قَالَ قَدۡ أُوتِيتَ سُؤۡلَكَ يَٰمُوسَىٰ

ক-লা কাদ ঊতীতা ছু’লাকা ইয়া-মূছা-।উচ্চারণ

বললেন, “হে মূসা! তুমি যা চেয়েছো তা তোমাকে দেয়া হলো। তাফহীমুল কুরআন

আল্লাহ বললেন, হে মূসা! তুমি যা-কিছু চেয়েছ তা তোমাকে দেওয়া হল।মুফতী তাকী উসমানী

তিনি বললেনঃ হে মূসা, তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেয়া হল।মুজিবুর রহমান

আল্লাহ বললেনঃ হে মূসা, তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেয়া হল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তিনি বললেন, হে মূসা! তুমি যা চাহিয়াছ তা তোমাকে দেওয়া হল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘হে মূসা, তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেয়া হল’।আল-বায়ান

তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘হে মূসা! তোমার প্রার্থনা গৃহীত হল।তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "তোমার আরজি অবশ্য তোমাকে মঞ্জুর করা হ’ল, হে মূসা!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. তিনি বললেন, হে মূসা! আপনি যা চেয়েছেন তা আপনাকে দেয়া হলো।(১)

(১) এ পর্যন্ত পাঁচটি দোআ, সমাপ্ত হলো। পরিশেষে আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে এসব দোআ কবুল হওয়ার সুসংবাদ দান করা হয়েছে অর্থাৎ হে মূসা! আপনি যা যা চেয়েছেন, সবই আপনাকে প্রদান করা হল। (দেখুন, ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) তিনি বললেন, হে মূসা! তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেওয়া হল। (1)

(1) এখান হতে বুঝতে পারা যাচ্ছে যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর তোতলামি ভাল করে দিয়েছিলেন। অতএব এটা বলা ঠিক নয় যে, মূসা (আঃ)-এর পুরো তোতলামি দূর হওয়ার দু’আ করেননি, সেই জন্য তা কিছুটা বাকী থেকে গিয়েছিল। থাকল ফিরআউনের এই উক্তি{وَلَا يَكَادُ يُبِينُ}  (এ তো পরিষ্কার কথা বলতেও পারে না।) তা ছিল পূর্ব পরিস্থিতি হিসাবে মূসা (আঃ)-কে তাচ্ছিল্য করার জন্য। (আইসারুত তাফাসীর)