وَنَبِّئۡهُمۡ عَن ضَيۡفِ إِبۡرَٰهِيمَ

ওয়া নাব্বি’হুম ‘আন দাইফি ইবর-হীম।উচ্চারণ

আর তাদেরকে ইবরাহীমের মেহমানদের কাহিনী একটু শুনিয়ে দাও। ৩০ তাফহীমুল কুরআন

এবং তাদেরকে ইবরাহীমের অতিথিদের কথা শুনিয়ে দাও। #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী

আর তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের মেহমানদের সংবাদ দাও।মুজিবুর রহমান

আপনি তাদেরকে ইব্রাহীমের মেহমানদের অবস্থা শুনিয়ে দিন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর এদেরকে বল, ইব্রাহীমের অতিথিদের কথা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে বলঃ ইবরাহীমের অতিথিদের কথা।আল-বায়ান

তাদেরকে ইবরাহীমের মেহমানের কাহিনী জানিয়ে দাও।তাইসিরুল

আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩০

এখানে যে উদ্দেশ্যে হযরত ইবরাহীম এবং তার সাথে সাথে লূতের সম্প্রদায়ের কাহিনী শুনানো হচ্ছে তা অনুধাবন করার জন্য এ সূরার প্রথম দিকের আয়াতগুলো সমানে থাকা প্রয়োজন। প্রথম দিকে ৭ ও ৮ আয়াতে কাফেরদের এ উক্তি উদ্ধৃত করা হয়েছে যে, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতোঃ “যদি তুমি সাচ্চা নবী হয়ে থাকো তাহলে ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে আনছো না কেন?” সেখানে এ প্রশ্নটির নিছক একটি সংক্ষিপ্ত জবাব দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিলঃ “ফেরেশতাদেরকে আমি এমনি অযথা পাঠাই না, যখনই তাদেরকে পাঠাই সত্য সহকারে পাঠাই।” এখন এখানে এর বিস্তারিত জবাব এ দু’টি কাহিনীর আকারে দেয়া হচ্ছে। এখানে তাদেরকে জানানো হচ্ছে যে, একটি “সত্য” নিয়ে ফেরেশতারা ইবরাহীমের কাছে এসেছিল আবার অন্য একটি “সত্য” নিয়ে তারা এসেছিল লূতের সম্প্রদায়ের কাছে। এখন তোমরা নিজেরাই দেখে নাও, ঐ দু’টি সত্যের মধ্য থেকে কোনটি নিয়ে ফেরেশতারা তোমাদের কাছে আসতে পারে? একথা সুস্পষ্ট যে, ইবরাহীমের কাছে যে সত্য নিয়ে তারা এসেছিল সেটি লাভ করার যোগ্যতা তোমাদের নেই। এখন কি যে সত্যটি নিয়ে তারা লূতের সম্প্রদায়ের ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল সেটি সহকারে তোমরা তাদেরকে আনতে চাও?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অতিথি দ্বারা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের কাছে প্রেরিত ফিরিশতাদেরকে বোঝানো হয়েছে। উপরে বলা হয়েছিল, আল্লাহ তাআলার রহমত যেমন সর্বব্যাপী, তেমনি তাঁর শাস্তিও অতি কঠোর। সুতরাং কারও আল্লাহ তাআলার রহমত থেকেও নিরাশ হওয়া উচিত নয় এবং তার শাস্তি থেকেও নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয়। সেই পটভূমিতেই হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের কাছে আগত অতিথিদের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় যেমন আল্লাহ তাআলার রহমতের তেমনি তাঁর কঠিন শাস্তির উল্লেখ রয়েছে। রহমতের বিষয় হল, হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামকে তার পুত্র হযরত ইসহাক আলাইহিস সালামের জন্মের সুসংবাদ দান। ফিরিশতাগণ যখন তাঁর কাছে এ সুসংবাদ নিয়ে আসেন, তখন তিনি বার্ধক্যে উপনীত হয়েছিলেন। সুতরাং এ সুসংবাদ এক বিরাট রহমত বৈ কি! আর শাস্তির ব্যাপার হল এই যে, আগত এই ফিরিশতাদের মাধ্যমে হযরত লূত আলাইহিস সালামের কওমের উপর আযাব নাযিল করা হয়েছিল। ঘটনাটি সূরা হুদে (১১ : ৬৯-৮৩) কিছুটা বিস্তারিতভাবে গত হয়েছে। সেখানে ঐ সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক পরিষ্কার করা হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫১. আর তাদেরকে বলুন, ইবরাহীমের অতিথিদের কথা,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫১) আর তাদেরকে জানিয়ে দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের কথা।