user-avatar

Rajesh Dey

◯ RajeshDey

RajeshDey এর সম্পর্কে
I'm Rajesh.And worked at GSL.Writing is my passion.
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
বিবাহিত
হিন্দুধর্ম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 801 বার দেখা হয়েছে এই মাসে 507 বার

২ থেকে আড়াই হাজারের মধ্যে আপনি ডাক্তার আর চশমার খরচ সামলে নিতে পারবেন.. 

 সাধারণত ভার্জিন ছেলে চেনার কোন লক্ষণ নেই। একটি ছেলে বিয়ের আগে যতই সেক্স করুক না কেন, সেই ছেলে ভার্জিন কিনা তা বোঝার উপায় নেই।

তাই সমাজে কখনোই ছেলেদের ভার্জিনিটি নিয়ে কোন প্রশ্ন ওঠে না। তবুও নিম্নে ভার্জিন ছেলে চেনার কয়েকটি উপায় দেয়া হলো।

১। আপনার একটু ছোঁয়া পাওয়ার জন্য পাগলের মত করবে এবং ছেলেটি অল্পতেইপ্রচন্ড উত্তেজিতহয়ে যাবে।
২। আপনার সাথে যৌন মিলন করার জন্য অনেক বেশি তাড়া হুড়া করবে। সহবাস করার জন্য বার বার আপনাকে রিকুয়েস্ট করবে।
৩। তবে তার অতিদ্রুত বীর্যপাতহবে।
৪। কিস করা, ব্রেস্ট নিয়ে খেলা করার দিকে নজর দিবে না।
৫। ছেলেটি মেয়েটির শরীর স্পর্শ করতে লজ্জা বা ভয় পাবে। যদি ছেলেটি মেয়েটিকে একবার স্পর্শ করে, তাহলে পাগলের মতো স্পর্শ করতে থাকবে।
৬। ছেলেটি মেয়েটির সাথেশারীরিক সম্পর্কশুরু করার আগে মেয়েটির অনুমতি নিবে। অনুমতি পেলে কি করবে, না করবে সে নিজেই খেয়াল রাখতে পারবে না।

উপরোক্ত বিষয়গুলো যদি কোন ছেলের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক শুরু করার ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাহলে ছেলেটিকে আপাতদৃষ্টিতে ভার্জিন বলা যায়।

বিঃ দ্রঃ তবে কোন ছেলের ভার্জিনিটি আছে নাকি নেই, তা বোঝার কোন উপায় নেই।


ভালোবাসা

RajeshDey
Sep 24, 09:23 AM

ভালোবাসা নিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, `ভালোবেসে সখি নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখ তোমার মনেরও মন্দিরে।' তিনি এই ধরনের কথা বলেছিলেন কেননা আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয় এবং বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া হয়। যার নামটি মনের মন্দিরে লিখে রাখে মানুষ থাকেই ভালোবাসে। আর এই ভালোবাসার জন্য আপনার কাছে মনে হতে পারে পৃথিবী অনেক সুন্দর।

কাউকে ভালোবাসা আর কারো প্রতি প্রেমে পড়া আসলে এক বিষয় নয়। কাউকে ভালবাসা এবং কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া একই রকম অনুভূতি কিন্তু তার মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল্যবান পার্থক্য রয়েছে।

কারো প্রতি প্রেমে পড়া বলতে বোঝায়, কারো মায়ায় পড়া, কাউকে নিজের করে কাছে পাওয়ার অনুভূতি এবং তাকে নিজের কাছে পাওয়ার এক আকাঙ্ক্ষা তৈরি হওয়া। আর কাউকে ভালোবাসা মানে শারীরিক সম্পর্ক উপেক্ষা করে কাছে পাওয়ার অনুভূতি। তাহলে জেনে নিন কাউকে ভালোবাসা এবং কারো প্রতি প্রেমে পড়া মধ্যে কয়েকটি পার্থক্যর কথা-

১. প্রেম তৈরি হয়:

প্রেম পুরোপুরি মানসিক বিষয়। এটি মানুষের মনে তৈরি হয়। আপনি ইচ্ছা করলেই কারো প্রেমে পড়তে পারবেন না যদি আপনার মন সেটিকে মেনে না নেয়। প্রেম এমন একটি শক্তি যা আপনার সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যাবে। আর তখন আপনার মনের নির্দেশনা আপনি শুনতে বাধ্য হয়ে যাবেন। এটি আপনাকে বিষ্মিত করে দেবে। প্রেম কখন যে হয়ে যাবে আপনি তা বুঝতেও পারবেন না। কারণ এটি অনেক দ্রুত হয়। সবার অজান্তে হয়।

২. কারো প্রেমে পড়া বা কাউকে ভালোবাসা মানে তাকে প্রথম স্থানে রাখা:

আপনি যাকে ভালোবাসেন বা যার প্রেমে পড়েছেন তাকে অবশ্যই আপনাকে সবার আগে স্থান দিতে হবে। এই ক্ষেত্রে দু’টি বিষয়ই একি রকম। আপনি যাদের ভালোবাসেন তাদের জন্য আপনি সব কিছুই করার চেষ্টা করবেন। তাদের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সবার আগে আপনি এগিয়ে আসবেন এবং পূরণ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। আর আপনাকে যিনি ভালোবাসবেন তিনিও এরকমটাই পেতে চাইবেন। তবে আপনি যার প্রেমে পড়েছেন তিনি আপনাকে সাবার আগে প্রথম স্থানে নাও রাখতে পারে।

৩. অধিকার ও অংশীদারিত্বের মধ্যে পার্থক্য:

আপনার বাবা-মা আপনাকে ভালোবাসে কারণ তাদের আপনার প্রতি অধিকার রয়েছে। আপনিও আপনার ভাই-বোন এবং ভালো বন্ধুদের ভালোবাসেন। কিন্তু আপনি যখন আপনার কোনো ভালো বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান বা তার প্রেমে পড়ে যান তখন আপনার মনে হতে পারে অংশীদারিত্বের কথা। আপনি যখন কারো প্রেমে পড়বেন তখন তাকে বিশ্বাস করবেন। সেই সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে তার মতোই আপনার প্রতিক্রিয়াও সমান হবে। কারো সঙ্গে সম্পর্ক করার মানে হচ্ছে অধিকারের চেয়েও একটু বেশি।

ক্লিনিকাল মনোবিজ্ঞানী ডা. জোশুয়া ক্লাপাও বলেন, আপনি সঙ্গীর যত্ন নিচ্ছেন কিন্তু সেগুলো কামনা করেন না, তার যত্ন নিচ্ছেন কিন্তু কাছে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না, সঙ্গীর যত্ন নিচ্ছেন কিন্তু কোনো কিছুই তার সঙ্গে শেয়ার করতে চান না; তাহলে বুঝবেন আপনি আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসেন কিন্তু তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেননি।

৪. কারো প্রেমে পড়া মানে তার সুখের জন্য সবকিছু করা:

আপনি যখন কারো সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন বা প্রেমে পড়েন তখন আপনি তার জন্য সবকিছু করতে চেষ্টা করেন। আপনি তার সঙ্গে থাকতে চেষ্টা করেন। কখনো তার কাছ থেকে আলাদা হতে চান না। যাইহোক আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে অবশ্যই ব্যক্তগত স্বাধীনতা দেবেন। তার উচিত হবে না আপনার কাছে কোনো বিষয় নিয়ে আটকে থাকা। আবার তাকে সব সময়ই কাছে পাওয়ার আশাটুকুও বিসর্জন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং সুখি জীবনযাপন করার জন্য আপনার সঙ্গীকে অবশ্যই সুযোগ দিতে হবে। আর এই বিষয়টি আপনাকে মেনে নিতে হবে।

৫. কারো প্রেমে পড়া সব সময়ের:

কারো প্রেমে পড়া সব সময়ের জন্যই। আর কাউকে ভালোবাসা যেকোনো সময় শেষ হয়ে যেতে পারে। আপনি যাকে ভালোবাসেন তিনি আপনার সঙ্গে যোকোনো বিষয় নিয়ে মারামারি শুরু করে দিতে পারে। এই সম্পর্কটি হতে পারে অস্থায়ী। কিন্তু কারো সঙ্গে সম্পর্কে গড়ে তুলা বা প্রেমে পড়াটা এতোটা অস্থায়ী নয়। এই ধরনের সম্পর্ক যেকোনো খারাপ সময় এবং মারামারির মধ্যে শেষ হয়ে যাবে না। যদি আপনি সত্যিকার অর্থে কারো প্রেমে পড়েন তাহলে আপনারা সুখি হতে চেষ্টা করবেন। এই সম্পর্কে আপনাকে কোনো সময়ই মেকিভাব নিয়ে থাকতে হবে না। কারণ এই সম্পর্কে আপনি সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসেন।

সবশেষে বলা যায়, ভালোবাসা হলো এমন একটি শর্ত যা অন্য একজন বা একাদিক ব্যক্তির সুখ আপনার নিজের জন্য দরকার। আর এর ফলেই আপনি কেবল সুখি হতে পারবেন।


দৃষ্টিভঙ্গি

RajeshDey
Sep 24, 09:15 AM

একজন মানুষ যখন পুকুরে নামতে গিয়ে পা পিছলে পানিতে পড়ে যায়,তখন তিন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গী পরিলক্ষিত হয়।একদল লোকটির পড়ে যাওয়া দেখে হাসে, আরেক দল দুঃখ প্রকাশ করে চলে যায়, এবং আরেক দল লোকটিকে টেনে তুলে।ঘটনা একটাই,দৃষ্টিভঙ্গী তিনরকম।
জীবনটাও এরকম,আপনি যেই দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে দেখবেন, জীবনও একই দৃষ্টিভঙ্গীতে আপনার কাছে প্রকাশিত হবে...


প্রতীক্ষা

RajeshDey
Sep 24, 09:11 AM

প্রতীক্ষা কখনো পরিবেশের দ্বারা থেমে থাকতে পারে না।তোর সাথে কাটানো সময়গুলো আজও থেমে থেমে মনে পড়ে।মিস্ করি তোর মন খারাপের সময় তোকে বলা মন ভোলানো কথা।সেই ২০১৩ সাল থেকে গড়ে উঠা সম্পর্কটা এখনো ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে।তুই আমাকে দাদা বলিস বলেই সম্বোধনটা তুই করে করা।তোর সাথে হয়তো আমার সম্পর্কটা বন্ধুর চেয়ে কিছুটা বেশি।অনেকদিন ধরেই তোর সাথে দেখা করার জন্য মনটা উতলা হয়েছিল,
মাঝখানে তোর অসুস্থতা আমাকেও চিন্তিত করেছিল।তোর বিরক্তিকর মন্তব্যগুলো আমাকে কখনো উত্তেজিত করতে পারে নি।
পৃথিবী পাল্টে যাচ্ছে তবু দুজন আগের মতোই রয়ে গেছি, কোন পরিবর্তন আমাদের স্পর্শ করতে পারে নি.....
সম্পর্কের টানে তোকে আমি প্রচন্ড মিস্ করি।এখন পরিবারের জন্য তোর হয়তো সময় হয় না,আমিও তোর থেকে স্থান বদলে দুরে আছি,কিন্তু মনের মধ্যে যে ভালোবাসা তোর জন্য ছিল তা এখনো অটুট।
ভালো থাকিস ভাই,পরিবার নিয়ে.....
মন চাইলেই চলে আসিস তোর যখন ইচ্ছা হবে...


প্রয়োজনে আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে।

শরীরে হালকা জ্বর, খুশ খুশ করে কাশছেন—সন্দেহ হতে পারে, করোনা নয় তো? কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই করোনার কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড–১৯–এর প্রকাশ ঘটে জ্বরের মাধ্যমে। এমন অবস্থায় কী করবেন? জ্বর হলেই হাসপাতালে ছুটবেন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না, জ্বর হলেই হাসপাতালে ছোটার দরকার নেই। কারণ এই রোগ খুবই সংক্রামক। এতে একজন থেকে অন্যজন, এমনকি হাসপাতালের অন্য রোগীরাও আক্রান্ত হতে পারেন।

তাহলে এমন অবস্থায় করণীয় কী? সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) বলছে, সন্দেহভাজন রোগীকে প্রাথমিকভাবে ঘরেই থাকতে হবে।

এই রোগ নিয়ে এত আতঙ্কের কারণ হচ্ছে এখন পর্যন্ত এর কোনো টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। চিকিৎসার শরু হয় লক্ষণ দেখে। আইইডিসিআরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষণ হয় জ্বর। এ ছাড়া শুকনো কাশি বা গলাব্যথা হতে পারে।

এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির অন্য রোগ, যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগ, কিডনির সমস্যা, ক্যানসার ইত্যাদি থাকলে অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হতে পারে।

প্রতিষেধক না থাকায় এর প্রতিরোধে সচেতন হওয়াই এখন পর্যন্ত কার্যকর উপায়। এ জন্য ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে, অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে, ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন—এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে, অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে, মাছ-মাংস ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।

এ ছাড়া যতটা সম্ভব ঘরে থাকতে হবে, প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়া ও জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। আর এই মুহূর্তে বিদেশ থেকে কেউ এলে তাঁকে বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

কারও জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে ফোনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হবে। এরপরও অবস্থার উন্নতি না হলে বা কারও মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দিলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাক-মুখ ঢেকে (মাস্ক ব্যবহার) বাড়িতে অপেক্ষা করতে হবে। অবস্থা খারাপ হলে নিকটস্থ সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।


সবাই যে যার মতো হয়ে থাকতে পছন্দ করছে,প্রতিবেশীরা কেউ কারো খবর নিচ্ছে না,হাসছে না, মিশছে না…! মুখ গোমড়া করে পাশ কেটে চলে যাচ্ছে,পাছে কিছু বলতে হবে বলে।মনেহচ্ছে নিজ দেশে নির্বাসনে আছি।সবার মাঝে কেবল হিংসুটে ভাব,
এসব কেবলই মহামারির প্রভাব। কিন্তু যারা প্রকৃতই হিংসুক তারা কি করছে এই সময়ে??
জানেন কি তারা কি করছে???
তাদের তো এই মহামারীর জন্য বিশাল আয়োজন। দেখে মনেহয় পৃথিবীতে তারাই একমাত্র স্বাস্থ্য সচেতন,পৃথিবীর সব প্রাণী মরে গেলেও যেন তাদেরই বাঁচতে হবে,আর চাল চলনের ভাবে মনেহয় তারাই পৃথিবীর একমাত্র শিক্ষিত ব্যক্তি…
শিক্ষার কিছু সংজ্ঞা হলো…
উপনিষদে বলা হয়েছে, শিক্ষা মানুষকে সংস্কারমুক্ত করে তোলে।
ঋগবেদে বলা হয়েছে– শিক্ষা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী এবং আত্মত্যাগী করে তোলে।
কৌটিল্যের মতে— শিক্ষা হলো শিশুকে দেশ বা জাতিকে ভালোবাসার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কৌশল।
এই মহামারীতে কত হাজারো লোক কষ্টে আছে,
কত হাজারো মানুষ হতাশার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে তাদের খোঁজ কেউ রাখছে না।হিংসুটে আবহাওয়া সবাইকে আলাদা করে দিচ্ছে।জানিনা কবে সব স্বাভাবিক হয়ে সকলের মুখে হাসি ফুটবে।হতাশা থেকে বেরিয়ে জীবনের জয়গান করবে।সেই দিনের অপেক্ষায় আছি……

ভালোবাসা

RajeshDey
Sep 17, 05:29 PM

সব ভালোবাসা আকাশ ছুঁতে পারে না।সব আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসায় সূর্য সবসময় অমলিন থাকে না।তবুও মানুষ ভালোবাসে, ভালোবাসায় ভালোবাসার অজানা খেয়ালে......

ভালোবাসা একটা নেশা,যারা ভালোবাসতে জানে তারা শুধুই ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষটাকে জড়িয়ে রাখে, আদরে, স্নেহে এবং নিস্বার্থ ভালোবেসে...

পয়েন্ট কত কোথায় গিয়ে দেখতে হয়?

কত পয়েন্ট সমান কত টাকা?

গণতন্ত্র মোট কয়টি পদ্ধতিতে কার্যকর হয় ?


How much point equal to BDT 01 ?

RajeshDey
Sep 17, 10:52 AM

How to transfer money(BDR) from  payoneer Account?