ওয়াল আরদা মাদাদনা-হা-ওয়া আলকাইনা-ফীহা-রওয়া-ছিয়া ওয়া আমবাতনা-ফীহামিন কুল্লি শাইয়িম মাওঝূন।উচ্চারণ
পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি, তার মধ্যে পাহাড় স্থাপন করেছি, সকল প্রজাতির উদ্ভিদ তার মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিমাণে উৎপন্ন করেছি ১৩ তাফহীমুল কুরআন
এবং আমি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছি এবং (তাকে স্থিত রাখার জন্য) তাতে পাহাড় স্থাপিত করেছি। আর তাতে সর্বপ্রকার বস্তু পরিমিতভাবে উদগত করেছি।মুফতী তাকী উসমানী
পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; আমি ওতে প্রত্যেক বস্তু উৎপন্ন করেছি সুপরিমিতভাবে।মুজিবুর রহমান
আমি ভু-পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর পৃথিবী, একে আমি বিস্তৃত করেছি, এতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; এবং আমি এতে প্রত্যেক বস্তু উদ্গত করেছি সুপরিমিতভাবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যমীনকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছি। আর তাতে উৎপন্ন করেছি সকল প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ।আল-বায়ান
আর পৃথিবী, আমি সেটাকে বিছিয়ে দিয়েছি আর তাতে পর্বতরাজি সংস্থাপিত করেছি আর তাতে সকল বস্তু উদগত করেছি যথাযথ পরিমাণে।তাইসিরুল
আর পৃথিবী -- আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।মাওলানা জহুরুল হক
১৩
এর মাধ্যমে আল্লাহর কুদরত, শক্তিমত্তা ও জ্ঞানের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। উদ্ভিদের প্রতিটি প্রজাতির মধ্যে বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা এত বেশী যে, তার যদি শুধু একটি মাত্র চারাকে দুনিয়ায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ দেয়া হয় তাহলে কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর চতুর্দিকে শুধু তারই চারা দেখা যাবে, অন্য কোন উদ্ভিদের জন্য আর কোন জায়গা খালি থাকবে না। কিন্তু একজন মহাজ্ঞানী ও অসীম শক্তিধরের সুচিন্তিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ এ বিশ্ব চরাচরে উৎপন্ন হচ্ছে। প্রত্যেক প্রজাতির উৎপাদন একটি বিশেষ সীমায় পৌঁছে যাওয়ার পর থেমে যায়। এ প্রক্রিয়ার আর একটি দিক হচ্ছে, প্রত্যেক প্রজাতির উদ্ভিদের আয়তন, বিস্তৃতি, উচ্চতা ও বিকাশের একটি সীমা নির্ধারিত আছে। কোন উদ্ভিদ এ সীমা অতিক্রম করতে পারে না। পরিষ্কার জানা যায়, প্রতিটি বৃক্ষ, চারা ও লতাপাতার জন্য কেউ শরীর, উচ্চতা, আকৃতি, পাতা, ফুল, ফল ও উৎপাদনের একটি মাপাজোকা পরিমাণ পুরোপুরি হিসেব ও গণনা করে নির্ধারিত করে দিয়েছে।
কুরআন মাজীদের কয়েক জায়গায় বলা হয়েছে, শুরুতে ভূমিকে যখন সাগরে বিছিয়ে দেওয়া হয়, তখন তা দুলছিল। তাই আল্লাহ তাআলা তাকে স্থির রাখার জন্য পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেন (দেখুন, সূরা নাহল ১৬ : ১৫)।
১৯. আর যমীন, এটাকে আমরা বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; এবং আমরা তাতে প্রত্যেক বস্তু উদগত করেছি সুপরিমিতভাবে,(১)
(১) এর দুটি অর্থ করা হয়ে থাকেঃ এক অর্থ, প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি। এ সব উৎপন্ন বস্তুকে আল্লাহ্ তা'আলা একটি বিশেষ সমন্বয় ও সামঞ্জস্যের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন। দুই, যমীনে তিনি এমন জিনিস তৈরী করেছেন যা ওজন করা যায় এবং পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়। (ইবন কাসীর)
(১৯) পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; আমি ওতে প্রত্যেক বস্তু উদ্গত করেছি সুপরিমিতভাবে। (1)
(1) موزون শব্দটি معلوم এর অর্থে ব্যবহূত, অথবা এর অর্থ, পরিমিত বা প্রয়োজন মত।