ওয়া কুল লি‘ইবা-দী ইয়াকূলুল্লাতী হিয়া আহছানু ইন্নাশশাইতা-না ইয়ানঝাগু বাইনাহুম ইন্নাশশাইতা-না ক-না লিলইনছা-নি ‘আদুওওয়াম মুবীনা-।উচ্চারণ
আর হে মুহাম্মাদ! আমার বান্দাদেরকে ৫৭ বলে দাও, তারা যেন মুখে এমন কথা বলে যা সর্বোত্তম। ৫৮ আসলে শয়তান মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। প্রকৃতপক্ষে শয়তান হচ্ছে মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। ৫৯ তাফহীমুল কুরআন
আমার (মুমিন) বান্দাদের বলে দাও, তারা যেন এমন কথাই বলে, যা উত্তম। #%৩৪%# নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করে। নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। #%৩৫%#মুফতী তাকী উসমানী
আমার বান্দাদেরকে যা উত্তম তা বলতে বল; শাইতান তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উস্কানি দেয়; শাইতান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।মুজিবুর রহমান
আমার বান্দাদেরকে বলে দিন, তারা যেন যা উত্তম এমন কথাই বলে। শয়তান তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধায়। নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমার বান্দাদেরকে যা উত্তম তা বলতে বল। নিশ্চয়ই শয়তান এদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উস্কানি দেয় ; শয়তান তো মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমার বান্দাদেরকে বল, তারা যেন এমন কথা বলে, যা অতি সুন্দর। নিশ্চয় শয়তান তাদের মধ্যে বৈরিতা সৃষ্টি করে; নিশ্চয় শয়তান মানুষের স্পষ্ট শত্রু।আল-বায়ান
আমার বান্দাদেরকে বলতে বল এমন কথা যা খুবই উত্তম। শয়তান মানুষের মাঝে ঝগড়া-বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, শয়তান হল মানুষের প্রকাশ্য দুশমন।তাইসিরুল
আর আমার বান্দাদের বল যে তারা যেন কথা বলে যা সর্বোৎকৃষ্ট। নিঃসন্দেহ শয়তান তাদের মধ্যে বিরোধের উসকানি দেয়। শয়তান মানুষের জন্য নিশ্চয় প্রকাশ্য শত্রু।মাওলানা জহুরুল হক
৫৭
অর্থাৎ ঈমানদারদেরকে।
৫৮
অর্থাৎ কাফের ও মুশরিক এবং ইসলাম বিরোধীদের সাথে আলাপ-আলোচনা ও তর্ক-বিতর্ক করার সময় কড়া কথা, বাড়াবাড়ি ও বাহুল্য বর্জন করবে। বিরোধী পক্ষ যতই অপ্রীতিকর কথা বলুক না কেন মুসলামানদের মুখ থেকে কোন ন্যায় ও সত্য বিরোধী কথা বের হওয়া উচিত নয়। ক্রোধে আত্মহারা হয়ে তাদের আজে বাজে বথা বলা শোভা পায় না। ঠাণ্ডা মাথায় তাদের এমন সব কথা বলতে হবে, যা যাচাই বাছাই করা, মাপাজোকা, ওজন করা, সত্য এবং তাদের দাওয়াতের মর্যাদার সাথে সঙ্গতিশীল।
৫৯
যখনই তোমরা বিরোধীদের কথার জবাব দিতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে ক্রোধের আগুন জ্বলে উঠছে বলে মনে করবে এবং মন-মেজাজ আকস্মিকভাবে আবেগ-উত্তেজনায় ভরে যেতে দেখতে পাবে তখনই তোমাদের বুঝতে হবে, তোমাদের বুঝতে হবে, তোমাদের দ্বীনের দাওয়াতের কাজ নষ্ট করার জন্য এটা শয়তানের উস্কানী ছাড়া আর কিছুই নয়। তার চেষ্টা হচ্ছে, তোমরাও নিজেদের বিরোধীদের মতো সংস্কারের কাজ ত্যাগ করে সে যেভাবে মানব গোষ্ঠীকে বিতর্ক-কলহ ও ফিতনা-ফাসাদে মশগুল করে রাখতে চায় সেভাবে তোমরাও তার মধ্যে মশগুল হয়ে যাও।
মুশরিকদের তাচ্ছিল্যভাব ও ব্যঙ্গাত্মক কথা শুনে মুমিনগণ হয়ত কঠোর-কঠিন কথা বলে ফেলত। তাই আদেশ করা হচ্ছে নিজেদের পারস্পরিক কথাবার্তায় তো বটেই, এমন কি বেদীনদের সাথে কথা বলার সময়ও কোমলতা অবলম্বন কর। রূঢ় ও অশালীন ভাষা হতে বেঁচে থেক এবং সর্বাবস্থায় উত্তম ও হৃদয়গ্রাহী কথা বলো। কেননা মনে আঘাত দিয়ে কথা বললে তাদের দ্বারা সত্যগ্রহণ করা দুরূহ হয়ে যাবে। উদ্দেশ্য তো দূরে সরানো নয়; বরং কাছে টানা যাতে তারা সত্যগ্রহণে প্রস্তুত হয়ে যায় আর সেজন্য উত্তম কথাই ফলপ্রসূ। -অনুবাদক
৫৩. আর আমার বান্দাদেরকে বলুন, তারা যেন এমন কথা বলে যা উত্তম। নিশ্চয় শয়তান তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উস্কানি দেয়; নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্ৰকাশ্য শত্ৰু।
(৫৩) আমার দাসদেরকে বল, তারা যেন সেই কথা বলে যা উত্তম।(1) নিশ্চয় শয়তান তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উস্কানি দেয়; (2) নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শক্র ।
(1) অর্থাৎ, আপোসে কথোপকথনের সময় জিহ্বাকে যেন সাবধানে ব্যবহার করে। যেন ভালো কথা বলে। অনুরূপ কাফের, মুশরিক এবং কিতাবধারীদেরকে সম্বোধন করার প্রয়োজন দেখা দিলে, তাদের সাথে করুণাসিক্ত কণ্ঠে ও নরমভাবে কথা বলবে।
(2) তোমাদের প্রকাশ্য ও চিরশত্রু শয়তান তোমাদের জিভের সামান্যতম বিচ্যুতি দ্বারা তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করতে পারে অথবা কাফের ও মুশরিকদের অন্তরে তোমাদের প্রতি আরো বেশী বিদ্বেষ ও শত্রুতা ভরে দিতে পারে। হাদীসে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যেন তার কোন ভাই (মুসলমান)এর প্রতি অস্ত্র দ্বারা ইঙ্গিত না করে। কেননা, সে জানে না, হতে পারে শয়তান তার হাত দ্বারা সেই অস্ত্র চালিয়ে দেবে। (এবং তা সেই মুসলিম ভাইকে গিয়ে লাগবে এবং এতে তার মৃত্যু হয়ে যাবে।) আর এর কারণে সে জাহান্নামের গহ্বরে গিয়ে পড়বে।’’ (বুখারীঃ কিতাবুল ফিতান, মুসলিমঃ কিতাবুল বির্র্)