رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيَّ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ يَوۡمَ يَقُومُ ٱلۡحِسَابُ

রব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।উচ্চারণ

হে পরওয়াদিগার! যেদিন হিসেব কায়েম হবে সেদিন আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং সমস্ত মুমিনদেরকে মাফ করে দিয়ো।” ৫৩ তাফহীমুল কুরআন

হে আমার প্রতিপালক! যে দিন হিসাব প্রতিষ্ঠিত হবে, সে দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতা #%৩২%# ও সকল ঈমানদারকে ক্ষমা করুন।মুফতী তাকী উসমানী

হে আমার রাব্ব! যেদিন হিসাব হবে সেদিন আমাকে, আমার মাতাপিতাকে এবং মু’মিনদেরকে ক্ষমা করুন।মুজিবুর রহমান

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘হে আমাদের প্রতিপালক! যেই দিন হিসেব অনুষ্ঠিত হবে সেই দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মু’মিনগণকে ক্ষমা কর।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন’।আল-বায়ান

হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব গ্রহণের দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে আর মু’মিনদেরকে ক্ষমা করে দিও,তাইসিরুল

আমাদের প্রভু! আমাকে পরিত্রাণ করো, আর আমার পিতামাতাকেও আর বিশ্বাসিগণকেও -- যেদিন হিসাবপত্র নেওয়া হবে তখন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫৩

হযরত ইবরাহীম (আ) স্বদেশ ভূমি থেকে বের হবার সময় سَأَسْتَغْفِرُ لَكَ رَبِّي (অর্থাৎ “আমি তোমার জন্য আমার রবের কাছে দোয়া করবো।”-তাওবাঃ ১১৪) বলে নিজের বাপের সাথে যে ওয়াদা করেছিলেন তারি ভিত্তিতে তিনি মাগফেরাতের দোয়ার মধ্যে নিজের বাপকেও অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। কিন্তু পরে যখন তিনি অনুভব করলেন যে, তাঁর বাপ তো আল্লাহর দুশমন ছিল তখন আবার সুস্পষ্টভাবে এ থেকে নিজেকে আলাদা করে নিয়েছিলেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এখানে কারও খটকা লাগতে পারে, হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের পিতা আযর তো ছিল কাফের। তা সত্ত্বেও তিনি তার মাগফিরাতের জন্য দু‘আ করলেন কিভাবে? এর উত্তর এই যে, হতে পারে তিনি যখন এ দু‘আ করেছিলেন, তখন কুফর অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটা সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন না। সুতরাং তাঁর দু‘আর অর্থ ছিল, আপনি তাকে ঈমানের তাওফীক দিন, যাতে তা তার মাগফিরাত লাভের কারণ হয়ে যায়। আবার এ ব্যাখ্যাও হতে পারে যে, তখনও পর্যন্ত তাঁকে তার মুশরিক পিতার জন্য দু‘আ করতে নিষেধ করা হয়নি।

তাফসীরে জাকারিয়া

৪১. হে আমাদের রব যেদিন হিসেব অনুষ্ঠিত হবে সেদিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মুমিনদেরকে ক্ষমা করুন।(১)

(১) সবশেষে একটি ব্যাপক অর্থবোধক দোআ করলেন, ‘হে আমার রব! আমাকে আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন ঐদিন, যেদিন হাশরের ময়দানে সারাজীবনের কাজকর্মের হিসাব নেয়া হবে। এতে তিনি মাতা-পিতার জন্যও মাগফেরাতের দোআ করেছেন। অথচ পিতা অর্থাৎ আযর যে কাফের ছিল, তা কুরআনুল কারীমেই উল্লেখিত রয়েছে। সম্ভবতঃ এ দোআটি তখন করেছেন, যখন ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-কে কাফেরদের জন্য দোআ করতে নিষেধ করা হয়নি। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪১) হে আমার প্রতিপালক! যেদিন হিসাব হবে সেদিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে(1) এবং বিশ্বাসীদেরকে ক্ষমা করো।’

(1) ইবরাহীম (আঃ) এই দু’আ তখন করেছিলেন যখন তাঁর কাছে স্বীয় পিতার ব্যাপারে আল্লাহর দুশমন হওয়ার কথা প্রকাশ পায়নি। যখন প্রকাশ পেয়ে গেল যে, তাঁর পিতা আল্লাহর দুশমন, তখন তিনি সম্পর্কছিন্নতা ব্যক্ত করলেন। কেননা যতই নিকটাত্মীয় হোক না কেন, মুশরিকদের জন্য (ক্ষমা প্রার্থনার) দু’আ করা বৈধ নয়।