فَلَمَّا جَآءَ أَمۡرُنَا جَعَلۡنَا عَٰلِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمۡطَرۡنَا عَلَيۡهَا حِجَارَةٗ مِّن سِجِّيلٖ مَّنضُودٖ

ফালাম্মা-জাআ আমরুনা-জা‘আলনা-‘আ-লিয়াহা-ছা-ফিলাহা-ওয়া আমতারনা‘আলাইহা-হিজা-রতাম মিন ছিজজীলিম মানদূদ।উচ্চারণ

তারপর যখন আমার ফায়সালার সময় এসে গেলো, আমি গোটা জনপদটি উল্টে দিলাম এবং তার ওপর পাকা মাটির পাথর অবিরামভাবে বর্ষণ করলাম, ৯১ তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর যখন আমার হুকুম এসে গেল, তখন আমি সে জনপদের উপর দিককে নিচের দিকে উল্টিয়ে দিলাম #%৫৫%# এবং তাদের উপর থাকে থাকে পাকা মাটির পাথর বর্ষণ করলাম-মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছল, আমি ঐ ভূ-খন্ডের উপরি ভাগকে নীচে করে দিলাম এবং ওর উপর ঝামা পাথর বর্ষণ করতে লাগলাম, যা একাধারে ছিল (বর্ষিত হচ্ছিল),মুজিবুর রহমান

অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নীচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর যখন আমার আদেশ আসল তখন আমি জনপদকে উল্টে দিলাম এবং এদের ওপর ক্রমাগত বর্ষণ করলাম প্রস্তর-কঙ্কর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমার আদেশ এসে গেল, তখন আমি জনপদের উপরকে নীচে উল্টে দিলাম এবং ক্রমাগত পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম,আল-বায়ান

তারপর আমার নির্দেশ যখন এসে গেল, তখন আমি সেই জনপদকে উপর নীচ করে উল্টে দিলাম, আর তাদের উপর স্তরে স্তরে পাকানো মাটির প্রস্তর বর্ষণ করলাম।তাইসিরুল

অতঃপর আমাদের হুকুম যখন এল তখন আমরা এগুলোর উপরভাগ করে দিলাম তাদের নিচেরভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া-মাটির পাথর -- স্তরীভূতভাবে --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৯১

সম্ভবত একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের আকারে এ আযাব এসেছিল। ভূমিকম্প জনবসতিটিকে ওলট-পালট করে দিয়েছিল এবং অগ্নুৎপাতের ফলে তার ওপর হয়েছিল ব্যাপক হারে পাথর বৃষ্টি। “পাকা মাটির পাথর” বলতে সম্ভবত এমন মাটি বুঝানো হয়েছে যা আগ্নেয়গিরির আওতাধীন এলাকার ভূগর্ভস্থ উত্তাপ ও লাভার প্রভাবে পাথরে পরিণত হয়। আজ পর্যন্ত লূত সাগরের (Dead Sea) দক্ষিণ ও পূর্ব এলাকায় এ পাথর বর্ষণের চিহ্ন সর্বত্র সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

বিভিন্ন বর্ণনায় আছে, এসব দুশ্চরিত্র লোক মোট চারটি জনপদে বাস করত। ফেরেশতাগণ সবগুলো জনপদকে একত্রে উৎপাটিত করে শূন্যে নিয়ে গেলেন এবং সেখান থেকে উল্টিয়ে নিচে ছুঁড়ে মারলেন। এভাবে সবগুলো বসতি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেল। অনেকের মতে এ জনপদসমূহের উল্টে যাওয়ার ফলেই মৃত সাগর (Dead Sea) নামক প্রসিদ্ধ সাগরটির সৃষ্টি হয়েছে। তাদের এ মতকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কেননা কোনও বড় সাগরের সাথে এটির কোনও সংযোগ নেই। তাছাড়া যে স্থানে এসব বসতি অবস্থিত ছিল, মৃত সাগর-সংলগ্ন আশপাশের সে এলাকার একটা বৈশিষ্ট্য হল যে, এটি ভূ-পৃষ্ঠের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিচু। পৃথিবীর অন্য কোনও অঞ্চল সমুদ্র-পৃষ্ঠ হতে এতটা নিচু নয়। কুরআন মাজীদে যে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি এ জনপদের উপর দিককে নিচের দিকে উল্টিয়ে দিলাম’, অসম্ভব নয় যে, এর দ্বারা এই ভৌগোলিক অবস্থানের দিকেও ইশারা করা হয়েছে এবং সেই সঙ্গে এটাও বোঝানো হয়েছে যে, জনপদবাসীদের চরম নীচতা ও অধঃপতিত চরিত্রকে দৃশ্যমান আকৃতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৮২. অতঃপর যখন আমাদের আদেশ আসল তখন আমরা জনপদকে উল্টে দিলাম, এবং তাদের উপর ক্রমাগত বর্ষণ করলাম পোড়ামাটির পাথর,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮২) অতঃপর যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছল, তখন আমি ঐ ভূ-খন্ডের উপরিভাগকে নীচে করে দিলাম এবং তার উপর ক্রমাগত ঝামা পাথর বর্ষণ করলাম।