ASEmonrand1

ASEmonrand1

ASEmonrand1

Chocolate0
Coffee0
Ice-cream0
Burger0

About ASEmonrand1

Experience and Highlight
Unspecified
Services
Work Experiences
Skills
Language
Trainings
Education
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 36.94k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 36.94k বার
18 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 29.05k বার
7 টি উত্তর দেখা হয়েছে 7.90k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন
পাকিস্তান ৩৮৫/৭ বনাম বাংলাদেশ ২০১০ সালে
পৃথিবীর মোট ধর্মের সংখ্যাটা জানলে আপনি খুবই অবাক হবেন। Adherents.com এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে মোট ধর্মের সংখ্যা ৪,৩০০। তবে সংখ্যাটা এর বেশিও হতে পারে। একটি পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিশ্বে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীর সংখ্যার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে খ্রীস্টান ধর্ম। ২০১৩ সনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীর সাত'শ কোটি মানুষের মধ্যে খ্রীস্টান ধর্ম অনুসারী ৩৩%। সে হিসেবে সারা বিশ্বে খ্রীস্টান ধর্মালম্বীদের সংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি। এর পরের অবস্থান ইসলাম ধর্মের। বিশ্বজুড়ে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ১৫০ কোটি। সাত’শ কোটি মানুষের মধ্যে মুসলমান তথা ইসলাম ধর্মের অনুসারী হচ্ছে ২১ শতাংশ। পৃথিবীতে দ্রুত সম্প্রসারমান ধর্মের মধ্যে ইসলাম ধর্ম এক নম্বরে। ধারনা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে ইসলাম ধর্ম পৃথিবীতে প্রথম স্থানে উঠে আসবে। ধর্মের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থান হিন্দু ধর্মের। এর অনুসারীর সংখ্যা ৯০ কোটি। শতাংশের হিসাবে হিন্দু ধর্ম অনুসারী পৃথিবীতে ১৪%। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, নাস্তিক, অধর্মীয় বা ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের সংখ্যা কিন্তু পৃথিবীতে কম নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এদের সংখ্যা প্রায় ১১০ কোটি। শতাংশ হিসাব করলে প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ। এছাড়া পৃথিবীতে চীনা ঐতিহ্যগত ধর্মের অনুসারী ৩৯ কোটি ৪০ লাখ, বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ৩৭ কোটি ৬০ লাখ এবং আদিম আদিবাসী ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা ৩০ কোটি।
আমরা খাবার বলি বা ওষুধ বলি, যেকোনো কিছু আমরা মুখে গ্রহণ করি, সেগুলো কিন্তু লিভার হয়ে আমাদের রক্তে মিশ্রিত হয়ে, হয় শক্তি তৈরি করে, নয়তো প্রতিদিনের যে ক্ষতি হয়, সেগুলোকে পূর্ণ করে। যখন খাবার গ্রহণ করি, তখন কার্বোহাইড্রেটগুলোকে লিভার জমিয়ে রাখে। যখন আমরা না খেয়ে থাকব, বিশেষ করে রোজার মাসে, তখন কিন্তু গ্লাইকোজেন- যেটা জমিয়ে রেখেছিল, সেগুলোকে খরচ হিসেবে ধরে। লিভার শর্করাকে জমা রাখে। প্রয়োজনে একে ভাঙে। রক্ত যে জমাট বাঁধে, লিভার কোয়াগুলেশন ফ্যাক্টর, এর উপাদানগুলো তৈরি হয়। আরেকটি জিনিস একমাত্র লিভারেই তৈরি হয়, অ্যালবুমিন। এটা আমাদের দেহের জন্য অবশ্যই দরকারি। না হলে আমাদের দেহে পানি চলে আসে। কিডনির কার্যক্ষমতা অনেক সময় লোপ পায়। আরেকটি হলো বিলুরুবিন বা মেটাবোলিজম করা- জন্ডিস যে কারণে হয় আর কি। লিভার যখন ফেইল করে, তখন কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। পেটে পানি আসে, জন্ডিস হয়। কারো রক্ত আর জমাট বাঁধতে পারে না। যে সমস্ত টক্সিন লিভার পরিশোষিত করত, সেগুলো মস্তিষ্কে চলে যায়। সে অজ্ঞান হয়ে যায়। একপর্যায়ে কোমাতে চলে যায়। মারাও যায়। এগুলো হলো লিভার সিরোসিসের খুব জটিল অবস্থা।
১৮৬৩ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ফুটবল খেলার জন্ম হয়। অনেকের মতে, ফুটবল খেলার জন্ম = চীনে (প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে)। চীনেই আধুনিক ফুটবলের নিয়ম কানুন তৈরী করা হয়। . ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে যা দেখা যায়: বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ধারনা করা যায় ফুটবল খেলা প্রথম শুরু করেছিল গ্রিক এবং রোমান সম্প্রদায় খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০ সালের দিকে। প্রাচীন গ্রিক এবং রোমানরা বল দিয়ে বিভিন্ন রকমের খেলা খেলত, তার মধ্যে কিছু কিছু খেলা পা ব্যবহার করে খেলত। রোমান খেলা Harpastum এসেছে গ্রিক খেলা Episkyros থেকে যা গ্রিক নাট্যকার Antiphanes (388–311 BC) এবং পরে ক্রিস্টিয়ান দার্শনিক Clement of Alexandria তাদের বিভিন্ন লেখায় উল্লেখ করেছেন।