6 Answers
জীবন যুদ্ধে বেচে থাকার জন্য প্রতিটি মানুষকে সংগ্রাম করতে হয়। আপনারর জীবনেও নিশ্চয় কোন বাধা এসেছে এখন আপনি সেটার কাছে হার মেনে নিয়ে নিজেকে কাপুরুষতার পরিচয় দিবেন না। সকল মানুষই প্রতিনিয়ত হাজারো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তাই বলে সবাই হার মেনে নিচ্ছে না। একটু ভেবে দেখুন আপনার অবর্তমানে আপনার পরিবার কতটা কষ্ট পেতে পারে। জীবনকে বুঝতে শিখুন তাহলেই বেচে থাকার সার্থকতা খুজে পাবেন। আপনার কি সমস্যার জন্য এরকম চিন্তাভাবনা মাথায় আসতে সম্ভব হলে কারনটা ব্যাক্ত করে বিস্ময়ে প্রশ্ন করুন আমার বিশ্বাস বিস্ময়ের কেউ না কেউ অবস্যই কোন উপায় বের করে সমাধান করার উপায় আপনাকে দেখিয়ে দিবে। মনে রাখবেন আত্ম হত্যা করাটা শুধু বড় পাপ নয়, লোক সমাজের একটি কলঙ্কিত বিষয়। আপনি হয়তো ভাবছেন যে আত্মহত্যা করলে আপনি মুক্তি পাবেন কিন্তু সেটা কখনোই হবে না বরং আপনি আরও বেশি শাস্তি পাবেন। কোনো এক মহান জ্ঞানী লোক বলেছিলেন - জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, না পাওয়ার দুঃখ থাকবে না
যখন কেউ নিজেকে কোন কারনে অসহায় ভাবতে থাকে তবেই কেবল এই জাতীয় ইচ্ছাগুলো প্রকাশ করে।
আপনার ক্ষেত্রেও তাই।
জিবনটা হচ্ছে একটা যুদ্ধক্ষেত্র, এখানে প্রতিনিয়তই লড়াই করতে হয় কোন না কোন কিছুর সাথে।
এই যুদ্ধে যে জয় লাভ করতে পেরেছে, সেই সাক্সেস!
আপনি কি বলবেন, আপনার কি এমন হয়েছে যার জন্য মরতে চান??
এই ভুলটি কখনো করবেন না। জীবন টা অনেক কষ্টে এতদূর এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। সবার জীবনে কম বেশি দুঃখ কষ্ট আসে তাই বলে ভেঙে পরলে হবেনা। সব কিছু ভুলে যেয়ে নতুন করে বাচতে চেষ্টা করুন। আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথ দান করুন। আমিন
মানুষ জন্মের পর থেকে চাহিদার শেষ থাকে না। আর সবসময় সব চাহিদা পূরন হয় না। তাই বলে মৃত্রুর মত কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। জীবনের সকল কিছুর আনন্দ-ই হল বেঁচে থাকা। আর আর্তহত্যা মহা পাপ। কারন আপনার জীবন টা আপনার মা আপনার মা আপনাকে দিয়েছে তা এই ভাবে নষ্ট করা ঠিক নয়।
আমি ঠিক জানিনা আপনি কোন অভিমানে এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে চাইছেন? তবে একটা কথা মনে রাখবেন আত্নহত্যা মহাপাপ। যে পাপের কোন ক্ষমা নেই। প্রতিটা মানুষের জীবনেই কোন এক সময় হতাশা, ব্যর্থতা আসে। তাই বলে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা ভাই। জীবনে যা কিছু ঘটবে সব কিছুকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। তাহলে আর মন খারাপ হবে না। আর আত্নহত্যার চিন্তা একেবারেই মন থেকে মুছে ফেলুন।
আপনি এক কাজ করতে পারেন, মরার জন্য সব থেকে দ্রুক উপয় হচ্ছে হচ্ছে পিস্তল দ্বারা নিজেকে শেষ করে দেয়া। বাট এর জন্য পিস্তল প্রয়োজন। যা সংগ্রহ করা কষ্টকর। আর একটা উপায় হল বিষ খাওয়া। এতে আপনি সহজেই মরতে পারবেন। আগের দিনে বিষ খাওয়াটাও অনেক কষ্টকর ছিল কারন, আগের দিনের বিষ গুলো ছিল অনেক হার্ড, তেতো, ঝাঁঝাালো, আরো দূর্গন্ধ কটু যুক্ত। বাট এখন অনেক অত্যাধুনিক বিষ আবিষ্কৃত হয়েছে, যা খেতেও অনেক মজাদার, অনেক ক্ষেত্রে সুস্বাদু ও হয়ে থাকে। তাই আপনি সহজেই এই বিষের স্বাদ গ্রহন করতে পারেন, এবং আপনার মনোবাসনা পূর্ণ করতে পারেন। কিন্তু কম বিষ খাবেন না, এতে আপনার রিস্ক বেশি হবে তাই, অত্যান্ত নিপুনতার সাথে মরতে চাই আপনি ২ থেকে ৩ বোতল (২০০ml এর) বিষ খাবেন। খাওয়ার সময় মনে করবেন আপনি সুধা পান করছেন। এছাড়াও আপনি নতুন ব্লেড দ্বারা নিজের শরিরের নার্ভস গুলো কেটে নিজেকে শেষ করতে পারেন। কিন্তু এতে আপনি কষ্ট বেশি পাবেন। এছাড়াও আপনি ফাঁস দিয়ে মরতে পারেন। ফাঁস দিলে নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনি ৩ মিনিটের মধ্যেই মারা যাবেন। এছাড়াও আপনি আপনার নিজস্ব স্টাইল অবলম্বন করে মরতে পারে পারেন। এছাড়াও আপনি মৃত্যু কৌশল নিয়ে রচিত সিনেমা দেখেও আপনি মৃত্যু বরণ কৌশল অায়ত্ব করতে পারেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, আত্বহত্যা মহা পাপ।