قَالُواْ نَفۡقِدُ صُوَاعَ ٱلۡمَلِكِ وَلِمَن جَآءَ بِهِۦ حِمۡلُ بَعِيرٖ وَأَنَا۠ بِهِۦ زَعِيمٞ

ক-লূনাফকিদুসুওয়া-‘আল মালিকি ওয়া লিমান জাআ বিহী হিমলুবা‘ঈরিওঁ ওয়া আনা বিহী ঝা‘ঈম।উচ্চারণ

সরকারী কর্মচারী বললো, “আমরা বাদশাহর পানপাত্র পাচ্ছি না,” (এবং তাদের জমাদার বললোঃ) “যে ব্যক্তি তা এনে দেবে তার জন্য রয়েছে পুরস্কার এক উট বোঝাই মাল। আমি এর দায়িত্ব নিচ্ছি।” তাফহীমুল কুরআন

তারা বলল, আমরা বাদশাহর পানপাত্র পাচ্ছি না। #%৪৯%# যে ব্যক্তি সেটি এনে দেবে, সে এক উটের বোঝা (পুরস্কার) পাবে। আমি তার (পুরস্কার প্রাপ্তির) জামিন।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ আমরা রাজার পানপাত্র হারিয়েছি; যে ওটা এনে দিবে সে এক উট বোঝাই মাল পাবে এবং আমি ওর যামীন।মুজিবুর রহমান

তারা বললঃ আমরা বাদশাহর পানপাত্র হারিয়েছি এবং যে কেউ এটা এনে দেবে সে এক উটের বোঝা পরিমাণ মাল পাবে এবং আমি এর যামিন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তারা বলল, ‘আমরা রাজার পানপাত্র হারিয়েছি; যে তা এনে দিবে সে এক উষ্ট্রবোঝাই মাল পাবে এবং আমি এর জামিন।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা বাদশাহ্র পানপাত্র হারিয়েছি, যে তা এনে দেবে, তার জন্য রয়েছে এক উট বোঝাই পুরস্কার। আর আমিই এর যামিন’।আল-বায়ান

তারা বলল- ‘আমরা রাজার পান পাত্র হারিয়েছি, (তাদের প্রধান ব্যক্তি বলল) যে তা এনে দিতে পারবে তার জন্য আছে এক উট-বোঝাই মাল। আর আমিই এ ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।তাইসিরুল

তারা বললে -- "আমরা রাজার পানপাত্র হারিয়েছি, আর যে এটি নিয়ে আসবে এক উট-বোঝাই মাল, আর আমি এরজন্যে জামিন।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এটা ছিল রাজকীয় পানপাত্র এবং বোঝাই যাচ্ছে অতি মূল্যবান ছিল। তা না হলে তার তালাশে এতটা মেহনত করা হত না।

তাফসীরে জাকারিয়া

৭২. তারা বলল, আমরা রাজার পানপত্র হারিয়েছি; যে তা এনে দিবে সে এক উট বোঝাই মাল পাবে(১) এবং আমি সেটার জামিন।(২)

(১) আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কোন নির্দিষ্ট কাজের জন্য মজুরী কিংবা পুরস্কার নির্ধারণ করে যদি এই মর্মে ঘোষণা দান করা হয় যে, যে ব্যক্তি এ কাজ করবে, সে এই পরিমাণ মজুরী কিংবা পুরস্কার পাবে, তবে তা জায়েয হবে; যেমন অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য কিংবা হারানো বস্তু ফেরত দেয়ার জন্য এ ধরনের পুরস্কার ঘোষণা সাধারণভাবে প্রচলিত রয়েছে। (কুরতুবী)

(২) ঘোষণাকারীগণ বললঃ বাদশাহর পানপত্র হারিয়ে গেছে। যে ব্যক্তি তা বের করে দেবে সে এক উটের বোঝাই পরিমাণ খাদ্যশস্য পুরস্কার পাবে এবং আমি এর জামিন। এর দ্বারা বোঝা গেল যে, একজন অন্যজনের পক্ষে আর্থিক অধিকারের জামিন হতে পারে। (কুরতুবী) সাধারণ ফেকাহবিদদের মতে এ ব্যাপারে বিধান এই যে, প্রাপক আসল দেনাদার কিংবা জামিন এতদুভয়ের মধ্যে যে কোন একজনের কাছ থেকে তার পাওনা আদায় করে নিতে পারে। যদি জামিনের কাছ থেকে আদায় করা হয়, তবে সে দেনা পরিমাণ অর্থ আসল দেনাদারের কাছ থেকে নিয়ে নেবে। (কুরতুবী)

ফুদালাহ ইবন উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ “আমি জামিন, আর জামিন যিনি তিনি দায়িত্বগ্রহণকারী। যারা আমার উপর ঈমান এনেছে, আত্মসমৰ্পন করেছে এবং হিজরত করেছে, তাদের জন্য জান্নাতের প্রান্তে একটি এবং জান্নাতের মধ্যভাগেও একটি ঘরের আমি জামিন হলাম বা দায়িত্ব গ্রহণ করলাম।

অনুরূপভাবে যারা আমার উপর ঈমান এনেছে, আত্মসমৰ্পন করেছে এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছে, তাদের জন্য জান্নাতের প্রান্তে একটি এবং জান্নাতের মধ্যভাগে একটি ও জান্নাতের উঁচু কামরায় একটি ঘরের আমি জামিন হলাম বা দায়িত্ব গ্রহণ করলাম, যারা এ কাজ করেছে এমনভাবে যে, যত ভাল কাজ আছে তা করতে কোন প্রকার কসূর করেনি এবং যত খারাপ কাজ আছে তা থেকে পলায়ন করতে যাবতীয় প্রচেষ্টা চালিয়েছে, তার মৃত্যু যেখানেই হোক না কেন।” (নাসায়ীঃ ৬/২১, মুস্তাদরাকে হাকেমঃ ২/৭১)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭২) তারা বলল, ‘আমরা রাজার পানপাত্র (সা’) হারিয়েছি; যে ওটা এনে দেবে, সে এক উট বোঝাই মাল পাবে এবং আমি তার যামিন।’ (1)

(1) অর্থাৎ, আমি এই কথার যামানত দিচ্ছি যে, তল্লাশি চালানোর পূর্বে যে ব্যক্তি এই শাহী পানপাত্র আমাদেরকে ফেরত বা খুঁজে দেবে, তাকে পুরস্কার অথবা পারিশ্রমিক স্বরূপ এতটা পরিমাণ শস্য প্রদান করা হবে, যা একটি উট বহন করতে পারে।