فَلَمَّا بَلَغَا مَجۡمَعَ بَيۡنِهِمَا نَسِيَا حُوتَهُمَا فَٱتَّخَذَ سَبِيلَهُۥ فِي ٱلۡبَحۡرِ سَرَبٗا

ফালাম্মা-বালাগা-মাজমা‘আ বাইনিহিমা-নাছিয়া-হুতাহুমা-ফাত্তাখাযা ছাবীলাহূফিল বাহরি ছারবা-।উচ্চারণ

সে অনুসারে যখন তারা তাদের সঙ্গমস্থলে পৌঁছে গেলো তখন নিজেদের মাছের ব্যাপারে গাফেল হয়ে গেলো এবং সেটি বের হয়ে সুড়ংগের মতো পথ তৈরি করে দরিয়ার মধ্যে চলে গেলো। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং তারা যখন দুই সাগরের সঙ্গমস্থলে পৌঁছল, তখন উভয়েই তাদের মাছের কথা ভুলে গেল। সেটি সাগরের ভেতর সুড়ঙ্গের মত পথ তৈরি করে নিল। #%৩৮%#মুফতী তাকী উসমানী

তারা যখন উভয়ের সংগমস্থলে পৌঁছল, তারা নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেল; ওটা সুরঙ্গের মত পথ করে সমুদ্রে নেমে গেল।মুজিবুর রহমান

অতঃপর যখন তাঁরা দুই সুমুদ্রের সঙ্গমস্থলে পৌছালেন, তখন তাঁরা নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেলেন। অতঃপর মাছটি সমুদ্রে সুড়ঙ্গ পথ সৃষ্টি করে নেমে গেল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা উভয়ে যখন দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে পৌঁছিল এরা নিজেদের মৎস্যের কথা ভুলে গেল; তা সুড়ংগের মত নিজের পথ করে সমুদ্রে নেমে গেল।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এরপর যখন তারা তাদের দুই সমুদ্রের মিলনস্থলে উপনীত হল, তখন তারা তাদের মাছের কথা ভুলে গেল। ফলে মাছটি নালার মত করে সমুদ্রে তার পথ করে নিল।আল-বায়ান

অতঃপর যখন তারা দু’জনে দুই সমুদ্রের মিলন স্থলে পৌঁছল, তারা তাদের মাছের কথা ভুলে গেল আর সেটি সমুদ্রে তার পথ করে নিল সুড়ঙ্গের মত।তাইসিরুল

এরপর যখন উভয়ে এ দুইয়ের সঙ্গমস্থলে পৌঁছলেন, তাঁরা তাঁদের মাছের কথা ভুলে গেলেন, কাজেই ফাঁক পেয়ে এটি নদীতে তার পথ ধরল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত মূসা আলাইহিস সালাম এক জায়গায় পৌঁছে একটি পাথরের চাঁইয়ের উপর কিছুক্ষণের জন্য ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, এ সময় সঙ্গে আনা মাছটি ঝুড়ির ভেতর থেকে বের হয়ে গেল এবং ঘেঁষড়াতে ঘেঁষড়াতে সাগরে গিয়ে পড়ল। যেখানে সেটি পড়েছিল, সেখানে পানিতে সুড়ঙ্গের মত তৈরি হয়ে গেল এবং তার ভেতর সেটি অদৃশ্য হয়ে গেল। হযরত ইউশা আলাইহিস সালাম তখন জেগেই ছিলেন, তিনি মাছটির এ বিস্ময়কর কাণ্ড দেখতে পাচ্ছিলেন, কিন্তু হযরত মূসা আলাইহিস সালাম ঘুমিয়ে থাকায় তিনি তাঁকে জাগানো সমীচীন মনে করলেন না। তারপর যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালামের ঘুম ভাঙল এবং সামনে এগিয়ে চললেন, তখনও হযরত ইউশা আলাইহিস সালাম তাঁকে সে কথা জানাতে ভুলে গেলেন। তাঁর সে কথা মনে পড়ল যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে নাশতা চাইলেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

৬১. অতঃপর তারা উভয়ে যখন দু’সাগরের মিলনস্থলে পৌঁছল তারা নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেল; ফলে সেটা সুড়ঙ্গের মত নিজের পথ করে সাগরে নেমে গেল।(১)

(১) মাছের সমুদ্রে চলে যাওয়ার কথাটি প্রথমবার سَرَبًا শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ সুড়ঙ্গ। পাহাড়ে রাস্তা তৈরী করার জন্য অথবা শহরে ভূগর্ভস্থ পথ তৈরী করার উদ্দেশ্যে সুড়ঙ্গ খনন করা হয়। এ থেকে জানা গেল যে, মাছটি সমুদ্রের যেদিকে যেত, সেদিকে একটি সুড়ঙ্গের মত পথ তৈরী হয়ে যেত। (দেখুন, ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর) উপরোক্ত হাদীস থেকে তা-ই জানা যায়। দ্বিতীয় বার যখন ইউশা ইবন নূন দীর্ঘ সফরের পর এ ঘটনাটি উল্লেখ করেন, তখন (وَاتَّخَذَ سَبِيلَهُ فِي الْبَحْرِ عَجَبًا) শব্দে বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে عَجَبًا শব্দের অর্থ: আশ্চর্যজনকভাবে। উভয় বর্ণনার মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই। কেননা, পানিতে সুড়ঙ্গ তৈরী হওয়া স্বয়ং একটি অভ্যাসবিরুদ্ধ আশ্চর্য ঘটনা। (ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬১) তারা যখন উভয় (সমুদ্রে)র সঙ্গম স্থলে পৌঁছল, তখন নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেল; অথচ ওটা সুড়ঙ্গের মত পথ করে সমুদ্রে নেমে গেল।