ওয়া তিলকাল কুর আহলাকনা-হুম লাম্মা-জালামূওয়া জা‘আলনা- লিমাহলিকিহিম মাও‘ইদা-।উচ্চারণ
এ শাস্তি প্রাপ্ত জনপদগুলো তোমাদের সামনে আছে, ৫৬ এরা জুলুম করলে আমি এদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম এবং এদের প্রত্যেকের ধ্বংসের জন্য আমি সময় নির্দিষ্ট করে রেখেছিলাম। তাফহীমুল কুরআন
ওইসব জনপদ (যা তোমাদের সামনে রয়েছে) আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দেই, যখন তারা জুলুম অবলম্বন করল। তাদের ধ্বংসের জন্য (-ও) আমি একটি সময় স্থির করেছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী
ঐ সব জনপদ - তাদের অধিবাসীবৃন্দকে আমি ধ্বংস করেছিলাম যখন তারা সীমা লংঘন করেছিল এবং তাদের ধ্বংসের জন্য আমি স্থির করেছিলাম এক নির্দিষ্ট ক্ষণ।মুজিবুর রহমান
এসব জনপদও তাদেরকে আমি ধংস করে দিয়েছি, যখন তারা জালেম হয়ে গিয়েছিল এবং আমি তাদের ধ্বংসের জন্যে একটি প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করেছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
ঐসব জনপদ-এদের অধিবাসীবৃন্দকে আমি ধ্বংস করেছিলাম, যখন এরা সীমালংঘন করেছিল এবং এদের ধ্বংসের জন্যে আমি স্থির করেছিলাম এক নির্দিষ্ট ক্ষণ।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এগুলো সেই জনপদ যেগুলো আমি ধ্বংস করেছি যখন তারা যুলম করেছে এবং আমি তাদের ধ্বংসের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করেছি।আল-বায়ান
ঐ সব জনদপকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম যখন তারা বাড়াবাড়ি করেছিল, আর তাদের ধ্বংস সাধনের জন্য একটা প্রতিশ্রুত সময় স্থির করেছিলাম।তাইসিরুল
আর ঐ সব জনপদ -- আমরা ওদের ধ্বংস করেছিলাম যখন তারা অন্যায়াচরণ করেছিল, আর ওদের ধ্বংসের জন্য আমরা একটি নির্দিষ্ট সময় স্থির করেছিলাম।মাওলানা জহুরুল হক
৫৬
এখানে সাবা, সামূদ, মাদায়েন ও লূতের জাতির বিরাণ এলাকাগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কুরাইশরা নিজেদের বাণিজ্যিক সফরের সময় যাওয়া আসার পথে এসব জায়গা দেখতো এবং আরবের অন্যান্য লোকেরাও এগুলো সম্পর্কে ভালভাবে অবগত ছিল।
৫৯. আর ঐসব জনপদ–তাদের অধিবাসীদেরকে আমরা ধ্বংস করেছিলাম(১), যখন তারা যুলুম করেছে এবং তাদের ধ্বংসের জন্য আমরা স্থির করেছিলাম নির্দিষ্ট সময়।(২)
(১) এখানে আদ, সামূদ ইত্যাদি জাতির বিরাণ এলাকাগুলোর প্রতি ইংগিত করা হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর)
(২) অনুরূপভাবে তোমরাও নবীর বিরোধিতা করে সে ধরনের শাস্তির সম্মুখিন হতে চলেছ। তাদেরকে যেভাবে শাস্তি পেয়ে বসেছে সেভাবে তোমাদেরকেও পাকড়া করতে পারে। কেননা তোমরা সবচেয়ে মহান নবী ও সর্বোত্তম রাসূলের উপর মিথ্যারোপ করছি। তোমরা আমার কাছে তাদের থেকে বেশী ক্ষমতাধর নও। সুতরাং তোমরা আমার আযাব ও ধমকিকে ভয় কর। (ইবন কাসীর)
(৫৯) ঐসব জনপদ; তাদের অধিবাসীবৃন্দকে আমি ধ্বংস করেছিলাম, যখন তারা সীমালংঘন করেছিল এবং তাদের ধ্বংসের জন্য আমি স্থির করেছিলাম এক নির্দিষ্ট ক্ষণ। (1)
(1) এ থেকে আ’দ, সামুদ এবং শুআইব ও লূত عليهما السلام প্রভৃতিদের সম্প্রদায়কে বুঝানো হয়েছে। যারা হিজাযবাসীদের সন্নিকটে এবং তাদের পথের ধারে আবাদ ছিল। তাদেরকেও তাদের যুলুমের কারণে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে ধ্বংস সাধনের পূর্বে তাদেরকে পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অতঃপর যখন এ কথা পরিষ্কার হয়ে গেল যে, তাদের যুলুম ও অবাধ্যতা এমন সীমায় পৌঁছে গেছে, যে সীমায় পৌঁছে যাওয়ার পর হিদায়াতের সমস্ত পথ একেবারে বন্ধ এবং তাদের নিকট থেকে আর কোন কল্যাণের আশা অবর্তমান, তখন তাদের আমলের অবকাশ শেষ হয়ে গেল এবং ধ্বংস আরম্ভ হয়ে গেল। অতঃপর তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হল। আর এটাকে বিশ্ববাসীর জন্য উপদেশ গ্রহণের নমুনা বানিয়ে দিলেন। আসলে মক্কাবাসীদেরকে বুঝানো হচ্ছে যে, তোমরা আমার সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ রসূল মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে মিথ্যাবাদী মনে করছ, তা সত্ত্বেও তোমাদেরকে অবকাশ দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করো না যে, তোমাদেরকে কেউ জিজ্ঞাসাবাদ করার নেই, বরং এই অবকাশ ও ঢিল দেওয়া হল আল্লাহর একটি দস্তর। তিনি প্রত্যেক ব্যক্তি, দল এবং জাতিকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেন। যখন সে সময় শেষ হয়ে যাবে এবং তোমরা কুফরী ও অবাধ্যতা থেকে ফিরে আসবে না, তখন তোমাদের অবস্থাও তাদের থেকে ভিন্ন হবে না, যারা তোমাদের পূর্বে গত হয়েছে।