۞إِنَّ شَرَّ ٱلدَّوَآبِّ عِندَ ٱللَّهِ ٱلصُّمُّ ٱلۡبُكۡمُ ٱلَّذِينَ لَا يَعۡقِلُونَ

ইন্না শাররদ্দাওয়াব্বি ‘ইনদাল্লা-হিসসুম্মুল বুকমুল্লাযীনা লা-ইয়া‘কিলূন।উচ্চারণ

অবশ্যি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধরনের জানোয়ার হচ্ছে সেই সব বধির ও বোবা লোক, ১৭ যারা বিবেক-বুদ্ধি কাজে লাগায় না। তাফহীমুল কুরআন

নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম জীব সেই বধির ও বোবা লোক, যারা বুদ্ধি কাজে লাগায় না। #%১১%#মুফতী তাকী উসমানী

আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম জীব হচ্ছে ঐ সব মূক ও বধির লোক, যারা কিছুই বুঝেনা (অর্থাৎ বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগায়না)।মুজিবুর রহমান

নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলার নিকট সমস্ত প্রাণীর তুলনায় তারাই মূক ও বধির, যারা উপলদ্ধি করে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আল্লাহ্ র নিকট নিকৃষ্টতম জীব সেই বধির ও মূক যারা কিছুই বোঝে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম বিচরণশীল প্রাণী হচ্ছে বধির, বোবা, যারা বুঝে না।আল-বায়ান

আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব হচ্ছে যারা (হক্ব কথা শুনার ব্যাপারে) বধির এবং (হক্ব কথা বলার ব্যাপারে) বোবা, যারা কিছুই বোঝে না।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ আল্লাহ্‌র নিকট নিকৃষ্টতম জীব হচ্ছে -- বধির বোবা -- যারা বোঝে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৭

অর্থাৎ যারা সত্য কথা শোনেও না। সত্য কথা বলেও না। যাদের কান ও মুখ সত্যের ব্যাপারে বধির ও বোবা।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

পূর্বের আয়াতে ‘শোনা’ দ্বারা ‘উপলব্ধি করা’ বোঝানো উদ্দেশ্য। অর্থাৎ কাফেরগণ শোনার দাবী করলেও বোঝার চেষ্টা করে না। এ হিসেবে তারা পশুরও অধম। কেননা বাকশক্তিহীন পশু কোন কথা না বুঝলে সেটা নিন্দাযোগ্য নয়, যেহেতু তাদের সে যোগ্যতাই নেই এবং তাদের কাছে এটা দাবীও থাকে না। কিন্তু মানুষের তো বোঝার যোগ্যতা আছে এবং তার কাছে দাবীও রয়েছে যে, সে বুঝে-শুনে ভালো পথ গ্রহণ করুক। তথাপি সে বোঝার চেষ্টা না করলে পশু অপেক্ষাও অধম সাব্যস্ত হবে বৈকি!

তাফসীরে জাকারিয়া

২২. নিশ্চয় আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম বিচরণশীল জীব হচ্ছে বধির, বোবা, যারা বুঝে না।(১)

(১) الدَّوَابِّ শব্দটি دابة এর বহুবচন। অভিধান অনুযায়ী যমীনের উপর বিচরণকারী প্রতিটি জীবকেই دابة বলা হয়। (কাশশাফ) কিন্তু সাধারণ প্রচলন ও পরিভাষায় دابة বলা হয় শুধুমাত্র চতুষ্পদ জন্তুকে। সুতরাং আয়াতের অর্থ দাঁড়ায় এই যে, আল্লাহর নিকট সে সমস্ত লোকই সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ও চতুষ্পদ জীবতুল্য যারা সত্য ও ন্যায়ের শ্রবণের ব্যাপারে বধির এবং তা গ্রহণ করার ব্যাপারে মুক। কারণ আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে হক জানা ও সে পথে চলার জন্য চোখ ও কান দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা সেটা না করে সেগুলোকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করেছে। (সা'দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২২) নিশ্চয় আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম জীব কালা ও বোবা; যারা কিছুই বোঝে না।(1)

(1) এই কথাটিকেই কুরআনের অন্যত্র এভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে।{لَهُمْ قُلُوبٌ لاَّ يَفْقَهُونَ بِهَا وَلَهُمْ أَعْيُنٌ لاَّ يُبْصِرُونَ بِهَا وَلَهُمْ آذَانٌ لاَّ يَسْمَعُونَ بِهَا أُوْلَئِكَ كَالأَنْعَامِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ أُوْلَئِكَ هُمُ الْغَافِلُونَ} অর্থাৎ, তাদের হৃদয় আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্ধি করে না, তাদের চক্ষু আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা দর্শন করে না এবং তাদের কর্ণ আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা শ্রবণ করে না। এরা চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়; বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত! তারাই হল উদাসীন। (সূরা আ’রাফ ১৭৯ আয়াত)