قَالَ إِنَّكُمۡ قَوۡمٞ مُّنكَرُونَ

ক-লা ইন্নাকুম কাওমুম মুনকারূন।উচ্চারণ

তখন সে বললো, “আপনারা অপরিচিত মনে হচ্ছে।” ৩৬ তাফহীমুল কুরআন

তখন লূত বলল, আপনাদেরকে অপরিচিত মনে হচ্ছে! #%২৩%#মুফতী তাকী উসমানী

তখন লূত বললঃ তোমরাতো অপরিচিত লোক।মুজিবুর রহমান

তিনি বললেনঃ তোমরা তো অপরিচিত লোক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তখন লূত বলল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক’।আল-বায়ান

সে বলল, ‘আপনাদেরকে তো অপরিচিত লোক মনে হচ্ছে।’তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "তোমরা তো অপরিচিত লোক।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৬

এখানে বক্তব্য সংক্ষেপ করা হয়েছে। সূরা হূদে ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তাদের আগমনে হযরত লূত (আ) অত্যন্ত ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। তাঁর মন ভীষণভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। তাদেরকে দেখার সাথে সাথেই তিনি মনে মনে বলতে থাকেন আজ বড় কঠিন সময় এসেছে। তাঁর এ ভয়ের কারণ হিসেবে কুরআনের বর্ণনা থেকে যে ইঙ্গিত এবং হাদীস থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায় তা হচ্ছে এই যে, এ ফেরেশতারা অত্যন্ত সুশ্রী কিশোরদের আকৃতি ধরে হযরত লূতের কাছে এসেছিলেন। এদিকে হযরত লূত (আ) তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের চারিত্রিক দুষ্কৃতি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তিনি আগত মেহমানদেরকে ফিরিয়ে দিতে পারছিলেন না আবার নিজের সম্প্রদায়ের বদমায়েশদের হাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করাও তাঁর পক্ষে কঠিন ছিল। তাই তিনি বড়ই পেরেশান হয়ে পড়েছিলেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত লূত আলাইহিস সালাম নিজ সম্প্রদায়ের কু-স্বভাব সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তারা বহিরাগতদেরকে নিজেদের লালসার শিকার বানাতে চাইত। সঙ্গত কারণেই তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করলেন। হযরত লূত আলাইহিস সালামের এই দুশ্চরিত্র সম্প্রদায়ের ঘটনা সংক্ষেপে সূরা আরাফ (৭ : ৮০)-এর টীকায় উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দ্রষ্টব্য।

তাফসীরে জাকারিয়া

৬২. তখন লুত বললেন, তোমরা তো অপরিচিত লোক।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬২) তখন লূত বলল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’ (1)

(1) ঐ সকল ফিরিশতা সুদর্শন যুবকের বেশে এসেছিলেন এবং লূত (আঃ)-এর জন্য তাঁরা ছিলেন সম্পুর্ণ অপরিচিত। সেই জন্য তিনি তাঁদের সামনে পরিচয়হীনতার কথা প্রকাশ করলেন।