রব্বি মূছা-ওয়া হা-রূন।উচ্চারণ
যিনি মূসা ও হারুণেরও রব।” ৯১ তাফহীমুল কুরআন
যিনি মূসা ও হারূনের প্রতিপালক।মুফতী তাকী উসমানী
মূসা ও হারূনের রবের প্রতি।মুজিবুর রহমান
যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মূসা ও হারূনের রবের প্রতি।’আল-বায়ান
মূসা আর হারূনের প্রতিপালকের প্রতি।’তাইসিরুল
মূসা ও হারূনের প্রভু।মাওলানা জহুরুল হক
৯১
এভাবে মহান আল্লাহ ফেরাউন ও তার দলবলের ফাঁদে তাদেরকেই আটকে দিলেন। তারা সারা দেশের শ্রেষ্ঠ যাদুকরদের আহবান করে প্রকাশ্য স্থানে তাদের যাদুর প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, এভাবে তারা হযরত মূসার যাদুকর হবার ব্যাপারে জনগণকে নিশ্চয়তা দিতে পারবে অথবা কমপক্ষে তাদেরকে সন্দেহের মধ্যে নিক্ষেপ করতে পারবে। কিন্তু এ প্রতিযোগিতায় পরাজিত হবার পর তাদের নিজেদের আহূত যাদু বিশারদরাই সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত দিয়ে দিল যে, হযরত মূসা (আ) যা পেশ করেছেন তা মোটেই যাদু নয় বরং নিশ্চিতভাবে তা রব্বুল আলামীনের শক্তির নিদর্শন এবং এর ওপর যাদুর কোন প্রভাব ঘটতে পারে না। একথা সুস্পষ্ট যে, যাদুকে যাদুকরদের চাইতে বেশী ভালো করে আর কে জানতে পারে? কাজেই তারা তখন বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সাক্ষ্য দিল যে ওটা যাদু নয়, তখন ফেরাউন ও তার সভাসদদের পক্ষে মূসাকে নিছক একজন যাদুকর বলে জনমনে বিশ্বাস জন্মানো অসম্ভব হয়ে পড়লো।
১২২. মূসা ও হারূনের রব।
(১২২) যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক।’ (1)
(1) যাদুকরেরা সিজদারত অবস্থায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উপর ঈমান আনার কথা ঘোষণা করল। যাতে ফিরআউনের দলের লোকেদের ধোঁকায় পড়ার সম্ভাবনা ছিল যে, তারা ফিরআউনকেই সিজদা করছে। কেননা, তারা তাকে উপাস্য ও প্রতিপালক বলে মান্য করত। সেই জন্য তারা মূসা ও হারূনের প্রতিপালক বলে এ কথা পরিষ্কার করে দিল যে, আমরা এই সিজদা সারা জাহানের প্রতিপালককে করছি, যিনি মূসা ও হারূনের প্রতিপালক; মানুষের বানানো কোন প্রতিপালককে নয়।