ওয়া তারকনা- বা‘দাহুম ইয়াওমাইযিইঁ ইয়ামূজুফী বা‘দিওঁ ওয়া নুফিখা ফিসসূরি ফাজামা‘না-হুম জাম‘আ-।উচ্চারণ
আর সে দিন ৭৩ আমি লোকদেরকে ছেড়ে দেবো, তারা (সাগর তরংগের মতো) পরস্পরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে আর শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে এবং আমি সব মানুষকে একত্র করবো। তাফহীমুল কুরআন
সে দিন আমি তাদের অবস্থা এমন করে দেব যে, তারা তরঙ্গের মত একে অন্যের উপর আছড়ে পড়বে #%৫৬%# এবং শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সকলকে একত্র করব।মুফতী তাকী উসমানী
সেদিন আমি তাদেরকে ছেড়ে দিব একের পর এক তরঙ্গের আকারে এবং শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে; অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করব।মুজিবুর রহমান
আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেই দিন আমি এদেরকে ছেড়ে দিব এই অবস্থায় যে, একদল আর একদলের ওপর তরঙ্গের ন্যায় পতিত হবে এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। এরপর আমি এদের সকলকেই একত্র করব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর সেদিন আমি তাদেরকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দেব যে, তারা একদল আরেক দলের উপর তরঙ্গমালার মত আছড়ে পড়বে এবং শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সকলকে একত্র করব।আল-বায়ান
আমি তাদেরকে সেদিন এমন অবস্থায় ছেড়ে দেব যে, তারা একদল আরেক দলের উপর তরঙ্গমালার মত পড়বে। আর শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। অতঃপর আমরা সব মানুষকে একসঙ্গে একত্রিত করব।তাইসিরুল
আর সেই সময়ে আমরা তাদের এক দলকে অন্য দলের সাথে যুদ্ধাভিযানে ছেড়ে দেব, আর শিঙায় ফুৎকার দেয়া হবে, তখন আমরা তাদের জমায়েৎ করব এক সমাবেশে।মাওলানা জহুরুল হক
৭৩
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন। কিয়ামতের সত্য প্রতিশ্রুতির প্রতি যুলকারনাইন যে ইঙ্গিত করেছিলেন তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে তার কথাটি বাড়িয়ে এখানে এ বাক্যাংশটি বলা হচ্ছে।
এর দ্বারা কিয়ামতের প্রাক্কালে ইয়াজুজ ও মাজুজের যে ঢল নেমে আসবে তাও বোঝানো হতে পারে আর সে হিসেবে এর ব্যাখ্যা হবে, কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে তারা যখন বের হয়ে আসবে, তখন তাদের অবস্থা হবে বিশৃঙ্খল ভেড়ার পালের মত এবং তারা ঢেউয়ের মত একে অন্যের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়বে অথবা এটাও সম্ভব যে, এর দ্বারা কিয়ামতের সময় মানুষের যে ভীত-বিহ্বল অবস্থা হবে সেটা বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, কিয়ামতের বিভীষিকা দেখে মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কোন সীমা থাকবে না। তারা দিশেহারা হয়ে একে অন্যের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়বে।
৯৯. আর সেদিন আমরা তাদেরকে ছেড়ে দেব এ অবস্থায় যে, একদল আরেক দলের উপর তরঙ্গের ন্যায় আছড়ে পড়বে।(১)। আর শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, অতঃপর আমরা তাদের সবাইকে(২) পুরোপুরি একত্রিত করব।
(১) بعضهم এর সর্বনাম দ্বারা বাহ্যতঃ ইয়াজুজ-মাজুজকেই বোঝানো হয়েছে। তাদের একদল অপরদলের মধ্যে ঢুকে পড়বে- বাহ্যতঃ এই অবস্থা তখন হবে, যখন তাদের পথ খুলে যাবে এবং তারা পাহাড়ের উচ্চতা থেকে দ্রুতবেগে নীচে অবতরণ করবে। (ফাতহুল কাদীর) (উসাইমীন, তাফসীরুল কুরআনিল কারীম)। তাফসীরবিদগণ অন্যান্য সম্ভাবনাও লিখেছেন। যেমন তারা মানুষের সাথে মিশে যমীনের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করবে। (ইবন কাসীর) কারও কারও মতে, এখানে কিয়ামতের সময়ের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। (ইবন কাসীর) কারও কারও মতে, যেদিন বাঁধ নির্মান শেষ হয়েছে সেদিন ইয়াজুজ মাজুজ বাঁধের ভিতরে পরস্পর পরস্পরের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল। (ফাতহুল কাদীর)
(২) فَجَمَعْنَاهُمْ এর সর্বনাম দ্বারা সাধারণ জিন ও মানবজাতিকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দেশ্য এই যে, শিঙ্গায় ফুঁক দেয়ার মাধ্যমে হাশরের মাঠে সমগ্র জিন ও মানুষকে একত্রিত করা হবে। (ফাতহুল কাদীর)
(৯৯) সেই দিন আমি তাদেরকে এক দল অপর দলের উপর তরঙ্গায়িত অবস্থায় ছেড়ে দেব। আর শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে; অতঃপর আমি তাদের সবাইকেই একত্রিত করব।