ফাআলক-হা-ফাইযা-হিয়া হাইয়াতুন তাছ‘আ-।উচ্চারণ
সে ছুঁড়ে দিল এবং অকস্মাৎ সেটা হয়ে গেলো একটা সাপ, যা দৌড়াচ্ছিল। তাফহীমুল কুরআন
মূসা সেটি ফেলে দিল। অমনি সেটা ধাবমান সাপ হয়ে গেল।মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর সে তা নিক্ষেপ করল, সাথে সাথে তা সাপ হয়ে ছুটতে লাগল।মুজিবুর রহমান
অতঃপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটাছুটি করতে লাগল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর সে তা নিক্ষেপ করল, সঙ্গে সঙ্গে তা সাপ হয়ে ছুটিতে লাগল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে তা ফেলে দিল; অমনি তা সাপ হয়ে ছুটতে লাগল।আল-বায়ান
তখন সে তা নিক্ষেপ করল, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটোছুটি করতে লাগল।তাইসিরুল
সুতরাং তিনি এটি ছুঁড়ে মারলেন, তখন দেখো! এটি হয়ে গেল একটি সাপ -- ছুটতে লাগল।মাওলানা জহুরুল হক
২০. তারপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, সঙ্গে সঙ্গে সেটা সাপ(১) হয়ে ছুটতে লাগল,
(১) মূসা 'আলাইহিস সালাম-এর হাতের লাঠি আল্লাহর নির্দেশে নিক্ষেপ করার পর তা সাপে পরিণত হয়। এই সাপ সম্পর্কে কুরআনুল করীমের এক জায়গায় বলা হয়েছে (كَأَنَّهَا جَانٌّ) (সূরা আন-নামলঃ ১০, সূরা আল-কাসাসঃ ৩১) আরবী অভিধানে দ্রুত নড়াচড়াকারী সরু সাপকে جَانٌ বলা হয়। অন্য জায়গায় বলা হয়েছে (فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ) (সূরা আল-আ’রাফঃ ১০৭, সূরা আশ-শু'আরাঃ ৩২) অজগর ও বৃহৎ মোটা সাপকে ثُعْبَانٌ বলা হয়। আলোচ্য আয়াতে حَيَّةٌ বলা হয়েছে, এটা ব্যাপক শব্দ। প্রত্যেক ছোটবড়, মোটা-সরু সাপকে حَيَّةٌ বলা হয়। সাপটির অবয়ব ও আকৃতি সম্পর্কিত বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করার অর্থ সম্ভবতঃ এই যে, এটি চিকন সাপের ন্যায় দ্রুতগতিসম্পন্ন ছিল বলে جَانٌ বলা হত। আর আকারে বড় হওয়ায় লোকেরা দেখে ভীষণভাবে ভীত হত বলে ثُعْبَانٌ বলা হত। (ইবন কাসীর)
(২০) অতঃপর সে তা নিক্ষেপ করল, আর সাথে সাথে তা সাপ হয়ে ছুটতে লাগল।