قَالُوٓاْ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ক-লূআ-মান্না-বিরব্বিল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

তারা বলতে লাগলোঃ “আমরা ঈমান আনলাম বিশ্বজাহানের রবের প্রতি, তাফহীমুল কুরআন

তারা বলে উঠল, আমরা ঈমান আনলাম রাব্বুল আলামীনের প্রতিমুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ আমরা বিশ্বের রবের প্রতি ঈমান আনলাম।মুজিবুর রহমান

বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা সকল সৃষ্টির রবের প্রতি ঈমান আনলাম।আল-বায়ান

তারা বলল, ‘আমরা বিশ্বজগতের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনলাম।তাইসিরুল

তারা বললে -- "আমরা ঈমান আনলাম বিশ্বজগতের প্রভুর প্রতি --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১২১. তারা বলল, আমরা ঈমান আনলাম সৃষ্টিকুলের রবের প্রতি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১২১) তারা বলল, ‘আমরা বিশ্ব প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম। (1)

(1) যাদুকরেরা যাদু ও তার আসলত্বকে ভাল ভাবেই জানত। যখন তারা এ সকল দেখল, তখন তারা জানতে পারল যে, মূসা যা কিছু পেশ করেছেন তা যাদু নয়। তিনি সত্যিই আল্লাহর প্রেরিত দূত এবং তিনি আল্লাহর সাহায্যেই এই মু’জিযা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন; যা মুহূর্তের মধ্যে আমাদের যাদুকে শেষ করে ফেলল। সেই জন্য তারা মূসা (আঃ)-এর উপর ঈমান আনার কথা ঘোষণা করে দিল। এ থেকে এ কথা পরিষ্কার হল যে, অসত্য অসত্যই; তাকে যত শোভনীয়ই করা হোক না কেন। আর সত্য সত্যই; তাকে যতই গোপনে রাখা হোক না কেন। একদিন না একদিন সত্যের বিজয়-ডঙ্কা বেজেই ওঠে।