ক-লা মূছা-লিকাওমিহিছ তা‘ঈনূবিল্লা-হি ওয়াসবিরূ ইন্নাল আরদা লিল্লা-হি ইউরিছু হা- মাইঁ ইয়াশাউ মিন ‘ইবা-দিহী ওয়াল ‘আ-কিবাতুলিলমুত্তাকীন।উচ্চারণ
মূসা তার জাতিকে বললোঃ “আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও এবং সবর করো। এ পৃথিবী তো আল্লাহরই। তিনি নিজের বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে চান তাকে এর উত্তরাধিকারী করেন। আর যারা তাঁকে ভয় করে কাজ করে চূড়ান্ত সাফল্য তাদের জন্য নির্ধারিত।” তাফহীমুল কুরআন
মূসা নিজ সম্প্রদায়কে বলল, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও ও ধৈর্য ধারণ কর। বিশ্বাস রাখ, যমীন আল্লাহর। তিনি নিজ বান্দাদের মধ্যে যাকে চান এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন, আর শেষ পরিণাম মুত্তাকীদেরই অনুকূলে থাকে।মুফতী তাকী উসমানী
মূসা তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর এবং ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা অবলম্বন কর। এই পৃথিবীর সার্বভৌম মালিক আল্লাহ, তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উহার উত্তরাধিকারী করেন, শুভ পরিণাম ও শেষ সাফল্য লাভ হয় আল্লাহভীরুদের জন্য।মুজিবুর রহমান
মূসা বললেন তার কওমকে, সাহায্য প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট এবং ধৈর্য্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই এ পৃথিবী আল্লাহর। তিনি নিজের বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন এবং শেষ কল্যাণ মুত্তাকীদের জন্যই নির্ধারিত রয়েছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, ‘আল্লাহ্ র নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর আর ধৈর্য ধারণ কর; যমীন তো আল্লাহ্ র ই। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এর উত্তরাধিকারী করেন আর শুভ পরিণাম তো মুত্তাকীদের জন্যে।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মূসা তার কওমকে বলল, ‘আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও এবং ধৈর্য ধারণ কর। নিশ্চয় যমীন আল্লাহর। তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে তিনি চান তাকে তার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন। আর পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য।’আল-বায়ান
মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, ‘তোমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা কর আর ধৈর্য অবলম্বন কর, যমীনের মালিক হলেন আল্লাহ, তিনি তাঁর বান্দাহদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছে করবেন তার উত্তরাধিকারী বানাবেন, কল্যাণময় পরিণাম হচ্ছে মুত্তাকীদের জন্য।’তাইসিরুল
মূসা তাঁর লোকদের বললেন -- "আল্লাহ্র কাছে সাহায্য চাও ও ধৈর্য ধারণ করো, নিঃসন্দেহ পৃথিবী তো আল্লাহ্র, তিনি তার উত্তরাধিকার দেবেন তাঁর বান্দাদের মধ্যের যাদের তিনি পছন্দ করেন। আর পরিণাম হচ্ছে ধর্মপরায়ণদেরই জন্যে।"মাওলানা জহুরুল হক
১২৮. মূসা তার সম্প্রদায়কে বললেন, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও এবং ধৈর্য ধর; নিশ্চয় যমীন আল্লাহরই। তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছে তার ওয়ারিশ বানান। আর শুভ পরিণাম তো মুত্তাকীদের জন্যই।(১)
(১) ফিরআউন মূসা আলাইহিস সালামের সাথে প্রতিদ্বন্ধিতায় পরাজিত হয়ে বনী ইসরাঈলের ছেলেদেরকে হত্যা করে মেয়েদেরকে জীবিত রাখার আইন তৈরী করে দিল। এতে বনী-ইসরাঈলরা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল যে, মূসা আলাইহিস সালামের জন্মের পূর্বে ফিরআউন তাদের উপর যে আযাব চাপিয়ে দিয়েছিল তা আবার চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আর মূসা আলাইহিস সালাম যখন তা উপলদ্ধি করলেন, তখন একান্তই রাসূলজনোচিত সোহাগ ও দর্শনানুযায়ী সে বিপদ থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য তাদেরকে দুটি বিষয় শিক্ষাদান করলেন। (এক) শক্রর মোকাবেলায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা এবং (দুই) কার্যসিদ্ধি পর্যন্ত সাহস ও ধৈর্য ধারণ। সেই সঙ্গে একথাও বাতলে দিলেন যে, এই ব্যবস্থা যদি অবলম্বন করতে পার, তাহলে এ দেশ তোমাদের, তোমরাই জয়ী হবে। আর একথা নিশ্চিত যে, শেষ পর্যন্ত মুত্তাকীরাই কৃতকার্যতা লাভ করে থাকে।
(১২৮) মূসা তাঁর সম্প্রদায়কে বলল, ‘আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর এবং ধৈর্য ধারণ কর, রাজ্য তো আল্লাহরই! তিনি তাঁর দাসদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তার উত্তরাধিকারী করেন এবং সাবধানীদের জন্যই তো শুভ পরিণাম!’ (1)
(1) যখন ফিরআউনের পক্ষ থেকে এই হত্যার অত্যাচার দ্বিতীয়বার শুরু হল, তখন মূসা (আঃ) নিজ জাতিকে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার ও ধৈর্য ধারণ করার উপদেশ দিলেন এবং সান্ত্বনা দিয়ে বললেন যে, তোমরা যদি সঠিক পথে থাক, তাহলে পৃথিবীর শাসন-ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত তোমাদের হাতেই সোপর্দ করবেন।