বলল, তাকে তো ঠিক যাদুকর বলে মনে হয় না। আবার কেউ যাদুকর হওয়ার পক্ষেই মত দিল। তাদের সামনে ফির‘আউনের রাজকীয় প্রভাব-প্রতিপত্তি ও প্রলোভনের ব্যাপারটা তো ছিলই। শেষে তারা তাঁর যাদুকর হওয়ার পক্ষেই ঐকমত্য প্রকাশ করল। এ ব্যাপারে যে বিবৃতি তারা দিল, পরের আয়াতে তা ব্যক্ত হয়েছে। -অনুবাদক
৬২. তখন তারা নিজেদের মধ্যে নিজেদের কাজ সম্বন্ধে বিতর্ক করল(১) এবং তারা গোপনে পরামর্শ করল।
(১) মূসা 'আলাইহিস সালাম-এর এসব বাক্য শ্রবণ করে জাদুকরদের কাতার ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং তাদের মধ্যে তীব্র মতভেদ দেখা দিল। কারণ, এ জাতীয় কথাবার্তা কোন যাদুকরের মুখে উচ্চারিত হতে পারে না। এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকেই মনে হয়। তাই তাদের কেউ কেউ বললঃ এদের মোকাবেলা করা সমীচীন নয়। আবার কেউ কেউ নিজের মতেই অটল রইল। (ইবন কাসীর)
(৬২) তারা আপোসে নিজেদের কর্ম সম্বন্ধে বিতর্ক করতে লাগল এবং তারা গোপনে পরামর্শ করল। (1)
(1) মূসা (আঃ)-এর উপদেশে তাদের আপোসে কিছু মতভেদ দেখা দিল। কেউ কেউ চুপিসারে বলতে লাগল, ইনি সত্যিকারেই আল্লাহর নবী না হন। যেহেতু তাঁর কথাবার্তা তো জাদুকরদের মত নয়; বরং নবীদের মত মনে হচ্ছে। আর কেউ এর বিপরীত মত প্রকাশ করল।