ওয়া ইন ক-না তাইফাতুম মিনকুম আ-মানূবিল্লাযীউরছিলতুবিহী ওয়া তাইফাতুল লাম ইউ’মিনূফাসবিরূহাত্তা-ইয়াহকুমাল্লা-হু বাইনানা- ওয়া হুওয়া খাইরুল হাকিমীন।উচ্চারণ
যে শিক্ষা সহকারে আমাকে পাঠানো হয়েছে, তোমাদের মধ্য থেকে কোন একটি দল যদি তার প্রতি ঈমান আনে এবং অন্য একটি দল যদি তার প্রতি ঈমান না আনে তাহলে ধৈর্যসহকারে দেখতে থাকো, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেন। আর তিনিই সবচেয়ে ভাল ফায়সালাকারী। তাফহীমুল কুরআন
আমার মাধ্যমে যা পাঠানো হয়েছে, তাতে যদি তোমাদের এক দল ঈমান আনে এবং অন্য দল ঈমান না আনে, তবে সবর কর, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেন। #%৫০%# আর তিনি শ্রেষ্ঠতম ফায়সালাকারী।মুফতী তাকী উসমানী
আমার নিকট যা (আল্লাহর পক্ষ হতে) প্রেরিত হয়েছে তা যদি তোমাদের কোন দল বিশ্বাস করে এবং কোন দল অবিশ্বাস করে তাহলে ধৈর্য ধারণ কর যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের মধ্যে চুড়ান্ত ফাইসালা করে দেন। তিনিই হলেন উত্তম ফাইসালাকারী।মুজিবুর রহমান
আর যদি তোমাদের একদল ঐ বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে যা নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি এবং একদল বিশ্বাস স্থাপন করে যা নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি এবং একদল বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে ছবর কর যে পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের মধ্যে মীমাংসা না করে দেন। তিনিই শ্রেষ্ট মীমাংসাকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘আমি যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছি তাতে যদি তোমাদের কোন দল ঈমান আনে এবং কোন দল ঈমান না আনে তবে ধৈর্য ধারণ কর, যতক্ষণ না আল্লাহ্ আমাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেন; আর তিনিই শ্রেষ্ঠ মীমাংসাকারী।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছি, তার প্রতি যদি তোমাদের একটি দল ঈমান আনে আর অন্য দল ঈমান না আনে, তাহলে ধৈর্যধারণ কর, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের মধ্যে ফয়সালা করেন। আর তিনি উত্তম ফয়সালাকারী।আল-বায়ান
‘আমি যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছি তাতে যদি তোমাদের একদল ঈমান আনে আর একদল ঈমান না আনে, তাহলে ধৈর্য ধারণ কর যে পর্যন্ত না আল্লাহ আমাদের আর তোমাদের মাঝে মীমাংসা করে দেন, তিনি হলেন সর্বোত্তম মীমাংসাকারী।’তাইসিরুল
আর যদি তোমাদের একদলও বিশ্বাস করে আমাকে যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে তাতে, আর একদল বিশ্বাস করে না, তখন ধৈর্য ধরো যে পর্যন্ত না আল্লাহ্ আমাদের উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দেন, আর তিনিই বিচারকর্তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।মাওলানা জহুরুল হক
প্রকৃতপক্ষে এটা তাদের একটি কথার উত্তর। তারা বলত, আমরা তো মুমিন ও কাফেরদের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি না। যারা ঈমান আনেনি, তারাও সুখণ্ডসাচ্ছন্দ্যের ভেতর জীবন যাপন করছে। তাদের পথ যদি আল্লাহর পছন্দ না হত, তবে তাদেরকে তিনি এমন সুখের জীবন দেবেন কেন? উত্তর দেওয়া হয়েছে যে, বর্তমানের সুখণ্ডসমৃদ্ধি দেখে এই ধোঁকায় পড়া উচিত নয় যে, অবস্থা সর্বদা এমনই থাকবে। আগামীতে আল্লাহ তাআলার ফায়সালা কী হয় সেই অপেক্ষা কর।
৮৭. আমি যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছি তাতে যদি তোমাদের কোন দল ঈমান আনে এবং কোন দল ঈমান না আনে, তবে ধৈর্য ধর, যতক্ষন না আল্লাহ আমাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেন, আর তিনিই শ্ৰেষ্ঠ ফয়সালাকারী।
(৮৭) আমি যা দিয়ে (আল্লাহর পক্ষ হতে) প্রেরিত হয়েছি, তাতে যদি তোমাদের একটি দল বিশ্বাস করে এবং একটি দল বিশ্বাস না করে, তাহলে তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেন, আর তিনিই শ্রেষ্ঠ ফায়সালাকারী। (1)
(1) এটা কুফরীর উপর ধৈর্য ধরার নির্দেশ নয়, বরং তার জন্য ধমক ও কঠিন হুমকি। কারণ, হকপন্থীদেরকে বাতিলপন্থীদের উপর বিজয়ী করাই হয় আল্লাহ তা’য়ালার শেষ ফায়সালা। এটা ঠিক এই ধরনের যেমন অন্যত্র বলেছেন, {فَتَرَبَّصُوا إِنَّا مَعَكُمْ مُتَرَبِّصُونَ} "সুতরাং তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ।" (সূরা তাওবাহ ৫২ আয়াত)