ওয়া লাও শাআ রব্বুকা লাজা‘আলান্না-ছা উম্মাতাওঁ ওয়া-হিদাতাওঁ ওয়ালা-ইয়াঝা-লূনা মুখতালিফীন।উচ্চারণ
অবশ্যই তোমার রব চাইলে সমগ্র মানবজাতিকে একই গোষ্ঠীভুক্ত করতে পারতেন, কিন্তু এখন তারা বিভিন্ন পথেই চলতে থাকবে তাফহীমুল কুরআন
তোমার প্রতিপালক চাইলে সমস্ত মানুষকে একই পথের অনুসারী বানিয়ে দিতেন কিন্তু (কাউকে জোরপূর্বক কোনও দীন মানতে বাধ্য করাটা তাঁর হিকমতের পরিপন্থী। তাই তাদেরকে তাদের ইচ্ছাক্রমে যে-কোনও পথ অবলম্বনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, সুতরাং) তারা বিভিন্ন পথেই চলতে থাকবে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং যদি তোমার রবের ইচ্ছা হত তাহলে তিনি সকল মানুষকে একই মতাবলম্বী করে দিতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে,মুজিবুর রহমান
আর তোমার পালনকর্তা যদি ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই সব মানুষকে একই জাতিসত্তায় পরিনত করতে পারতেন আর তারা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হতো না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলে সমস্ত মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদি তোমার রব চাইতেন, তবে সকল মানুষকে এক উম্মতে পরিণত করতেন, কিন্তু তারা পরস্পর মতবিরোধকারী রয়ে গেছে,আল-বায়ান
তোমার প্রতিপালক চাইলে মানুষকে অবশ্যই এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে।তাইসিরুল
আর যদি তোমার প্রভু ইচ্ছা করতেন তবে তিনি মানবগোষ্ঠীকে অবশ্য এক জাতি বানিয়ে নিতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে, --মাওলানা জহুরুল হক
১১৮. আর আপনার রব ইচ্ছে করলে সমস্ত মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা পরস্পর মতবিরোধকারীই রয়ে গেছে,(১)
(১) এর অর্থ তারা তাদের ধর্ম-বিশ্বাসে বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত হবেই। (ইবন কাসীর) তবে যাদেরকে আপনার প্রভু রহমত করেছেন তাদের ব্যাপারটি ভিন্ন। তারা হচ্ছেন রাসূল যা জানিয়েছেন সেটা অনুসারে তারা চলেছে। তারপর যখন তাদের কাছে সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করলেন, তখন তার অনুসরণ করেছে, তাকে সত্য বলে মেনেছে, তাকে সাহায্য করেছে। এভাবে তারা দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা লাভ করেছে। আর তারাই হচ্ছে মুক্তিপ্রাপ্ত দল। (ইবন কাসীর)
(১১৮) তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলে তিনি সকল মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন। কিন্তু তারা সদা মতভেদ করতেই থাকবে।