ওয়ালা-তাকূনূকাল্লাযীনা ক-লূছামি‘না-ওয়া হুম লা-ইয়াছমা‘ঊন।উচ্চারণ
তাদের মতো হয়ে যেয়োনা, যারা বললো, আমরা শুনেছি অথচ তারা শোনে না। ১৬ তাফহীমুল কুরআন
এবং তাদের মত হয়ো না, যারা বলে, আমরা শুনলাম কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা শোনে না।মুফতী তাকী উসমানী
তোমরা ঐ সব লোকের মত হয়োনা, যারা বলে - আমরা আপনাদের কথা শুনলাম, কার্যতঃ তারা কিছুই শোনেনা।মুজিবুর রহমান
আর তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা বলে যে, আমরা শুনেছি, অথচ তারা শোনেনা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বলে, ‘শুনলাম’, বস্তুত তারা শোনে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা বলে আমরা শুনেছি অথচ তারা শুনে না।আল-বায়ান
তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা বলেছিল, ‘আমরা শুনলাম’; প্রকৃতপক্ষে তারা শোনেনি।তাইসিরুল
আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা বলেছিল -- "আমরা শুনলাম", কিন্তু তারা শোনে নি।মাওলানা জহুরুল হক
১৬
এখানে শোনা বলতে এমন শোনা বুঝায়, যা মেনে নেয়া ও গ্রহণ করা অর্থ প্রকাশ করে। যেসব মুনাফীক ঈমানের কথা মুখে বলতো কিন্তু আল্লাহর হুকুম মেনে চলতো না এবং তার আনুগত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতো তাদের দিকেই এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
২১. আর তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা বলে, ‘শুনলাম’ আসলে তারা শুনে না।(১)
(১) অর্থাৎ তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা মুখে এ কথা বলে সত্য যে, আমরা শুনে নিয়েছি, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কিছুই শোনেনি। কাজেই তাদের এই শ্রবণ না শোনারই শামিল। মুসলিমদেরকে এদের অনুরূপ হতে বারণ করা হয়েছে। কারণ, ঈমান দাবীর নাম নয়, ঈমান হচ্ছে যা অন্তরে প্রবেশ করে এবং যা সত্য হওয়ার উপর বান্দার আমল প্রমাণ বহন করে। (সা’দী)
(২১) আর তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা বলে, ‘শ্রবণ করলাম’ অথচ তারা শ্রবণ করে না।(1)
(1) অর্থাৎ, শোনার পরও আমল না করা, এটি কাফেরদের অভ্যাস। এই শ্রেণীর অভ্যাস থেকে তোমরা বিরত থাক। পরবর্তী আয়াতে তাদেরকে কালা, বোবা, বিবেকহীন ও নিকৃষ্টতম জীব বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। دَوَاب শব্দটি دَابَّة এর বহুবচন। পৃথিবীতে চলাফেরা করে এ রকম প্রত্যেক জীবকেই دابة বলা হয়। এখানে সৃষ্টিজগতকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, এরা সকল জীব হতে নিকৃষ্ট, যারা সত্যের ব্যাপারে কালা, বোবা ও বিবেকহীন।